ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান কি আসলেই অপরাজেয় এফ-৩৫ ভূপাতিত করেছিল
ইরাকে বিমান হামলায় শিয়া আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডারসহ নিহত ১৫
ইরানের প্রেসিডেন্টকে জরুরি ফোনকল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর, যে কথা হলো
সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মধ্যস্থতাকারী তিন দেশ কী করছে
ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ৭৭তম বারের মতো হামলা ইরানের
ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ: ঐক্য-সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
কাশ্মীরের উরি সীমান্তে উত্তেজনা: নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানীয়রা
কাশ্মীরের বিতর্কিত সীমান্ত লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি) ঘিরে চরম উত্তেজনা চলছে। সীমান্তের উরি অঞ্চলের বাসিন্দাদের বৃহস্পতিবার সকালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিকভাবে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে একটি ডিগ্রি কলেজে রাখা হয়েছে। উরি শহরটি শ্রীনগর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এএফপি
ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাতে জানা গেছে, গতরাতে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে ছোট অস্ত্র এবং গোলাবারুদের মাধ্যমে তীব্র গোলাগুলি হয়। এর আগে ৬ মে দিবাগত রাতে দু’দেশের মধ্যে গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ভারত তার প্রতিবেশী দেশের ওপর প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে এ সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। এরপর থেকেই সীমান্তজুড়ে টানা গুলিবিনিময় এবং শেষ পর্যন্ত ভারী আর্টিলারি
শেলিং শুরু হয়। এলওসি ঘেঁষা গ্রামগুলোর বাসিন্দারা বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। সীমান্ত উত্তেজনার কারণে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ সহিংসতা যদি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে, তবে তা গোটা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। সরকার ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। চলমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শেলিং শুরু হয়। এলওসি ঘেঁষা গ্রামগুলোর বাসিন্দারা বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। সীমান্ত উত্তেজনার কারণে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ সহিংসতা যদি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে, তবে তা গোটা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। সরকার ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। চলমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।



