ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু: প্রশ্নবিদ্ধ ‘মানবিক’ বিচারব্যবস্থা
দিনাজপুর কারাগারে বন্দী অবস্থায় আজ শনিবার সকালে মারা গেছেন সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন (৮৬)। তার এই মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক বিয়োগান্তক ঘটনাই নয়, বরং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ‘মানবিক’ বিচারব্যবস্থা এবং মানবাধিকারের প্রশ্নটিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
দীর্ঘ ১৮ মাস কারাভোগের পর আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।[1] গত ৫ আগস্ট, ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৬ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
সমবয়সী দুই ব্যক্তিত্ব: ভিন্ন পরিণতি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে এসেছে বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রয়াত রমেশ চন্দ্র সেনের বয়সের সমীকরণ। বিশ্লেষক অহীদ চৌধুরীর মতে, দুজনেরই জন্ম
১৯৪০ সালে এবং দুজনেরই কর্মজীবন শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা দিয়ে। অথচ ৮৬ বছর বয়সে ড. ইউনূস যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে, ঠিক সমবয়সী এবং ১৯৭১-এর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা রমেশ চন্দ্র সেন তখন কারাগারের সেঁতসেঁতে মেঝেতে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। বিশ্লেষণে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—ড. ইউনূসকে যদি এই বয়সে কারাগারে কনকনে শীতে ফ্লোরিং করে রাত কাটাতে হতো, তবে তা যেমন অমানবিক শোনাত, রমেশ চন্দ্র সেনের ক্ষেত্রেও তা সমপরিমাণ নিষ্ঠুরতা। ১৮ মাসের কারাবাস ও চিকিৎসার অভাব পারিবারিক ও দলীয় সূত্র মতে, গত দেড় মাস ধরে প্রচণ্ড শীতে রমেশ চন্দ্র সেন কারাগারে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।[1] ৮৬ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবীদের শারীরিক জটিলতা বিবেচনায় বারবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা নামঞ্জুর
করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, কারাগারে তাকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হয়নি। কনকনে শীতে পাতলা কম্বল আর অযত্নে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে, যা শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।[1] ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ নাকি ‘হত্যাকাণ্ড’? রমেশ চন্দ্র সেন কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক এবং পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার মৃত্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকে এটিকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মানতে নারাজ। বিশ্লেষক অহীদ চৌধুরী একে সরাসরি ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর বিচার দাবি করেছেন। তার মতে, একজন অসুস্থ প্রবীণ নাগরিককে ন্যূনতম চিকিৎসা ও জামিন না দিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। রমেশ চন্দ্র সেনের এই মৃত্যু
বর্তমান সরকারের ‘ইনসাফ’ ও ‘ন্যায়বিচার’ প্রতিষ্ঠার দাবিকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।[রজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও একজন ৮৬ বছর বয়সী অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রাষ্ট্রের এমন আচরণ কতটা মানবিক—সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
১৯৪০ সালে এবং দুজনেরই কর্মজীবন শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা দিয়ে। অথচ ৮৬ বছর বয়সে ড. ইউনূস যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে, ঠিক সমবয়সী এবং ১৯৭১-এর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা রমেশ চন্দ্র সেন তখন কারাগারের সেঁতসেঁতে মেঝেতে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। বিশ্লেষণে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—ড. ইউনূসকে যদি এই বয়সে কারাগারে কনকনে শীতে ফ্লোরিং করে রাত কাটাতে হতো, তবে তা যেমন অমানবিক শোনাত, রমেশ চন্দ্র সেনের ক্ষেত্রেও তা সমপরিমাণ নিষ্ঠুরতা। ১৮ মাসের কারাবাস ও চিকিৎসার অভাব পারিবারিক ও দলীয় সূত্র মতে, গত দেড় মাস ধরে প্রচণ্ড শীতে রমেশ চন্দ্র সেন কারাগারে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।[1] ৮৬ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবীদের শারীরিক জটিলতা বিবেচনায় বারবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা নামঞ্জুর
করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, কারাগারে তাকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হয়নি। কনকনে শীতে পাতলা কম্বল আর অযত্নে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে, যা শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।[1] ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ নাকি ‘হত্যাকাণ্ড’? রমেশ চন্দ্র সেন কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক এবং পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার মৃত্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকে এটিকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মানতে নারাজ। বিশ্লেষক অহীদ চৌধুরী একে সরাসরি ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর বিচার দাবি করেছেন। তার মতে, একজন অসুস্থ প্রবীণ নাগরিককে ন্যূনতম চিকিৎসা ও জামিন না দিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। রমেশ চন্দ্র সেনের এই মৃত্যু
বর্তমান সরকারের ‘ইনসাফ’ ও ‘ন্যায়বিচার’ প্রতিষ্ঠার দাবিকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।[রজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও একজন ৮৬ বছর বয়সী অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রাষ্ট্রের এমন আচরণ কতটা মানবিক—সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।



