কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের মৃত্যুর মিছিল, ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ

কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের মৃত্যুর মিছিল, ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:৪৪ 35 ভিউ
নিজস্ব প্রতিনিধি: কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীর মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তারা। জামিন না পাওয়া এই নেতাদের অনেকে লাশ হয়ে ফিরছেন স্বজনের কাছে। সবশেষ গত ১১ জানুয়ারি পাবনার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীদের খাওয়ানো হয় ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ, যেমন ডিজক্সিন বা ডিজিটক্সিন… ‘অসুস্থতাজনিত মৃত্যু’ নাকি চিকিৎসা অবহেলা কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব মৃত্যু অসুস্থতাজনিত। কিন্তু নিহতদের পরিবার বলছে ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় চিকিৎসা না পাওয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না করা, দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই

স্বজনদের মৃত্যু হয়েছে। ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে ভয় ও সন্দেহ ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ নিয়ে কারাবন্দিদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এই ওষুধ হৃদ্‌পিণ্ডকে শক্তভাবে সংকুচিত হতে সাহায্য করে, তবে মাত্রা সামান্য বেশি হলেই মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। একের পর এক মৃত্যু, একই ব্যাখ্যা কাশিমপুর, বগুড়া, পাবনা ও দেশের বিভিন্ন কারাগারে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও হৃদ্‌রোগ, কোথাও ডায়াবেটিস, আবার কোথাও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। প্রলয় চাকির মৃত্যু ও নতুন প্রশ্ন পাবনার কারাগারে প্রলয় চাকির মৃত্যুও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেও যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্বজনদের। মানবাধিকার সংগঠনের

হিসাব মানবাধিকার সংগঠন অধিকার জানায়, গত ১৬ মাসে কারাগার ও হেফাজতে অন্তত এক শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, এসব মৃত্যুর বড় অংশেই চিকিৎসা অবহেলা ও কারা ব্যবস্থাপনার গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। পরিবার নিঃস্ব, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত একজন বন্দীর মৃত্যু মানে কেবল একটি প্রাণহানি নয়। অনেক ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। জামিন মিলছে না, উদ্বেগ বাড়ছে কারাগারে মৃত্যুর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কারাবন্দি নেতাদের নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। আইনজীবী ও স্বজনদের দৌড়ঝাঁপ সত্ত্বেও জামিন মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বজনদের কণ্ঠে ক্ষোভ আর হতাশা স্পষ্ট। তারা বলছেন, রাজনীতি করাটাই যেন অপরাধ হয়ে গেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের

জবাবদিহি এবং কারাবন্দিদের মানবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody