ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খলিল-তৈয়্যব-আখতার বিমানের নতুন পরিচালক: নেপথ্যে বোয়িং কেনার ‘প্যাকেজড ডিল’?
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী-শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়ছে সহিংসতা
নোবেল বিজয়ী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের পৃষ্ঠপোষক : জঙ্গি মদদে ক্ষমতা, সংখ্যালঘু রক্তে টিকে থাকা
ফ্রিল্যান্সার পোর্টালের বিপর্যয় : নিছক ভুল নাকি রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার নমুনা?
আন্তর্জাতিক নজরে বাংলাদেশ: একতরফা নির্বাচন, সংখ্যালঘু নিপীড়ন ও বৈধতার পতন
খুনি-ফ্যাসিস্ট, জঙ্গি-মদদদাতা, অবৈধ-দখলদার ইউনূস গং কর্তৃক
ইউনুসের দৌলতে দেশের অর্থনীতি এখন লাশকাটা ঘরে
কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের মৃত্যুর মিছিল, ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি: কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীর মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তারা। জামিন না পাওয়া এই নেতাদের অনেকে লাশ হয়ে ফিরছেন স্বজনের কাছে। সবশেষ গত ১১ জানুয়ারি পাবনার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীদের খাওয়ানো হয় ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ, যেমন ডিজক্সিন বা ডিজিটক্সিন…
‘অসুস্থতাজনিত মৃত্যু’ নাকি চিকিৎসা অবহেলা
কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব মৃত্যু অসুস্থতাজনিত। কিন্তু নিহতদের পরিবার বলছে ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় চিকিৎসা না পাওয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না করা, দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই
স্বজনদের মৃত্যু হয়েছে। ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে ভয় ও সন্দেহ ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ নিয়ে কারাবন্দিদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এই ওষুধ হৃদ্পিণ্ডকে শক্তভাবে সংকুচিত হতে সাহায্য করে, তবে মাত্রা সামান্য বেশি হলেই মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। একের পর এক মৃত্যু, একই ব্যাখ্যা কাশিমপুর, বগুড়া, পাবনা ও দেশের বিভিন্ন কারাগারে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও হৃদ্রোগ, কোথাও ডায়াবেটিস, আবার কোথাও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। প্রলয় চাকির মৃত্যু ও নতুন প্রশ্ন পাবনার কারাগারে প্রলয় চাকির মৃত্যুও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেও যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্বজনদের। মানবাধিকার সংগঠনের
হিসাব মানবাধিকার সংগঠন অধিকার জানায়, গত ১৬ মাসে কারাগার ও হেফাজতে অন্তত এক শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, এসব মৃত্যুর বড় অংশেই চিকিৎসা অবহেলা ও কারা ব্যবস্থাপনার গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। পরিবার নিঃস্ব, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত একজন বন্দীর মৃত্যু মানে কেবল একটি প্রাণহানি নয়। অনেক ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। জামিন মিলছে না, উদ্বেগ বাড়ছে কারাগারে মৃত্যুর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কারাবন্দি নেতাদের নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। আইনজীবী ও স্বজনদের দৌড়ঝাঁপ সত্ত্বেও জামিন মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বজনদের কণ্ঠে ক্ষোভ আর হতাশা স্পষ্ট। তারা বলছেন, রাজনীতি করাটাই যেন অপরাধ হয়ে গেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের
জবাবদিহি এবং কারাবন্দিদের মানবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
স্বজনদের মৃত্যু হয়েছে। ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে ভয় ও সন্দেহ ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ নিয়ে কারাবন্দিদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এই ওষুধ হৃদ্পিণ্ডকে শক্তভাবে সংকুচিত হতে সাহায্য করে, তবে মাত্রা সামান্য বেশি হলেই মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। একের পর এক মৃত্যু, একই ব্যাখ্যা কাশিমপুর, বগুড়া, পাবনা ও দেশের বিভিন্ন কারাগারে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও হৃদ্রোগ, কোথাও ডায়াবেটিস, আবার কোথাও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। প্রলয় চাকির মৃত্যু ও নতুন প্রশ্ন পাবনার কারাগারে প্রলয় চাকির মৃত্যুও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেও যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্বজনদের। মানবাধিকার সংগঠনের
হিসাব মানবাধিকার সংগঠন অধিকার জানায়, গত ১৬ মাসে কারাগার ও হেফাজতে অন্তত এক শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, এসব মৃত্যুর বড় অংশেই চিকিৎসা অবহেলা ও কারা ব্যবস্থাপনার গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। পরিবার নিঃস্ব, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত একজন বন্দীর মৃত্যু মানে কেবল একটি প্রাণহানি নয়। অনেক ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। জামিন মিলছে না, উদ্বেগ বাড়ছে কারাগারে মৃত্যুর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কারাবন্দি নেতাদের নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। আইনজীবী ও স্বজনদের দৌড়ঝাঁপ সত্ত্বেও জামিন মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বজনদের কণ্ঠে ক্ষোভ আর হতাশা স্পষ্ট। তারা বলছেন, রাজনীতি করাটাই যেন অপরাধ হয়ে গেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের
জবাবদিহি এবং কারাবন্দিদের মানবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।



