ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা?
খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরান-ওমান বৈঠক শুরু
মার্কিন গ্রিন কার্ড বাতিল করে কাসেম সোলেইমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ
হুথিদের হামলার চোটে সব কর্মীকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নিলো ইসরায়েল
যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে, জানাল ইরান
করাচিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬
পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির ঐতিহাসিক ডাউনটাউনে একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আগুনের কারণে শপিং মলের বড় অংশ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এ ধ্বংসাবশেষ দেখা গিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ভবন থেকে উঁচু উঁচু আগুনের শিখা উঠছে। ঘনবসতি ব্যবসায়িক এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে দমকলকর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন। ঘটনাস্থলে শত শত মানুষ জড়ো হন, যাদের মধ্যে অনেক দোকানমালিকও ছিলেন। নিজেদের পুড়ে যাওয়া ব্যবসা দেখে তারা শোকাহত ও হতবিহ্বল ছিলেন।
রেসকিউ ১১২২ এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান রয়টার্সকে বলেছেন, শনিবার রাত সাড়ে ১০:৩৮ মিনিটে প্রথমবার রেসকিউ সার্ভিসে ফোন
আসে, যেখানে জানানো হয় গুল প্লাজার নিচতলার দোকানগুলোতে আগুন লেগেছে। আমরা পৌঁছালে নিচতলার আগুন উপরের তলায় ছড়িয়ে পড়েছে, এবং তখন প্রায় পুরো ভবনই আগুনে গ্রাস হয়ে গিয়েছিল। করাচির সিভিল হাসপাতালের পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, ছয়টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, পুলিশ ম্যাস ডিজাস্টার প্রটোকল কার্যকর করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভবনের কিছু অংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে এবং উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, পুরো কাঠামোটিই যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে।
আসে, যেখানে জানানো হয় গুল প্লাজার নিচতলার দোকানগুলোতে আগুন লেগেছে। আমরা পৌঁছালে নিচতলার আগুন উপরের তলায় ছড়িয়ে পড়েছে, এবং তখন প্রায় পুরো ভবনই আগুনে গ্রাস হয়ে গিয়েছিল। করাচির সিভিল হাসপাতালের পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, ছয়টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, পুলিশ ম্যাস ডিজাস্টার প্রটোকল কার্যকর করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভবনের কিছু অংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে এবং উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, পুরো কাঠামোটিই যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে।



