ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় ‘শারমিনকে’ হত্যা করে ভারতে পালাচ্ছিলেন প্রেমিক
মোদিবিরোধী তাণ্ডবের পর হেফাজতের উগ্রবাদীদের ধরিয়ে নেওয়া সেই দর্জিকে প্রকাশ্যে গুলি করে, কুপিয়ে হত্যা
দক্ষিণখানে দুই বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল
১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইমাম আটক
অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, নিয়ে গেছে মোবাইল-টাকা
কক্সবাজার সৈকতে নেমে চবির ৩ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, একজনের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারের হিমছড়ি বিচে পানিতে নেমে নিখোঁজ হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী।
এদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি, ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
মৃত শিক্ষার্থীর নাম কে এম সাদমান রহমান সাবাব। তার বাবার নাম কে এম আনিছুর রহমান। তার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার মিরপুরে।
অন্য দুই নিখোঁজ শিক্ষার্থী অরিত্র হাসান ও আসিফ আহমেদ। তাদের দুজনের বাড়ি বগুড়ায়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ‘ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ বিভাগের।
তারা তিন জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মো. ফরহাদ হোসেন হলে থাকেন। সকালে হিমছড়ি বিচে নেমে নিখোঁজ
হয়েছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে চবির সহকারী প্রক্টর ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ বিন কামাল চৌধুরী বলেন, গতকাল রাতে প্রথম বর্ষের চারজন শিক্ষার্থী কক্সবাজারে ঘুরতে যায়। তারা নিজ উদ্যোগে সেখানে গিয়েছে। এর মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জেলেরা, অন্যরা এখনো নিখোঁজ। তিনি আরও বলেন, আমরা সেখানকার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেছি। তাদের পরিবারকে জানানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের বিভাগের সিনিয়র কয়েকজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে।
হয়েছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে চবির সহকারী প্রক্টর ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ বিন কামাল চৌধুরী বলেন, গতকাল রাতে প্রথম বর্ষের চারজন শিক্ষার্থী কক্সবাজারে ঘুরতে যায়। তারা নিজ উদ্যোগে সেখানে গিয়েছে। এর মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জেলেরা, অন্যরা এখনো নিখোঁজ। তিনি আরও বলেন, আমরা সেখানকার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেছি। তাদের পরিবারকে জানানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের বিভাগের সিনিয়র কয়েকজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে।



