ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহারে প্রতারিত হবে রোগী, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ জুলাই, ২০২৫
     ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

যে দেশে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসায়ী প্রধান উপদেষ্টা, সেখানে মানুষ ঋণের দায়ে মরবেই

ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা

মাটিরাঙ্গায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, পেছনে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পুরনো অভিযোগ

দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা

৪০ বছরের রেকর্ড, রাজস্ব আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে

ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিসংঘকে ব্যবহার করে সত্য আড়াল: ওএইচসিএইচআর রিপোর্টকে ‘মনগড়া ও ইউনুসপ্রীতি আইসিআরএফ

ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহারে প্রতারিত হবে রোগী, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ জুলাই, ২০২৫ | ৮:৩৬ 77 ভিউ
রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের মৌল নাম বা জেনেরিক নাম ব্যবহার করতে হবে—এমন একটি প্রস্তাবনা আছে। তবে সে প্রস্তাবনা কতটা বাস্তবসম্মত, সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিষয়ে ওষুধের দোকানের ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া দেশের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় একটি অংশ উত্তম ওষুধ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত নয়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহার করা হলে দোকানিরা গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধের পরিবর্তে অধিক মুনাফার আশায় মানহীন ওষুধ বিক্রিতে ঝুঁকবে। এতে রোগীরা প্রতারিত হবেন এবং রোগের বিস্তার বাড়বে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, জেনেরিক নাম লিখলে ক্রেতা তার ইচ্ছামতো ওষুধটি বেছে নিতে পারে। কিন্তু যখনই জেনেরিক নাম লেখা হবে তখন

একজন রোগীকে ওষুধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত অভিজ্ঞ চিকিৎসকের হাত থেকে একজন ওষুধের দোকানির হাতে চলে যাবে। কারণ বাংলাদেশের ক্রেতারা ওষুধ যাচাই করে কেনার মতো সচেতন নয়। ফলে এতে করে খুবই বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হবে। রোগীরা মানসম্পন্ন ওষুধ থেকে বঞ্চিত হবে। ওষুধ বেচাবিক্রি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়বে। কেমিস্ট তথা ড্রাগ ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় সুকৌশলে মানহীন ওষুধ ধরিয়ে দেবে রোগীদের হাতে। এ ছাড়া সারা দেশে তৈরি হাবে নকল ও ভেজাল ওষুধ কেনাবেচার সিন্ডিকেট। এতে ওষুধের বাজার চলে যাবে নকল ও ভোজার কারবারিদের নিয়ন্ত্রণে। সর্বশেষে চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার ওপর নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের অন্যতম সুপারিশ ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসক যেন ওষুধের জেনেরিক নাম

লেখেন। কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ব্যবস্থাপত্রে ২৫ শতাংশ ওষুধ জেনেরিক নামে লিখতে হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে ব্যবস্থাপত্রে শতভাগ ওষুধের জেনেরিক নাম লেখা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ডা. জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্প উচ্চমানের ব্র্যান্ডেড ওষুধ উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। দেশে উৎপাদিত ব্র্যান্ডেড ওষুধের নামের সঙ্গে রোগীরা পরিচিত। জেনেরিক নাম ব্যবহারে রোগীরা চিকিৎসার সময় বিভ্রান্তিতে পড়বে, যা সঠিক ওষুধ গ্রহণে ব্যাঘাত ঘটাবে। ‘জেনেরিক নাম’ ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হলে ওষুধ উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্র্যান্ডের মান উন্নয়নে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফার্মেসি সাধারণ লোক দ্বারা পরিচালিত, যাদের স্বাস্থ্যসেবা এবং ওষুধ সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান রয়েছে।

ফলে তারা রোগীদের নিম্নমানের কোম্পানির ওষুধ কিনতে প্রভাবিত করতে পারে, যা রোগীদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, ইউরোপ-আমেরিকার মতো কিছু উন্নত দেশে ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সেখানে সব কোম্পানির ওষুধের মান একইভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। তা ছাড়া আমাদের দেশের ওষুধের দোকানগুলোয় নিবন্ধিত স্নাতক ফার্মাসিস্ট নেই। আমরাও মনে করি, আমাদের দেশের প্রতিটি ফার্মেসিতে ফার্ম-ডি করা ফার্মাসিস্ট প্রয়োজন। একই সঙ্গে সব ধরনের ওষুধের কোয়ালিটি একই হতে হবে। যেহেতু আমাদের দেশে এ ধরনের প্রস্তুতি নেই, সেহেতু এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে খুবই বিপদজ্জনক। এ প্রসঙ্গে ওষুধ প্রযুক্তিবিদ অধ্যাপক মুনির উদ্দিন আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মতামত ব্যক্ত করতে

গিয়ে বলেছেন, জেনেরিক নাম লিখলে দোকানদারদের হাতে সোনার হরিণ তুলে দেওয়ার মতো অবস্থা হবে। তারা তখন নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ ক্রেতার কাছে বিক্রি করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করার সুযোগ পাবে। জনগণের জন্য উন্নত ও মানসম্মত ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণে বিরাট বাধা তৈরি হবে। দেখা যাবে ডাক্তার ওষুধ লিখেছেন একরকম, আর ওষুধ খেয়ে কাজ হচ্ছে আরেকরকম। সবমিলিয়ে চিকিৎসা খাতে এক অচিন্তনীয় ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে। স্বাস্থ্য প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদ বজলুর রহমান বলেন, সারা দেশের গ্রামগঞ্জে হাজার হাজার ওষুধের দোকান রয়েছে। যেসব দোকানে কোন ফার্মাসিস্ট তো দূরের কথা উচ্চমাধ্যমিক পাস দোকানি নেই। তাদের পক্ষে জেনেরিক নাম বুঝে ওষুধ বিক্রি সম্ভব নয়। প্রসঙ্গত,

গত ৫ মে সোমবার স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন তাদের প্রস্তাবনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়। সেখানে রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নাটোরে পুকুরে লাশ, রাষ্ট্রে ডুবে যাচ্ছে সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা। অবৈধ জামাতি ইউনুসের শাসনে সংখ্যালঘুর জীবন এখন সবচেয়ে সস্তা। যে দেশে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসায়ী প্রধান উপদেষ্টা, সেখানে মানুষ ঋণের দায়ে মরবেই ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা মাটিরাঙ্গায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, পেছনে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পুরনো অভিযোগ দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা ৪০ বছরের রেকর্ড, রাজস্ব আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে পুকুরে লাশ, রাষ্ট্রের মুখে তালা: সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে—জবাবদিহির দায় কার? ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিসংঘকে ব্যবহার করে সত্য আড়াল: ওএইচসিএইচআর রিপোর্টকে ‘মনগড়া ও ইউনুসপ্রীতি আইসিআরএফ টাকা কম পাওয়ায় ফের ডাকাতির হুমকি ডাকাত দলের ভবনমালিকের দায় দেখছেন মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ বদল করবে না আয়ারল্যান্ড মাদুরোকে তুলে নেওয়ার কয়েক মাস আগে কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানোর ব্যাখ্যা দিল বিসিবি ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ৭২ বয়সে আত্মজীবনী লিখলেন অঞ্জন দত্ত নতুন নামে বদলে যাবে পুরোনো জিমেইল উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ এজাহারে নাম নেই তবু জাপা প্রার্থী টিপুর মুক্তি মিলছে না আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা