ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির, প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতারও
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নাঈনি নিহত
যুদ্ধবিরতি হলেই হরমুজে সহায়তা দেবে ৩ দেশ
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
এ যেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণের বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের অধিবেশনে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস উপস্থিত থাকতে পারবেন না। কারণ, তিনি ও তার কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি। মাহমুদ আব্বাসের অনুপস্থিতিতেই এবারের অধিবেশনটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণী বৈঠক হতে চলেছে।
এবারের অধিবেশনের মূল আলোচ্য বিষয় হবে, ফিলিস্তিন ও গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ। এতে বিশ্বের ১৪০ জনেরও বেশি রাষ্ট্রনেতা অংশ নেবেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি কার্যতালিকাভুক্ত করে বিবৃতি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জন্য দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান পুনরুজ্জীবিত করার একটি প্রস্তাবকে বিপুল ভোটে সমর্থন করেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনবিরোধী কড়া বার্তার মধ্যেই প্রস্তাবটির ওপর বার্ষিক অধিবেশনে আলোচনা হতে যাচ্ছে।
আলজাজিরা
জানায়, ‘নিউইয়র্ক ঘোষণাপত্রে’ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের বাস্তব, সময়সীমাবদ্ধ এবং অপরিবর্তনীয় রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। ১৪২ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ইসরায়েল এবং প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ রাষ্ট্র বিরোধী ভোট দেয়। ভোট দানে বিরত থাকে ১২ রাষ্ট্র। এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে কি না তা সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে সুরাহা হতে হবে। অন্যান্য বারের মতো ফলহীন বৈঠক হলে পরিস্থিতি আরব-ইসরায়েল সংঘাতেও গড়াতে পারে। এদিকে অধিবেশন উপলক্ষে ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে। এ তালিকায় যোগ দিয়েছে যুক্তরাজ্যও। দিন দিন ফিলিস্তিনপন্থি রাষ্ট্রের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী সোমবার থেকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটের ‘দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান’ প্রশ্নে কয়েকটি বৈঠক হবে। সৌদি আরব ও ফ্রান্স যৌথভাবে এসব বৈঠকে সভাপতিত্ব করবে। এ সমাধানের
লক্ষ্য হলো উভয় পক্ষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
জানায়, ‘নিউইয়র্ক ঘোষণাপত্রে’ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের বাস্তব, সময়সীমাবদ্ধ এবং অপরিবর্তনীয় রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। ১৪২ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ইসরায়েল এবং প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ রাষ্ট্র বিরোধী ভোট দেয়। ভোট দানে বিরত থাকে ১২ রাষ্ট্র। এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে কি না তা সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে সুরাহা হতে হবে। অন্যান্য বারের মতো ফলহীন বৈঠক হলে পরিস্থিতি আরব-ইসরায়েল সংঘাতেও গড়াতে পারে। এদিকে অধিবেশন উপলক্ষে ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে। এ তালিকায় যোগ দিয়েছে যুক্তরাজ্যও। দিন দিন ফিলিস্তিনপন্থি রাষ্ট্রের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী সোমবার থেকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটের ‘দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান’ প্রশ্নে কয়েকটি বৈঠক হবে। সৌদি আরব ও ফ্রান্স যৌথভাবে এসব বৈঠকে সভাপতিত্ব করবে। এ সমাধানের
লক্ষ্য হলো উভয় পক্ষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা।



