ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
এবার ভুয়া থানার সন্ধান!
এবার একটি ভুয়া পুলিশ স্টেশন আবিষ্কার করেছে পুলিশ। ছয় প্রতারক মিলে চালাচ্ছিলেন ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর’ অফিস! অফিসটি সাজানো ছিল একেবারে পুলিশের কার্যালয়ের মতোই। কালো-নীল রং, লোগো, স্ট্যাম্প, পরিচয়পত্র, সবই ছিল একদম ঠিকঠাক।
জানা গেছে, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডায় অবস্থিত একটি ভাড়া করা অফিস থেকে নিজেদের পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ‘অনুদান’ আদায়ের অভিযোগে ওই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।
পুলিশ জানায়, www.intlpcrib.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করতো এই চক্রটি।
গৌতম বুদ্ধ নগরের ফেজ-৩ এলাকার সেক্টর-৭০-এ এই থানাটি গড়ে তোলা হয়েছিল।
অভিযুক্তরা নিজেদের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিত এবং 'যাচাই' বা 'তদন্তের' নামে মানুষকে ভয় দেখিয়ে এবং বিভ্রান্ত করে অবৈধভাবে
অর্থ আদায় করত। তারা তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদানের আকারে মানুষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করত এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট প্রদর্শন করত। পুলিশ জানায়, সেখান থেকে ৯টি মোবাইল ফোন, ১৭টি জাল স্ট্যাম্প,৬টি চেক বই,৯টি জাল পরিচয়পত্র, ৬টি এটিএম কার্ড,মন্ত্রণালয় অনুমোদিত জাল সার্টিফিকেট, ৪টি বোর্ড (আন্তর্জাতিক পুলিশের নামে)এবং নগদ ৪২,৩০০ টাকা সহ জাল লেটারহেড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, সিপিইউ এবং অন্যান্য নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গাজিয়াবাদের ডিসিপি শক্তি মোহন অবস্থি জানান, অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক লেনদেনের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এছাড়া,পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ আদায় করত। তারা তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদানের আকারে মানুষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করত এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট প্রদর্শন করত। পুলিশ জানায়, সেখান থেকে ৯টি মোবাইল ফোন, ১৭টি জাল স্ট্যাম্প,৬টি চেক বই,৯টি জাল পরিচয়পত্র, ৬টি এটিএম কার্ড,মন্ত্রণালয় অনুমোদিত জাল সার্টিফিকেট, ৪টি বোর্ড (আন্তর্জাতিক পুলিশের নামে)এবং নগদ ৪২,৩০০ টাকা সহ জাল লেটারহেড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, সিপিইউ এবং অন্যান্য নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গাজিয়াবাদের ডিসিপি শক্তি মোহন অবস্থি জানান, অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক লেনদেনের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এছাড়া,পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।



