ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া
ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত
চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার
আবারও কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
চীনে বসন্ত উৎসবের ৯ দিনের আয় ৫৭৫ কোটি ইউয়ান
এবার ব্রিকস জোটের সদস্য হতে ফিলিস্তিনের আবেদন
আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে ফিলিস্তিন। তবে এখন পর্যন্ত জোটের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আসেনি। ফলে আপাতত অতিথি দেশ হিসেবেই জোট সম্মেলনে অংশ নেবে ফিলিস্তিন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত আবদেল-হাফিজ নোফাল।
শুক্রবার রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত নোফাল বলেন, ‘ফিলিস্তিন আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিয়েছে। কিন্তু কিছু বিশেষ শর্তের কারণে আমরা এখনো পূর্ণাঙ্গ সদস্য হতে পারিনি। সেই শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অতিথি হিসেবেই থাকব। জোটের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।’
২০০৬ সালে রাশিয়া, চীন, ভারত ও ব্রাজিল মিলে ব্রিকসের যাত্রা শুরু করে। পরে ২০১১ সালে এতে যোগ দেয়
দক্ষিণ আফ্রিকা। সম্প্রতি ২০২৪ সালে জোটে যুক্ত হয় মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া ও ইরান। চলতি বছরের শুরুতে ইন্দোনেশিয়া পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে ব্রিকসে অন্তর্ভুক্ত হয়। শুধু সদস্য দেশ নয়, আরও একাধিক অংশীদার রাষ্ট্র ব্রিকসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এদের মধ্যে রয়েছে বেলারুশ, বলিভিয়া, কিউবা, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। ফিলিস্তিনের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে চীন। শুক্রবার বেইজিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সমমনা দেশগুলোর ব্রিকসে যোগদানকে স্বাগত জানাই। এভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিকস এখন উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম। এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বহুমেরুকরণ ও গণতন্ত্রায়নের পক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। ফলে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো ব্রিকসকে ব্যাপকভাবে গ্রহণ করছে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা। সম্প্রতি ২০২৪ সালে জোটে যুক্ত হয় মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া ও ইরান। চলতি বছরের শুরুতে ইন্দোনেশিয়া পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে ব্রিকসে অন্তর্ভুক্ত হয়। শুধু সদস্য দেশ নয়, আরও একাধিক অংশীদার রাষ্ট্র ব্রিকসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এদের মধ্যে রয়েছে বেলারুশ, বলিভিয়া, কিউবা, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। ফিলিস্তিনের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে চীন। শুক্রবার বেইজিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সমমনা দেশগুলোর ব্রিকসে যোগদানকে স্বাগত জানাই। এভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিকস এখন উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম। এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বহুমেরুকরণ ও গণতন্ত্রায়নের পক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। ফলে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো ব্রিকসকে ব্যাপকভাবে গ্রহণ করছে।’



