ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
এপ্রিলে একাধিক তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস
দেশের কয়েকটি জেলায় মার্চ মাসের শেষের দিক থেকে তাপপ্রবাহ শুরু হয়। এপ্রিলের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আজ শনিবার দেশের অন্তত ২৭ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে, পাশাপাশি কয়েক দফা মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহও দেখা দিতে পারে। এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে তিন থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক-দুটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, এপ্রিল মাসে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। তবে দুই-একটি তীব্র তাপপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই মাসে বঙ্গোপসাগরে তিন
থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক-দুটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আফরোজা সুলতানা আরও বলেন, বাংলাদেশে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস সাধারণত কালবৈশাখীর সময়। এই সময়ে বৃষ্টি হলে সঙ্গে দমকা বাতাস থাকে। এই মাসগুলোতে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। আজ শনিবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ শনিবার রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকাসহ মোট ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। তাপপ্রবাহে আক্রান্ত অন্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, রাঙামাটি, বরিশাল ও পটুয়াখালী। আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলছেন, সারাদেশের এই তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আগামী ৭ তারিখ সারাদেশে বৃষ্টি শুরু হবে। এটি এক
বা দুইদিন থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তা মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই ছিল রাজশাহী, যেখানে তাপমাত্রা ওঠে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপপ্রবাহ অনুভূত হয়েছে; সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সাধারণত গড়ে
৯টি বজ্রঝড় হয়। এ মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি-দুটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এপ্রিলে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫ থেকে ৭ দিন হালকা অথবা মাঝারি এবং এক থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড়সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এপ্রিলে দেশে দুই থেকে চারটি মৃদু (৩৬-৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক-দুইটি তীব্র (৪০-৪১ দ.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এপ্রিল মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩.০-৫.০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য
কিরণকাল ৫ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অনুভূতি বেশি থাকবে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের কিছু এলাকায়। ২০২৪ সালে দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম টানা তাপপ্রবাহ দেখা গেলেও এবার তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনা কম। কারণ, হিসেবে আফরোজা সুলতানা উল্লেখ করেন, চলতি মাসে একাধিক বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন তাপপ্রবাহের সময়সীমা বেড়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে। জুন পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।
থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক-দুটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আফরোজা সুলতানা আরও বলেন, বাংলাদেশে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস সাধারণত কালবৈশাখীর সময়। এই সময়ে বৃষ্টি হলে সঙ্গে দমকা বাতাস থাকে। এই মাসগুলোতে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। আজ শনিবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ শনিবার রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকাসহ মোট ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। তাপপ্রবাহে আক্রান্ত অন্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, রাঙামাটি, বরিশাল ও পটুয়াখালী। আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলছেন, সারাদেশের এই তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আগামী ৭ তারিখ সারাদেশে বৃষ্টি শুরু হবে। এটি এক
বা দুইদিন থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তা মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই ছিল রাজশাহী, যেখানে তাপমাত্রা ওঠে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপপ্রবাহ অনুভূত হয়েছে; সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সাধারণত গড়ে
৯টি বজ্রঝড় হয়। এ মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি-দুটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এপ্রিলে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫ থেকে ৭ দিন হালকা অথবা মাঝারি এবং এক থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড়সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এপ্রিলে দেশে দুই থেকে চারটি মৃদু (৩৬-৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক-দুইটি তীব্র (৪০-৪১ দ.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এপ্রিল মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩.০-৫.০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য
কিরণকাল ৫ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অনুভূতি বেশি থাকবে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের কিছু এলাকায়। ২০২৪ সালে দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম টানা তাপপ্রবাহ দেখা গেলেও এবার তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনা কম। কারণ, হিসেবে আফরোজা সুলতানা উল্লেখ করেন, চলতি মাসে একাধিক বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন তাপপ্রবাহের সময়সীমা বেড়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে। জুন পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।



