ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশে কত টন পেট্রোল-ডিজেল মজুত আছে, জানাল জ্বালানি বিভাগ
গরমকালে শীতের কম্বল বিতরণ
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ সরকার: গত ঈদের তুলনায় এবার সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৮.২৬%
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
ইউনূস অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কিনতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ: এখন দেশে হাম মহামারি
সংসদ ভবনে ঘোলা পানি খেয়ে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে : চিফ হুইপ
মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি
এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান। এর আগেও দুদফায় ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। এ নিয়ে তিন দফায় ১৬ কর্মকর্তার দুর্নীতি খুঁজতে কাজ শুরু হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই এনবিআরের শাটডাউন কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।
নতুন করে যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তারা হলেন-কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট (ঢাকা পূর্ব) কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, বেনাপোল স্থলবন্দরের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, উপ-কর কমিশনার (সার্কেল-৭) মো. মামুন মিয়া, আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা ও কর অঞ্চল-২ ঢাকার
পরিদর্শক লোকমান আহমেদ। দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও এনবিআরের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হতে করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ আছে। এক্ষেত্রে প্রতিবছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুস না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি করেন। এনবিআর চেয়ারম্যানের অপরসারণ দাবিতে এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও সবশেষ দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলাকালে রোববার ছয় কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয় দুদক। এরপর সোমবার থেকে কাজে ফেরেন আন্দোলনকারীরা।
পরিদর্শক লোকমান আহমেদ। দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও এনবিআরের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হতে করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ আছে। এক্ষেত্রে প্রতিবছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুস না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি করেন। এনবিআর চেয়ারম্যানের অপরসারণ দাবিতে এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও সবশেষ দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলাকালে রোববার ছয় কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয় দুদক। এরপর সোমবার থেকে কাজে ফেরেন আন্দোলনকারীরা।



