ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা হামলা ইরানের
কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
এআই উন্নয়ন ও নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: চীনের প্রধানমন্ত্রী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির মধ্যেই এর সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে গোটা বিশ্বকে সতর্ক করলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। তিনি বলেন, এআইয়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা অত্যন্ত জরুরি এবং এ বিষয়ে বৈশ্বিক ঐক্যমত্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।
শনিবার সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এআই কনফারেন্স-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এএফপি সাংহাই থেকে এই খবর জানিয়েছে।
লি কিয়াং এআই সেক্টরে সুশাসন ও ওপেন-সোর্স সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এআই সহযোগিতা জোরদারে চীনের নেতৃত্বে একটি নতুন সংস্থা গঠনের ঘোষণাও দেন।
তিনি বলেন, ‘এআই প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে যে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে, তা
গোটা সমাজের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এখন সময় এসেছে—উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মাঝে ভারস্যমূলক পথ খুঁজে বের করার জন্য আমরা সবাই একমত হই।’ প্রসঙ্গত, বর্তমান বিশ্বে প্রায় সব শিল্পেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এটি নানা নৈতিক বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে—যেমন ভুয়া তথ্যের প্রসার, কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব, কিংবা প্রযুক্তির ওপর মানবীয় নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কা। এদিকে একই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, তিনি এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য নিশ্চিত করতে ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করবেন। তিনি বেসরকারি খাতের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন ‘লাল ফিতা’, অর্থাৎ অতিরিক্ত দাপ্তরিক জটিলতা ও কঠোর বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ওয়েইসি উদ্বোধনে প্রদর্শিত এক ভিডিও বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এআই হবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক বড় ধরনের পরীক্ষা। এই প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে।’
গোটা সমাজের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এখন সময় এসেছে—উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মাঝে ভারস্যমূলক পথ খুঁজে বের করার জন্য আমরা সবাই একমত হই।’ প্রসঙ্গত, বর্তমান বিশ্বে প্রায় সব শিল্পেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এটি নানা নৈতিক বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে—যেমন ভুয়া তথ্যের প্রসার, কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব, কিংবা প্রযুক্তির ওপর মানবীয় নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কা। এদিকে একই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, তিনি এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য নিশ্চিত করতে ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করবেন। তিনি বেসরকারি খাতের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন ‘লাল ফিতা’, অর্থাৎ অতিরিক্ত দাপ্তরিক জটিলতা ও কঠোর বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ওয়েইসি উদ্বোধনে প্রদর্শিত এক ভিডিও বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এআই হবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক বড় ধরনের পরীক্ষা। এই প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে।’



