ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
উখিয়ায় উদ্বোধনের আগেই ধস: ৩৫ লাখ টাকার ড্রেন গ্রাস করল ৩০ মিনিটের বৃষ্টি
উদ্বোধনের ফিতা কাটার আগেই হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল সরকারের লাখ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প!
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা সদর বাজারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)-এর অর্থায়নে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি ড্রেন মাত্র ৩০ মিনিটের সামান্য বৃষ্টিতেই হেলে পড়েছে এবং আংশিকভাবে ধসে গেছে। ২৪০ ফুট দীর্ঘ এই ড্রেনটির এমন কঙ্কালসার দশা দেখে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার এমন হরিলুট নিয়ে উখিয়া বাজারে এখন চলছে তীব্র সমালোচনা।
রড ছাড়া ঢালাই, বালু-সিমেন্টের নামে প্রতারণা, নেপথ্যে ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এই নির্মাণকাজের শুরু থেকেই ‘নুন আনতে পান্তা ফুরানো’র মতো অবস্থা ছিল। ড্রেন নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে
অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, নামমাত্র সিমেন্ট আর ভেজাল বালু। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ড্রেনের দেওয়ালে ও ঢালাইয়ে পর্যাপ্ত রড ব্যবহার করা হয়নি বললেই চলে। রডবিহীন এই দুর্বল কাঠামোর কারণেই জ্যৈষ্ঠের প্রথম ৩০ মিনিটের বৃষ্টিতেই ড্রেনের একপাশ হেলে পড়ে হুড়মুড়িয়ে ধসে যায়। এই মহাদুর্নীতির পেছনে রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’, যার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী শাহাব উদ্দিন চৌধুরী। প্রকল্পের একনজরে খতিয়ান: প্রকল্পের স্থান, উখিয়া উপজেলা সদর। বাজার, কক্সবাজার। অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), কক্সবাজার। অনুমোদিত বাজেট প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। ড্রেনের দৈর্ঘ্য, ২৪০ ফুট। বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার হাসান এন্টারপ্রাইজ (মালিক: শাহাব উদ্দিন চৌধুরী) “কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন, অসাধু চক্রের পকেটে!” — ফুঁসছেন ব্যবসায়ীরা উদ্বোধনের আগেই ড্রেন ধসে
পড়ার ঘটনায় উখিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। উখিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান বলেন, ”কাজের শুরু থেকেই আমরা দেখছিলাম কী জঘন্য নিম্নমানের জিনিসপত্র ব্যবহার করা হচ্ছিল। সামান্য ৩০ মিনিটের বৃষ্টিই সওজ আর ঠিকাদারের আসল রূপ বের করে দিয়েছে। জনগণের টাকার এই অপচয় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হওয়া দরকার।” সরাসরি সওজের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আরেক ব্যবসায়ী আব্দু সালাম বলেন, ”সরকার তো উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদার আর সরকারি কর্মকর্তার গাফিলতি ও দুর্নীতির কারণে এই অবস্থা হচ্ছে। উদ্বোধনের আগেই ড্রেন ভেঙে পড়া লজ্জাজনক। আমরা দায়ীদের কঠোর শাস্তি চাই।” ঠিকাদার পলাতক, সওজের অজুহাত ‘বৃষ্টির চাপ’! এই
নজিরবিহীন অনিয়মের বিষয়ে জানতে হাসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহাব উদ্দিন চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি দুর্নীতির প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে “ব্যস্ত আছেন” বলে তড়িঘড়ি লাইনটি কেটে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করলেও তাকে আর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, পুরো কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তফা মুন্সী যেন পুরো দায় চাপালেন প্রকৃতির ওপর! তিনি জানান, ”কাজ তো এখনো শেষ হয়নি, চলমান আছে। বৃষ্টির পানির তোড়ে মাটির চাপ পড়ায় ড্রেনের সামান্য অংশ হেলে গেছে মাত্র। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছি, তারা নিজ খরচে এই ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আবার মেরামত করে দেবে।” প্রকৌশলীর দাবি অনুযায়ী মেরামত হয়তো হবে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে
যায়—যে ড্রেন ৩০ মিনিটের বৃষ্টি সহ্য করতে পারে না, তা বর্ষাকালের পাহাড়ি ঢল সামাল দেবে কীভাবে? সওজের কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় বসে কীভাবে রড ছাড়া ঢালাইয়ের কাজ শেষ করল ঠিকাদার? তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পকেটে কি তবে অন্য কোনো ‘সুবিধা’ ঢুকেছিল? উখিয়াবাসী এখন এই হরিলুটের আসল বিচার চায়।
অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, নামমাত্র সিমেন্ট আর ভেজাল বালু। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ড্রেনের দেওয়ালে ও ঢালাইয়ে পর্যাপ্ত রড ব্যবহার করা হয়নি বললেই চলে। রডবিহীন এই দুর্বল কাঠামোর কারণেই জ্যৈষ্ঠের প্রথম ৩০ মিনিটের বৃষ্টিতেই ড্রেনের একপাশ হেলে পড়ে হুড়মুড়িয়ে ধসে যায়। এই মহাদুর্নীতির পেছনে রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’, যার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী শাহাব উদ্দিন চৌধুরী। প্রকল্পের একনজরে খতিয়ান: প্রকল্পের স্থান, উখিয়া উপজেলা সদর। বাজার, কক্সবাজার। অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), কক্সবাজার। অনুমোদিত বাজেট প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। ড্রেনের দৈর্ঘ্য, ২৪০ ফুট। বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার হাসান এন্টারপ্রাইজ (মালিক: শাহাব উদ্দিন চৌধুরী) “কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন, অসাধু চক্রের পকেটে!” — ফুঁসছেন ব্যবসায়ীরা উদ্বোধনের আগেই ড্রেন ধসে
পড়ার ঘটনায় উখিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। উখিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান বলেন, ”কাজের শুরু থেকেই আমরা দেখছিলাম কী জঘন্য নিম্নমানের জিনিসপত্র ব্যবহার করা হচ্ছিল। সামান্য ৩০ মিনিটের বৃষ্টিই সওজ আর ঠিকাদারের আসল রূপ বের করে দিয়েছে। জনগণের টাকার এই অপচয় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হওয়া দরকার।” সরাসরি সওজের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আরেক ব্যবসায়ী আব্দু সালাম বলেন, ”সরকার তো উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদার আর সরকারি কর্মকর্তার গাফিলতি ও দুর্নীতির কারণে এই অবস্থা হচ্ছে। উদ্বোধনের আগেই ড্রেন ভেঙে পড়া লজ্জাজনক। আমরা দায়ীদের কঠোর শাস্তি চাই।” ঠিকাদার পলাতক, সওজের অজুহাত ‘বৃষ্টির চাপ’! এই
নজিরবিহীন অনিয়মের বিষয়ে জানতে হাসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহাব উদ্দিন চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি দুর্নীতির প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে “ব্যস্ত আছেন” বলে তড়িঘড়ি লাইনটি কেটে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করলেও তাকে আর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, পুরো কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তফা মুন্সী যেন পুরো দায় চাপালেন প্রকৃতির ওপর! তিনি জানান, ”কাজ তো এখনো শেষ হয়নি, চলমান আছে। বৃষ্টির পানির তোড়ে মাটির চাপ পড়ায় ড্রেনের সামান্য অংশ হেলে গেছে মাত্র। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছি, তারা নিজ খরচে এই ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আবার মেরামত করে দেবে।” প্রকৌশলীর দাবি অনুযায়ী মেরামত হয়তো হবে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে
যায়—যে ড্রেন ৩০ মিনিটের বৃষ্টি সহ্য করতে পারে না, তা বর্ষাকালের পাহাড়ি ঢল সামাল দেবে কীভাবে? সওজের কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় বসে কীভাবে রড ছাড়া ঢালাইয়ের কাজ শেষ করল ঠিকাদার? তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পকেটে কি তবে অন্য কোনো ‘সুবিধা’ ঢুকেছিল? উখিয়াবাসী এখন এই হরিলুটের আসল বিচার চায়।



