
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

পেঙ্গুইন-পাখির স্থানেও শুল্ক

ওয়াক্ফ বিল পাসের প্রতিবাদে কলকাতা চেন্নাই আহমেদাবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ

আমাদের চলে যেতে হচ্ছে, কোথায় যাব জানি না

যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য তৈরি করলে মিলবে শুল্ক মুক্তি : ট্রাম্প

হুমকি দিলেও রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ায় শুল্ক চাপাননি ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা খাতে সংকট: বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

ট্রাম্পের গাড়ির উপর শুল্ক: আমেরিকায় কর্মসংস্থান ও মজুরি বৃদ্ধি
ঈদ আনন্দে প্রবাসীদের পাশে ছিল না ফ্রান্স দূতাবাস

ফ্রান্সে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। প্রবাসে তাদের দেখভালের দায়িত্ব মূলত বাংলাদেশ দূতাবাসের ওপর বর্তায়। অথচ, বিভিন্ন উৎসব ও আনন্দঘন মুহূর্তে প্রবাসীদের পাশে থাকার বদলে দূতাবাস যেন নিখোঁজ হয়ে যায়!
এক সময় সরকারি দলের অনুষ্ঠানে দূতাবাস কর্মকর্তাদের সরব উপস্থিতি দেখা গেলেও বর্তমানে তারা যেন শুধুই রাজনৈতিক পরিচর্যার ব্যস্ততায় নিমগ্ন। বিশেষ করে ঈদ বা অন্য কোনো উৎসবে সাধারণ প্রবাসীদের নিয়ে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ তো দূরের কথা, শুভেচ্ছা বিনিময়ের রেওয়াজও যেন বিলুপ্ত হতে চলেছে প্যারিস দূতাবাস থেকে। অন্যান্য দেশের দূতাবাস যেখানে তাদের নাগরিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে, ঈদ জামায়াতের আয়োজন করে বা অন্তত উপস্থিতি নিশ্চিত করে, সেখানে ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের
কোনো তৎপরতা দেখা যায় না। এ নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্যারিসে বসবাসরত একাধিক প্রবাসী আক্ষেপ করে বলেন, ‘প্রবাসে ঈদ মানেই নিঃসঙ্গতা। অন্য দেশের দূতাবাসগুলো অন্তত তাদের নাগরিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে, ছোটখাটো আয়োজন করে। কিন্তু আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিজেদের রাজনৈতিক ব্যস্ততার বাইরে সাধারণ প্রবাসীদের জন্য সময়ই দেন না।’ সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানও একই মত পোষণ করে বলেন, ‘আমাদের মতো প্রবাসীদের জন্য ঈদ মানেই শূন্যতা। দূতাবাস যদি একটু পাশে থেকে ঈদের দিনে কিছু আয়োজন করত, তাহলে আমাদের আনন্দ আরও বেড়ে যেত।’ তবে ফ্রান্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নিজেদের উদ্যোগে ঈদ উপলক্ষে মিলনমেলা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের
আয়োজন করে থাকে। তারা মনে করেন, দূতাবাস চাইলে এসব আয়োজনে যুক্ত হয়ে প্রবাসীদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারত। এ বিষয়ে জানতে দূতালয় প্রধান এমএ তালহার সঙ্গে ক্ষুদে বার্তায় যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।
কোনো তৎপরতা দেখা যায় না। এ নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্যারিসে বসবাসরত একাধিক প্রবাসী আক্ষেপ করে বলেন, ‘প্রবাসে ঈদ মানেই নিঃসঙ্গতা। অন্য দেশের দূতাবাসগুলো অন্তত তাদের নাগরিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে, ছোটখাটো আয়োজন করে। কিন্তু আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিজেদের রাজনৈতিক ব্যস্ততার বাইরে সাধারণ প্রবাসীদের জন্য সময়ই দেন না।’ সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানও একই মত পোষণ করে বলেন, ‘আমাদের মতো প্রবাসীদের জন্য ঈদ মানেই শূন্যতা। দূতাবাস যদি একটু পাশে থেকে ঈদের দিনে কিছু আয়োজন করত, তাহলে আমাদের আনন্দ আরও বেড়ে যেত।’ তবে ফ্রান্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নিজেদের উদ্যোগে ঈদ উপলক্ষে মিলনমেলা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের
আয়োজন করে থাকে। তারা মনে করেন, দূতাবাস চাইলে এসব আয়োজনে যুক্ত হয়ে প্রবাসীদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারত। এ বিষয়ে জানতে দূতালয় প্রধান এমএ তালহার সঙ্গে ক্ষুদে বার্তায় যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।