ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির, প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতারও
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নাঈনি নিহত
যুদ্ধবিরতি হলেই হরমুজে সহায়তা দেবে ৩ দেশ
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইতালির রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ
ইতালির বৃহত্তম শ্রমিক সংগঠন সিজিআইএল জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইতালিজুড়ে একদিনের সাধারণ ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন ২০ লাখেরও বেশি মানুষ। শুক্রবার একসঙ্গে ১০০টিরও বেশি শহরে বিক্ষোভ ও মিছিল হয়েছে।
ধর্মঘটকারীরা সড়ক অবরোধ করে, ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়, কিছু স্কুল বন্ধ থাকে এবং কারাগারের বন্দিরাও কাজ বন্ধ করে আন্দোলনে অংশ নেয়। উত্তরে তুরিন ও ট্রেন্তো থেকে শুরু করে দক্ষিণে বারি ও পালারমো পর্যন্ত সর্বত্রই মিছিল ও ফ্ল্যাশমব দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীরা মূলত ইসরায়েলের হাতে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা কর্মীদের আটক এবং প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির গাজা সংকটে ‘সতর্ক অবস্থান’ নেওয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অনেকেই মেলোনির সমালোচনা করে বলেন, তিনি গাজা যুদ্ধ নিয়ে যথেষ্ট জোরালো অবস্থান নেননি এবং
সম্প্রতি কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের মতো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেননি। সিজিআইএল প্রধান মরিজিও লানদিনি বলেন, “এই আন্দোলনে তরুণদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে শান্তির দাবির প্রতীক।” রোমে অন্তত ৮০ হাজার মানুষ সমবেত হন বলে পুলিশের হিসাবে জানা গেছে। তবে আয়োজকরা দাবি করেন, সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ। এছাড়া ফ্লোরেন্সে জাতীয় ফুটবল দলের প্রশিক্ষণকেন্দ্র ঘিরে বিক্ষোভ হয়। আন্দোলনকারীরা আসন্ন বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইতালি–ইসরায়েল ম্যাচ বাতিলের দাবি জানায়। ম্যাচটি ১৪ অক্টোবর উদিনেতে হওয়ার কথা থাকলেও, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইসরায়েলের অংশগ্রহণ স্থগিত করার বিষয়টি উয়েফা বিবেচনা করছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল
সম্প্রতি কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের মতো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেননি। সিজিআইএল প্রধান মরিজিও লানদিনি বলেন, “এই আন্দোলনে তরুণদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে শান্তির দাবির প্রতীক।” রোমে অন্তত ৮০ হাজার মানুষ সমবেত হন বলে পুলিশের হিসাবে জানা গেছে। তবে আয়োজকরা দাবি করেন, সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ। এছাড়া ফ্লোরেন্সে জাতীয় ফুটবল দলের প্রশিক্ষণকেন্দ্র ঘিরে বিক্ষোভ হয়। আন্দোলনকারীরা আসন্ন বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইতালি–ইসরায়েল ম্যাচ বাতিলের দাবি জানায়। ম্যাচটি ১৪ অক্টোবর উদিনেতে হওয়ার কথা থাকলেও, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইসরায়েলের অংশগ্রহণ স্থগিত করার বিষয়টি উয়েফা বিবেচনা করছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল



