ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংসতা বিশ্ব দরবারে লুকিয়ে রাখতেই সাংবাদিকদের হত্যা : শিফা পরিচালক
ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল জাজিরার পাঁচজন সাংবাদিক নিহত হওয়ার পর, শিফা হাসপাতালের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, ‘ইসরায়েল এবার গাজায় এক ভয়াবহ গণহত্যার প্রস্তুতি নিচ্ছে- কিন্তু এবার তা হবে চিত্র ও শব্দহীন।’
শনিবার (১০ আগস্ট) গাজা সিটির শিফা হাসপাতালের কাছাকাছি একটি সাংবাদিক ক্যাম্পে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন আল জাজিরার খ্যাতনামা সাংবাদিক আনাস আল-শরীফ, মোহাম্মদ কুরাইকে, এবং তিনজন চিত্রগ্রাহক ইব্রাহিম জাহের, মোআমেন আলিওয়া ও মোহাম্মদ নৌফাল।
ড. আবু সালমিয়া তুরস্কের আনাদোলু সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
‘দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটিতে একটি বড় ধরনের গণহত্যার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবার তা ঘটবে আনাস, মোহাম্মদ, আল জাজিরা বা অন্য কোনো মিডিয়ার উপস্থিতি ছাড়াই।’
আল জাজিরা
জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিকদের হত্যা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। তারা বলেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল গাজা দখলের সময় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে লুকিয়ে রাখা। ইসরায়েলি বাহিনী অবশ্য দাবি করেছে যে, নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে কেউ ‘হামাসের সাথে সম্পৃক্ত’ ছিল—তবে এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে আল জাজিরা ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংস্থাগুলো। গাজা দখলের পরিকল্পনা একইসাথে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গাজা সিটি সম্পূর্ণরূপে দখলের জন্য একটি সামরিক পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে দক্ষিণে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যেখানে তাদের জন্য তথাকথিত ‘মানবিক ক্যাম্প’ তৈরি করার কথা। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই ক্যাম্পগুলোকে ‘আধুনিক কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক
সাংবাদিক সংগঠনগুলো ইসরায়েলের এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (CPJ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই আক্রমণ স্পষ্টভাবে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’ মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, গাজার মানুষ যখন ইসরায়েলি দখল ও ঘন ঘন হামলার মুখে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে, তখন সাংবাদিকদের হত্যা করে বাস্তবতা গোপন রাখার চেষ্টা গোটা মানবজাতির বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিকদের হত্যা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। তারা বলেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল গাজা দখলের সময় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে লুকিয়ে রাখা। ইসরায়েলি বাহিনী অবশ্য দাবি করেছে যে, নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে কেউ ‘হামাসের সাথে সম্পৃক্ত’ ছিল—তবে এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে আল জাজিরা ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংস্থাগুলো। গাজা দখলের পরিকল্পনা একইসাথে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গাজা সিটি সম্পূর্ণরূপে দখলের জন্য একটি সামরিক পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে দক্ষিণে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যেখানে তাদের জন্য তথাকথিত ‘মানবিক ক্যাম্প’ তৈরি করার কথা। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই ক্যাম্পগুলোকে ‘আধুনিক কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক
সাংবাদিক সংগঠনগুলো ইসরায়েলের এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (CPJ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই আক্রমণ স্পষ্টভাবে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’ মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, গাজার মানুষ যখন ইসরায়েলি দখল ও ঘন ঘন হামলার মুখে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে, তখন সাংবাদিকদের হত্যা করে বাস্তবতা গোপন রাখার চেষ্টা গোটা মানবজাতির বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।



