ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬
তেহরানসহ একাধিক জায়গায় ফের জড়ো হচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা
আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
ইরানের এক শহরেই বিক্ষোভে ৮ সেনা নিহত
গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর অংশ হতে প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায় তুরস্ক
বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চাইছে : খামেনি
ইরানে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় এই লাইন কোনোভাবেই পেরোনো যাবে না।
রিয়ালের ব্যাপক দরপতন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং অসহনীয় জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে চলা বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই সময়ে এসেছে এই হুঁশিয়ারি। তবে রেড লাইন বলতে ঠিক কি বুঝিয়েছে আইআরজিসি, তা জানানো হয়নি।
একই সঙ্গে ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা জনসম্পদ ও কৌশলগত স্থাপনা রক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, গত দুই রাতে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য
করে হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন। আইআরজিসি জানায়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের অর্জন রক্ষা ও দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা একটি লাল রেখা। বর্তমান পরিস্থিতি চলতে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ এখনও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রেখেছে। পশ্চিম ইরানে টেলিফোনে যোগাযোগ করা এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, তার এলাকার আশপাশে আইআরজিসি মোতায়েন রয়েছে এবং তারা গুলি চালাচ্ছে। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের প্রতি নতুন করে সতর্কবার্তা দেন। শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে।’ ইরান সরকার
এই বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করছে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভে ডজনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। বিবিসি জানিয়েছে, ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৬২ জনে দাড়িয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিক্ষোভকারী ও ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আছেন।
করে হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন। আইআরজিসি জানায়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের অর্জন রক্ষা ও দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা একটি লাল রেখা। বর্তমান পরিস্থিতি চলতে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ এখনও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রেখেছে। পশ্চিম ইরানে টেলিফোনে যোগাযোগ করা এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, তার এলাকার আশপাশে আইআরজিসি মোতায়েন রয়েছে এবং তারা গুলি চালাচ্ছে। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের প্রতি নতুন করে সতর্কবার্তা দেন। শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে।’ ইরান সরকার
এই বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করছে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভে ডজনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। বিবিসি জানিয়েছে, ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৬২ জনে দাড়িয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিক্ষোভকারী ও ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আছেন।



