ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাইয়ের দাঙ্গা থেকে জামায়াততন্ত্র: একটি ক্যুয়ের ময়নাতদন্ত
যেভাবে ইউনুসের সংস্কারের ঠ্যালায় বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হতে গিয়ে সিসিমপুর হয়ে গেলো!
ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে এবার ঝরল জামায়াত নেতার প্রাণ
দোজখের ভয় দেখিয়ে ভোট আদায়ের খেলা: জামায়াত-বিএনপির নির্বাচনী ধর্মব্যবসা এখন প্রকাশ্যে
গতবছর সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ৫২২টি, দাবি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের
নারীমুক্তির মুখোশ পরা ইউনুসের আসল চেহারা
১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
ইতিহাসের অন্ধকার, ইউনুস সরকারের ধ্বংসযজ্ঞ
ইয়াহিয়া খান মাত্র নয় মাসে বাঙালি জাতির যে ক্ষতি করেছিল, ইউনুস সরকার সতেরো মাসে তার বহুগুণ বেশি ক্ষতি সাধন করেছে এ কথা আজ আর আবেগ বা অতিরঞ্জন নয়, বাস্তবতার নির্মম হিসাব। একজন প্রকাশ্য দখলদার যুদ্ধের ময়দানে ধ্বংস চালিয়েছিল অন্যজন, তথাকথিত ত্রাণকর্তা, শান্তি ও সংস্কারের মুখোশ পরে রাষ্ট্রব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।
ইয়াহিয়ার অপরাধ ছিল দৃশ্যমান ট্যাংক, বুলেট, গণহত্যা। ইউনুস সরকারের ক্ষতি ছিল নিঃশব্দ, ছদ্মবেশী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করা, অর্থনীতি অচল করা, সমাজে বিভাজন উসকে দেওয়া এবং ন্যায়বিচারকে প্রহসনে পরিণত করা। একদিকে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ, অন্যদিকে শান্তির নামে রাষ্ট্রের মারাত্মক ব্যর্থতা পদ্ধতি ভিন্ন হলেও পরিণতি অভিন্ন।
ইয়াহিয়া বন্দুকের জোরে শাসন চালিয়েছিল ইউনুস সরকার নীতির বুলি
ও আন্তর্জাতিক সহানুভূতির আড়ালে একই কাজ করেছে। প্রকাশ্য দখলদারের বিরুদ্ধে জনগণ সহজে প্রতিবাদ করতে পারে, কিন্তু ছদ্মবেশী শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা আরও জটিল। দুজনের মধ্যে মিল একটি রাষ্ট্রকে জনগণের চাহিদার চেয়ে নিজেদের স্বার্থে পরিচালনা করার দুঃসাহস। ফলাফল আজ স্পষ্ট। অর্থনীতি স্থবির, প্রশাসন বিভ্রান্ত, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গুর, সমাজ বিভক্ত। মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে। এই ক্ষতি পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না মূল্য দিতে হবে আগামী প্রজন্মকে। বাংলাদেশকে অন্তত একশ বছর পিছিয়ে দেওয়ার যে অপচেষ্টা চলছে, ইতিহাস তা একদিন নির্মম সত্য হিসেবেই চিহ্নিত করবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সবসময় যুদ্ধ লাগে না। কখনো কখনো শান্তির মুখোশই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। ইউনুস সরকারের শাসন সেই
সত্যকেই নতুন করে প্রমাণ করছে, এবং ইতিহাস একদিন এই ধ্বংসযজ্ঞের দলিল হিসেবে রেকর্ড রাখবে।
ও আন্তর্জাতিক সহানুভূতির আড়ালে একই কাজ করেছে। প্রকাশ্য দখলদারের বিরুদ্ধে জনগণ সহজে প্রতিবাদ করতে পারে, কিন্তু ছদ্মবেশী শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা আরও জটিল। দুজনের মধ্যে মিল একটি রাষ্ট্রকে জনগণের চাহিদার চেয়ে নিজেদের স্বার্থে পরিচালনা করার দুঃসাহস। ফলাফল আজ স্পষ্ট। অর্থনীতি স্থবির, প্রশাসন বিভ্রান্ত, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গুর, সমাজ বিভক্ত। মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে। এই ক্ষতি পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না মূল্য দিতে হবে আগামী প্রজন্মকে। বাংলাদেশকে অন্তত একশ বছর পিছিয়ে দেওয়ার যে অপচেষ্টা চলছে, ইতিহাস তা একদিন নির্মম সত্য হিসেবেই চিহ্নিত করবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সবসময় যুদ্ধ লাগে না। কখনো কখনো শান্তির মুখোশই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। ইউনুস সরকারের শাসন সেই
সত্যকেই নতুন করে প্রমাণ করছে, এবং ইতিহাস একদিন এই ধ্বংসযজ্ঞের দলিল হিসেবে রেকর্ড রাখবে।



