ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চুকনগর গণহত্যা ১৯৭১ঃ ৪ ঘন্টায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
ইউনূস সরকারের ঋণের পাহাড় চাপলো বিএনপি সরকারের কাঁধে: ১৪ মাসে ২.৬ লাখ কোটি টাকা বৃদ্ধি, উন্নয়ন ব্যয় ৭ বছরের সর্বনিম্ন
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসের শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুসারে, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট দেশি-বিদেশি ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা। এই সময়ে ঋণ বৃদ্ধি হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা—যা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একটি অভূতপূর্ব বোঝা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পূর্ববর্তী সরকারের পতনের আগে (২০২৪ সালের ৩০ জুন) মোট ঋণ ছিল প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ৮.১২ লাখ কোটি থেকে বেড়ে ৯.৫১ লাখ কোটি
টাকায় এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়ে ১১.৯৭ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রাজস্ব আহরণের ধীরগতি, ঋণ পরিশোধের চাপ এবং চলতি ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। একই সময়ে উন্নয়ন খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন গত অর্থবছরে নেমে এসেছে মাত্র ১.৫৩ লাখ কোটি টাকায়—যা বিগত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি ২০২৫-২৬) এডিপি বাস্তবায়নের হার মাত্র ২১.১৮ শতাংশ, যা গত ৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তুলনামূলকভাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এডিপি ব্যয় ছিল ১.৬৭ লাখ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২.০৫ লাখ কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কমিটি, বিদেশ সফর এবং অপ্রয়োজনীয় খাতে
লাগামহীন ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। বছরে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। বাজার থেকে ডলার কেনা হয়েছে, প্রতি মাসে গড় রেমিট্যান্স এসেছে রেকর্ড ২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি—তারপরও রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৮ বিলিয়ন ডলারের মতো। সমালোচকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা বিএনপি সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এই ঋণের পাহাড়, উন্নয়ন ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক সূচকের অবনতি নির্বাচিত সরকারের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় নতুন নির্বাচিত সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ, দুর্বল রাজস্ব আহরণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতির সঙ্গে লড়াই করতে হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ঋণের বোঝা দীর্ঘমেয়াদে দেশকে ‘ঋণের ফাঁদে’ ফেলতে পারে। সুদ
পরিশোধের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজেটের বড় অংশ ঋণ সেবায় চলে যাচ্ছে, যা উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিনিয়োগ কমিয়ে দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রিজার্ভ বৃদ্ধি রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল ছিল, কিন্তু টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কারের অভাবে এই অর্জন ভঙ্গুর বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন সরকারের জন্য এই পরিস্থিতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজস্ব বাড়ানো, ঋণ নির্ভরতা কমানো এবং উন্নয়ন প্রকল্প ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে। অন্যথায়, অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও গভীর হতে পারে।
টাকায় এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়ে ১১.৯৭ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রাজস্ব আহরণের ধীরগতি, ঋণ পরিশোধের চাপ এবং চলতি ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। একই সময়ে উন্নয়ন খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন গত অর্থবছরে নেমে এসেছে মাত্র ১.৫৩ লাখ কোটি টাকায়—যা বিগত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি ২০২৫-২৬) এডিপি বাস্তবায়নের হার মাত্র ২১.১৮ শতাংশ, যা গত ৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তুলনামূলকভাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এডিপি ব্যয় ছিল ১.৬৭ লাখ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২.০৫ লাখ কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কমিটি, বিদেশ সফর এবং অপ্রয়োজনীয় খাতে
লাগামহীন ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। বছরে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। বাজার থেকে ডলার কেনা হয়েছে, প্রতি মাসে গড় রেমিট্যান্স এসেছে রেকর্ড ২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি—তারপরও রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৮ বিলিয়ন ডলারের মতো। সমালোচকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা বিএনপি সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এই ঋণের পাহাড়, উন্নয়ন ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক সূচকের অবনতি নির্বাচিত সরকারের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় নতুন নির্বাচিত সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ, দুর্বল রাজস্ব আহরণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতির সঙ্গে লড়াই করতে হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ঋণের বোঝা দীর্ঘমেয়াদে দেশকে ‘ঋণের ফাঁদে’ ফেলতে পারে। সুদ
পরিশোধের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজেটের বড় অংশ ঋণ সেবায় চলে যাচ্ছে, যা উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিনিয়োগ কমিয়ে দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রিজার্ভ বৃদ্ধি রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল ছিল, কিন্তু টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কারের অভাবে এই অর্জন ভঙ্গুর বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন সরকারের জন্য এই পরিস্থিতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজস্ব বাড়ানো, ঋণ নির্ভরতা কমানো এবং উন্নয়ন প্রকল্প ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে। অন্যথায়, অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও গভীর হতে পারে।



