ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ
নৌকা বিহীন ব্যালট প্রবাসীর পায়ে হলো পদদলিত, এভাবেই মানুষ ভোট বর্জন করে অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে
রাজবন্দী বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ‘জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে লেখা চিঠির শেষ দুই লাইন
‘দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বৈধতার দাবি করা যায় না। এটি সংস্কার নয়, এটি রূপান্তরের নামে কর্তৃত্ববাদ।’
এই নিষ্ঠুরতা ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ হয়ে রইল কারাগারে বন্দী সাদ্দাম: স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখা হলো না শেষবারের মতোও, মেলেনি প্যারোল
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
ইউনূসকে চ্যালেঞ্জ দিলেন শেখ হাসিনা
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের দেশে বিদেশে কোথায় সম্পদ, টাকা আছে তা খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। খুঁজে না পেলে ইউনূসকে তিনি ছাড়বেন না বলেও মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার জার্মানির কোলোন শহরে জার্মান আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, 'চার মাস হয়ে গেছে। আমরা নাকি শত শত কোটি টাকা বানিয়ে ফেলেছি। আমি, আমার ছেলে, আমার বোন, বোনের ছেলে নাকি শত শত কোটি টাকা বানিয়েছি। মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা নাকি বানালাম। আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, কোথায় টাকা নিশ্চয় তারা খুঁজে বের করতে পারবে। ইউনূসের
তো বিশ্বব্যাপী অনেক জায়গায় তার শক্তি, আর বিদেশে তার অনেক সম্পদ, সে খুঁজে বের করুক, একটা জায়গায় দেখাক যে আমরা এই টাকা বানিয়েছি, এইটা করেছি, দেখাক। এইটা যদি না দেখায়- ছাড়ব না।' আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, 'আমরা তো পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছি। সেই পরাজিত শক্তির গুনগান গাইতে হবে, তাদের সঙ্গে ঘনঘন দেখা, তাদের সঙ্গে যত বন্ধুত্ব। অর্থাৎ পরাজিত শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করা। এটা তো বাঙালির চরিত্রে নেই। বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই।' আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে ইউনূস সরকারের আমলে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, 'আমাদের বিরুদ্ধে যতই মামলা এর সবগুলো ভূয়া। অপরাধ যে তারা করেছে তার প্রমাণ হলো-
জুলাইয়ের কর্মকাণ্ডের দায়মুক্তি দেওয়া। এর অর্থ হলো- অপরাধ যে তারা করেছে তা স্বীকার করে নেওয়া। যারাই অপরাধ করে থাকুক তাদেরকে দায়মুক্তি দিয়ে বিচারের হাত থেকে মুক্ত করে দিয়েছে। আর নিরীহ মানুষদের উপরে অত্যাচার চালাচ্ছে। এরকম অত্যাচার বেশিদিন চলতে পারে না। সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী তাদেরকে হয়রানি করা বন্ধ করতে হবে। আমার নেতাকর্মী যারা কারাগারে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।' ইউনূস সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, হামলা, মামলা, ওদিকে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি করে যাচ্ছে। গ্রামীণ ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে, গ্রামীণ ফোনের টাকা পাচার করেছে। সাধারণ মানুষের একদিকে রক্ত চুষে খেয়েছে, এখন জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে মানুষের
জীবনটাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শেখ হাসিনা বলেন, ছেলেমেয়েরা ছাত্রলীগ করলে পরীক্ষা দিতে পারবে না। এটা কী ধরনের অরাজকতা? কী ধরনের কথা? ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগের জন্ম। এদেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বুকের রক্ত দিয়েছে। আর সেই ছাত্রলীগের উপরে এরা আক্রমণ করেছে, জামাত বিএনপির সন্ত্রাসীরা। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করেছে। কে তাদের এই অধিকার দিয়েছে? ইউনূস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী। সে কি জনতার ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে? তার কি অধিকার আছে?? দুপুর একটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলা এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বকুল ভূঁইয়া, সংগঠক বাঁধন মুন্সী, আহমেদ রাজু প্রমুখ।
তো বিশ্বব্যাপী অনেক জায়গায় তার শক্তি, আর বিদেশে তার অনেক সম্পদ, সে খুঁজে বের করুক, একটা জায়গায় দেখাক যে আমরা এই টাকা বানিয়েছি, এইটা করেছি, দেখাক। এইটা যদি না দেখায়- ছাড়ব না।' আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, 'আমরা তো পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছি। সেই পরাজিত শক্তির গুনগান গাইতে হবে, তাদের সঙ্গে ঘনঘন দেখা, তাদের সঙ্গে যত বন্ধুত্ব। অর্থাৎ পরাজিত শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করা। এটা তো বাঙালির চরিত্রে নেই। বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই।' আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে ইউনূস সরকারের আমলে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, 'আমাদের বিরুদ্ধে যতই মামলা এর সবগুলো ভূয়া। অপরাধ যে তারা করেছে তার প্রমাণ হলো-
জুলাইয়ের কর্মকাণ্ডের দায়মুক্তি দেওয়া। এর অর্থ হলো- অপরাধ যে তারা করেছে তা স্বীকার করে নেওয়া। যারাই অপরাধ করে থাকুক তাদেরকে দায়মুক্তি দিয়ে বিচারের হাত থেকে মুক্ত করে দিয়েছে। আর নিরীহ মানুষদের উপরে অত্যাচার চালাচ্ছে। এরকম অত্যাচার বেশিদিন চলতে পারে না। সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী তাদেরকে হয়রানি করা বন্ধ করতে হবে। আমার নেতাকর্মী যারা কারাগারে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।' ইউনূস সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, হামলা, মামলা, ওদিকে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি করে যাচ্ছে। গ্রামীণ ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে, গ্রামীণ ফোনের টাকা পাচার করেছে। সাধারণ মানুষের একদিকে রক্ত চুষে খেয়েছে, এখন জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে মানুষের
জীবনটাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শেখ হাসিনা বলেন, ছেলেমেয়েরা ছাত্রলীগ করলে পরীক্ষা দিতে পারবে না। এটা কী ধরনের অরাজকতা? কী ধরনের কথা? ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগের জন্ম। এদেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বুকের রক্ত দিয়েছে। আর সেই ছাত্রলীগের উপরে এরা আক্রমণ করেছে, জামাত বিএনপির সন্ত্রাসীরা। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করেছে। কে তাদের এই অধিকার দিয়েছে? ইউনূস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী। সে কি জনতার ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে? তার কি অধিকার আছে?? দুপুর একটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলা এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বকুল ভূঁইয়া, সংগঠক বাঁধন মুন্সী, আহমেদ রাজু প্রমুখ।



