ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
ইউনুসের পুলিশের হাতে খুন হলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নতুন বাংলাদেশের অসহায় বাস্তবতা
রবিবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকার এক হাসপাতালে মারা গিয়েছেন দশম গ্রেড বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা। নিহত এই শিক্ষিকার নাম ফাতেমা আক্তার। তিনি চাঁদপুরের উত্তর মতলবের ৫ নম্বর ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে চলা আন্দোলনে শাহবাগে কলম বিরতির দিন অংশ নিয়েছিলেন তিনি। গত ৮ নভেম্বর শাহবাগে অ্যানলনরত শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে অবৈধ ইউনুসের পুলিশ বাহিনী। শব্দে ফাতেমা আক্তার আতঙ্কগ্রস্ত হন। হাসপাতালে নেওয়া হলে এক পর্যায়ে কথা বলাই বন্ধ হয়ে যায়। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। আইসিউতে এক সপ্তাহ চিকিৎসা নেওয়ার পর রবিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি
মারা যান। জঙ্গি আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা ইউনুস নিজের নামের শুরুতে অধ্যাপক ব্যবহার করেন, ব্যক্তিজীবনে শিক্ষকতা করেছেন, ডলারের বিনিময়ে তার কাছ থেকে রক্তচোষা ব্যবসার সবক নেন অনেকেই। কিন্তু তার কাছে শিক্ষকদের জীবনের কোন দাম নেই, যদি থাকতো তাহলে শান্তিপূর্নভাবে শিক্ষকদের দাবি নিয়ে আলোচনা করে সমাধানে পৌছাতেন। মানুষ গড়ার কারিগরদের ওপর জলকামান, লাঠিচার্জ, সাউন্ডগ্রেনেডের ব্যবহার করতেন না। শিক্ষকদের এই আন্দোলন ছিল শান্তিপুর্ন। তারা কোথায় ভাংচুর করেননি, রাস্তা আটকে রাখেন নি, কোন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় আগুন দেননি। পুলিশ তাদের ওপর বারবার বলপ্রয়োগ করলেও তারা অহিংসভাবে প্রতিবাদ করেছেন। অথচ ইউনুসের পুলিশ তাদের ওপর জলকামান ছুড়েছিল। সেই হামলায় বাচ্চাসহ এক শিক্ষিকা আহত হয়েছিলেন। লাঠিপেটায় আহত হয়েছিলেন
৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক। শিক্ষকদের ওপর এই সরকারের কেন এত ক্ষোভ? ইউনুস গং কি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে চায়? নতুন ধরনের মওদুদী বা তালেবানি শিক্ষা প্রবর্তন করতে চায়? অবৈধ সরকারের এসব পরিকল্পনা দেশের মানুষ বাস্তবায়ন হতে দেবে না।
মারা যান। জঙ্গি আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা ইউনুস নিজের নামের শুরুতে অধ্যাপক ব্যবহার করেন, ব্যক্তিজীবনে শিক্ষকতা করেছেন, ডলারের বিনিময়ে তার কাছ থেকে রক্তচোষা ব্যবসার সবক নেন অনেকেই। কিন্তু তার কাছে শিক্ষকদের জীবনের কোন দাম নেই, যদি থাকতো তাহলে শান্তিপূর্নভাবে শিক্ষকদের দাবি নিয়ে আলোচনা করে সমাধানে পৌছাতেন। মানুষ গড়ার কারিগরদের ওপর জলকামান, লাঠিচার্জ, সাউন্ডগ্রেনেডের ব্যবহার করতেন না। শিক্ষকদের এই আন্দোলন ছিল শান্তিপুর্ন। তারা কোথায় ভাংচুর করেননি, রাস্তা আটকে রাখেন নি, কোন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় আগুন দেননি। পুলিশ তাদের ওপর বারবার বলপ্রয়োগ করলেও তারা অহিংসভাবে প্রতিবাদ করেছেন। অথচ ইউনুসের পুলিশ তাদের ওপর জলকামান ছুড়েছিল। সেই হামলায় বাচ্চাসহ এক শিক্ষিকা আহত হয়েছিলেন। লাঠিপেটায় আহত হয়েছিলেন
৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক। শিক্ষকদের ওপর এই সরকারের কেন এত ক্ষোভ? ইউনুস গং কি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে চায়? নতুন ধরনের মওদুদী বা তালেবানি শিক্ষা প্রবর্তন করতে চায়? অবৈধ সরকারের এসব পরিকল্পনা দেশের মানুষ বাস্তবায়ন হতে দেবে না।



