ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া
ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত
চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার
আবারও কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
চীনে বসন্ত উৎসবের ৯ দিনের আয় ৫৭৫ কোটি ইউয়ান
ইউএস ক্রেতাদের চাপে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আংশিকভাবে শুল্কের খরচ নিজেরাই বহন করছেন
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের কঠোর চাপের কারণে বাংলাদেশি রপ্তানিকর্মীরা আমদানি শুল্কের খরচের একটি অংশ নিজেরাই বহন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, যা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক আরোপিত উচ্চ শুল্কের প্রভাবে আমেরিকান ক্রেতারা দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করছেন। ফলে, বাংলাদেশি সাপ্লায়াররা অর্ডার ধরে রাখার জন্য শুল্কের ২০-৩০ শতাংশ খরচ নিজের পকেট থেকে দিতে সম্মত হচ্ছেন।
এই চাপ বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে পড়ছে, যা বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, চালু বছরের প্রথম নয় মাসে
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১০ শতাংশ কমেছে, যা শুল্কের সরাসরি প্রভাব। একজন রপ্তানিকারক বলেন, “ক্রেতারা বলছেন, ‘শুল্ক তোমাদের সমস্যা, আমরা দাম বাড়াতে পারব না।’ এতে আমাদের মার্জিন কমে যাচ্ছে।” অর্থনীতিবিদরা মত প্রকাশ করেছেন যে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতামূলকতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তারা সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা জোরদার করার জন্য। এছাড়া, বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে অন্যান্য বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিল্প নেতারা আশাবাদী হলেও সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বিজিএমইএ-র চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা খরচ কমানোর উপায় খুঁজছি, কিন্তু ক্রেতাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া এটি চলবে না।” এই খবর বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১০ শতাংশ কমেছে, যা শুল্কের সরাসরি প্রভাব। একজন রপ্তানিকারক বলেন, “ক্রেতারা বলছেন, ‘শুল্ক তোমাদের সমস্যা, আমরা দাম বাড়াতে পারব না।’ এতে আমাদের মার্জিন কমে যাচ্ছে।” অর্থনীতিবিদরা মত প্রকাশ করেছেন যে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতামূলকতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তারা সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা জোরদার করার জন্য। এছাড়া, বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে অন্যান্য বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিল্প নেতারা আশাবাদী হলেও সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বিজিএমইএ-র চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা খরচ কমানোর উপায় খুঁজছি, কিন্তু ক্রেতাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া এটি চলবে না।” এই খবর বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।



