ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ
মাদ্রিদে পৌঁছাল বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন
জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ—বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছেন কারা
ফাতিমার কাছে না ছিল পাসপোর্ট-ভিসার ঠিকঠাক ব্যবস্থা, না ছিল হাতে টাকা
ফাইনাল শোচনীয় হারের পর নিজ দেশি পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টাইনরা
ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট পেলেন এমবাপে
আর্জেন্টিনাকে হেসেখেলে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন
ফেরান তোরেসের অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শিরোপা জিতেছে স্পেন। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ জুড়ে একক আধিপত্য বিস্তার করেই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বসেরার মুকুট মাথায় তুলল ‘লা রোহা’রা।
গত রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ৮০,৬৬৩ জন দর্শকের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এই মেগা ফাইনাল। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের ফুটবলারদের চেনা ছন্দ আর নিখুঁত পাসিংয়ের সামনে অসহায় দেখিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। পুরো ১২০ মিনিটের খেলায় স্পেনের গোলপোস্ট বরাবর একটি শটও নিতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা, যা স্প্যানিশ ডিফেন্স ও মিডফিল্ডের একচেটিয়া আধিপত্যেরই প্রমাণ দেয়।
ফাউলের মহড়া ও প্রথমার্ধ
খেলার শুরু থেকেই স্পেনের গতি থামাতে আর্জেন্টিনা একের পর এক ফাউলের পথ বেছে নেয়। ১৫
মিনিটে দানি ওলমোকে মারাত্মক ফাউল করে পার পেয়ে যান আলেক্সিস মাক আলিস্তার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেস হলুদ কার্ড দেখেন এবং পরে চোটের কারণে মাঠ ছাড়লে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দি মাঠে নামেন। স্পেনের পক্ষে মিকেল ওয়ারজাবালের একটি শট আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস সহজেই ধরে ফেললে প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়। স্পেনের একক আধিপত্য ও এঞ্জোর লাল কার্ড মাদোনা, শাকিরা এবং জাস্টিন বিবারের উপস্থিতিতে প্রায় ২৭ মিনিটের দীর্ঘ বিরতিও স্পেনের খেলার ছন্দ নষ্ট করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে মাঠে নামালে আক্রমণের ধার আরও বাড়ে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি এবং কুবার্সির শটগুলো আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্তিনেস কোনোমতে প্রতিহত করেন। ম্যাচের ইনজুরি টাইমে
স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে মারাত্মক ফাউল করায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এঞ্জো ফের্নান্দেসকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ে তোরেসের জয়সূচক গোল ১০ জনের দল নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল রেফারি ফাউলের কারণে বাতিল করলেও স্পেনের জয় উদযাপনের সময় আর বেশি দূরে ছিল না। “বিশ্বকাপের এই জয় পুরো স্পেনের মানুষের।” — ফেরান তোরেস (ম্যাচ জয়ী গোলদাতা) অবশেষে ম্যাচের ১০৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। পেদ্রো পোরোর একটি চমৎকার ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামস বল বাড়িয়ে দেন ফেরান তোরেসের দিকে। বার্সেলোনা স্ট্রাইকার তোরেস জোরালো শটে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপিয়ে স্পেনকে
উল্লাসে ভাসান। এই এক গোলের লিড ধরে রেখেই ২০১০ সালের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত করে স্পেন।
মিনিটে দানি ওলমোকে মারাত্মক ফাউল করে পার পেয়ে যান আলেক্সিস মাক আলিস্তার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেস হলুদ কার্ড দেখেন এবং পরে চোটের কারণে মাঠ ছাড়লে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দি মাঠে নামেন। স্পেনের পক্ষে মিকেল ওয়ারজাবালের একটি শট আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস সহজেই ধরে ফেললে প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়। স্পেনের একক আধিপত্য ও এঞ্জোর লাল কার্ড মাদোনা, শাকিরা এবং জাস্টিন বিবারের উপস্থিতিতে প্রায় ২৭ মিনিটের দীর্ঘ বিরতিও স্পেনের খেলার ছন্দ নষ্ট করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে মাঠে নামালে আক্রমণের ধার আরও বাড়ে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি এবং কুবার্সির শটগুলো আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্তিনেস কোনোমতে প্রতিহত করেন। ম্যাচের ইনজুরি টাইমে
স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে মারাত্মক ফাউল করায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এঞ্জো ফের্নান্দেসকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ে তোরেসের জয়সূচক গোল ১০ জনের দল নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল রেফারি ফাউলের কারণে বাতিল করলেও স্পেনের জয় উদযাপনের সময় আর বেশি দূরে ছিল না। “বিশ্বকাপের এই জয় পুরো স্পেনের মানুষের।” — ফেরান তোরেস (ম্যাচ জয়ী গোলদাতা) অবশেষে ম্যাচের ১০৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। পেদ্রো পোরোর একটি চমৎকার ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামস বল বাড়িয়ে দেন ফেরান তোরেসের দিকে। বার্সেলোনা স্ট্রাইকার তোরেস জোরালো শটে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপিয়ে স্পেনকে
উল্লাসে ভাসান। এই এক গোলের লিড ধরে রেখেই ২০১০ সালের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত করে স্পেন।



