আরেকটি ‘নাকবা’: গাজা পুনর্গঠনে লেগে যাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
     ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ

আরেকটি ‘নাকবা’: গাজা পুনর্গঠনে লেগে যাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ | ৯:০৩ 61 ভিউ
ধ্বংসস্তূপে পরিণত উত্তর গাজায় ফিরে আসা ফিলিস্তিনিরা ভয়াবহ মানসিক আঘাতের মুখে পড়ছেন। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা দেখতে পাচ্ছেন তাদের ঘরবাড়ি ও চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নিধনের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত জাতিসংঘের আবাসনের অধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক বলেছেন, “এটা আরেকটি নাকবার মতো। গত দুই বছরে যা ঘটেছে, সেটিও এক অর্থে একই ধরনের একটি বিপর্যয়। ” ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজা উপত্যকায় তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র (ক্যারাভান) পাঠানোর অনুমতি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদক। শনিবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের আবাসনের অধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক বালাকৃষ্ণন রাজাগোপাল বলেন, “মানুষ যখন উত্তর গাজায় ফিরে যাচ্ছে, তারা শুধু ধ্বংসাবশেষই পাচ্ছে। এই

পরিস্থিতিতে যে মানসিক আঘাত ও ট্রমা তৈরি হচ্ছে, তা গভীর ও ভয়াবহ— সেটিই এখন আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ” দুই বছরের যুদ্ধ থামাতে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটার পর দশ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় ফিরতে শুরু করেছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন বোমাবর্ষণে ৬৭,৭০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং গোটা গাজা এক মারাত্মক মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার মোট আবাসিক ভবনের ৯২ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জাতিসংঘের হিসাব। লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এখন তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বালাকৃষ্ণন রাজাগোপাল বলেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে

যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় তাঁবু ও ক্যারাভান পাঠানোর কথা ছিল, কিন্তু ইসরায়েলের কঠোর অবরোধের কারণে প্রায় কিছুই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “এটাই এখন মূল সমস্যা। ইসরায়েল সব প্রবেশপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ না সরালে গাজার মানুষের কাছে তাৎক্ষণিক ত্রাণ বা সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব নয়। এটা এখন অত্যন্ত জরুরি। ” গাজা উপত্যকায় ঘরবাড়ির ধ্বংসযজ্ঞকে ‘ডোমিসাইড’ (বাড়িঘর নিধন) বলে বর্ণনা করে রাজাগোপাল বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের গণহত্যার কেন্দ্রে রয়েছে এই আবাসন ধ্বংসের নীতি। তার ভাষায়, “ঘরবাড়ি ধ্বংস করা, মানুষকে এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা এবং এলাকাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলাই গণহত্যার প্রধান উপায়গুলোর একটি। ” বালাকৃষ্ণন রাজাগোপাল আরও বলেন, “গাজা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম সময় নেবে। ” ১৯৪৮

সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নিধনের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে রাজাগোপাল বলেন, “এটা আরেকটি নাকবার মতো। গত দুই বছরে যা ঘটেছে, সেটিও এক অর্থে একই ধরনের একটি বিপর্যয়। ” সূত্র: আল জাজিরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আন্দোলনে ক্ষতি ছাড়িয়ে গেছে হাজার কোটি টাকা মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আর নেই মাঘের শেষে তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে? জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের দাবি ১৩৫ সাংবাদিকের সাভার-আশুলিয়ার সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধকে জেলে পচিয়ে মারাই যদি শাসনের নমুনা হয় গ্রামীণের সুযোগ-সুবিধা ঘিরে প্রশ্ন Losing His Wife. Losing His Newborn. Losing Justice. দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা। জামায়াতের ইতিহাস বিকৃতি, নিজের ফাঁদে বিএনপি হাসিনা সরকারের মতো সরকার আর আসবে না’—ভিডিওতে নাগরিকের আক্ষেপ বিশেষজ্ঞ বাদ দিয়ে, জনমত উপেক্ষা করে গণমাধ্যমে শিকল পরানোর ষড়যন্ত্র স্মরণকালের ভয়াবহতম রক্তাক্ত নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ ইউনূসের দুঃশাসন: দেড় বছরে ‘মব’ হামলায় নিহত ২৫৯