ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র
এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা
ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ঢাকায় গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের কোটিপতি, বাসদের প্রার্থী করেন টিউশনি
রাউজানে মুখোশধারীর গুলিতে যুবদল নেতা নিহত
আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে হেফাজতে থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ূন কবির (৫৫) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনা অন্তর্বর্তী সরকার আমলে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের রহস্যজনক ও অসুস্থতাজনিত মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় নতুন একটি নাম যোগ করেছে।
হুমায়ূন কবির নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির সাবেক সভাপতি এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ছিলেন।
কারা সূত্র ও পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশ তাকে কোনো মামলা ছাড়াই আটক করে। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর
থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বুকে ব্যথা অনুভব করেন। প্রথমে তাকে নারায়ণগঞ্জ ১৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার ফোরকান ওয়াহিদ জানান, বুকে ব্যথা অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, অসুস্থতার খবর সময়মতো জানানো হয়নি এবং যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি। এই মৃত্যুকে অনেকে পূর্ববর্তী ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে (আগস্ট ২০২৪ থেকে বর্তমান পর্যন্ত) কারাগারে আওয়ামী
লীগ নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনা: পাবনায় প্রলয় চাকী (৬০): ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় মৃত্যু। নওগাঁয় আব্দুর রশিদ (৫৫): ৩ জানুয়ারি ২০২৬ কারাগারে হার্ট অ্যাটাক। গাইবান্ধায় তারিক রিফাত (৫০): নভেম্বর ২০২৫ কারাগারে পাঠানোর পরপরই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু। গাজীপুরে ওয়াসিকুর রহমান বাবু (৪৩): ডিসেম্বর ২০২৫ রিমান্ডে নেওয়ার সময় কারাগার গেটে হৃদরোগে মৃত্যু। বগুড়া জেলায় এক মাসে ৪ জন: ডিসেম্বর ২০২৪-এ অসুস্থ হয়ে মৃত্যু। আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৭ মাসে কারাগারে অন্তত পঞ্চাশ জনের বেশী আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে—যাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে “হঠাৎ অসুস্থতা”, “হার্ট অ্যাটাক” বা “চিকিৎসায় অবহেলা”
উল্লেখ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এসব ঘটনাকে “পরিকল্পিত নির্যাতন, চিকিৎসা অস্বীকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড” হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। দলটির নেতারা দাবি করছেন, মামলা ছাড়া আটক, অমানবিক পরিবেশ ও ইচ্ছাকৃত চিকিৎসা বঞ্চনা—এসবের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে। জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—কারাগার কি সংশোধন ও নিরাপত্তার স্থান, নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূলের কেন্দ্র? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বুকে ব্যথা অনুভব করেন। প্রথমে তাকে নারায়ণগঞ্জ ১৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার ফোরকান ওয়াহিদ জানান, বুকে ব্যথা অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, অসুস্থতার খবর সময়মতো জানানো হয়নি এবং যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি। এই মৃত্যুকে অনেকে পূর্ববর্তী ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে (আগস্ট ২০২৪ থেকে বর্তমান পর্যন্ত) কারাগারে আওয়ামী
লীগ নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনা: পাবনায় প্রলয় চাকী (৬০): ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় মৃত্যু। নওগাঁয় আব্দুর রশিদ (৫৫): ৩ জানুয়ারি ২০২৬ কারাগারে হার্ট অ্যাটাক। গাইবান্ধায় তারিক রিফাত (৫০): নভেম্বর ২০২৫ কারাগারে পাঠানোর পরপরই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু। গাজীপুরে ওয়াসিকুর রহমান বাবু (৪৩): ডিসেম্বর ২০২৫ রিমান্ডে নেওয়ার সময় কারাগার গেটে হৃদরোগে মৃত্যু। বগুড়া জেলায় এক মাসে ৪ জন: ডিসেম্বর ২০২৪-এ অসুস্থ হয়ে মৃত্যু। আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৭ মাসে কারাগারে অন্তত পঞ্চাশ জনের বেশী আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে—যাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে “হঠাৎ অসুস্থতা”, “হার্ট অ্যাটাক” বা “চিকিৎসায় অবহেলা”
উল্লেখ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এসব ঘটনাকে “পরিকল্পিত নির্যাতন, চিকিৎসা অস্বীকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড” হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। দলটির নেতারা দাবি করছেন, মামলা ছাড়া আটক, অমানবিক পরিবেশ ও ইচ্ছাকৃত চিকিৎসা বঞ্চনা—এসবের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে। জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—কারাগার কি সংশোধন ও নিরাপত্তার স্থান, নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূলের কেন্দ্র? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।



