ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি
হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি
মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা
চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ
মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান
ভাষার জন্য জীবন দেয়ার গৌরবময় ইতিহাস বিশ্বদরবারে উপস্থাপিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি
প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার পরিচালনার সময়ই ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর স্বীকৃতি দেয়। এখানেই শেষ নয়, দ্বিতীয় দফা সরকার গঠনের পর ২০১০ সালে জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে জাতিসংঘে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।
দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রভাগ হলেও মাতৃভাষার প্রশ্নে বাঙালি বরাবরই ছিল আপোষহীন। ফলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙালী। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। সে আন্দোলনে বাঙালীর আত্মত্যাগের সবচে গুরুত্বপূর্ণ দিন
ছিল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি। ভাষা সৈনিকদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। বাঙালীর মুক্তিসংগ্রামে রচিত হয় নতুন অধ্যায়। সেই থেকে দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। এরপর ১৯৯৮ সাল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তখন শেখ হাসিনা। কানাডা প্রবাসী দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ‘মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দ্য সোসাইটি’র পক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন সাত জাতি ও সাত ভাষার ১০ জন সদস্য। তবে মহাসচিবের দপ্তর জানায় এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে হবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা-ইউনেস্কোর সাথে। ১৯৯৯ সালের ৩রা মার্চ ইউনেস্কো জানায়, প্রস্তাবটি
পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের সভায় তুলতে হবে। রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন দ্রুত প্রস্তাবটি পাঠিয়ে দেন প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়েই ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তখনকার শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পক্ষে জনমতও গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে
যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর বিকাশমান এবং বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর মর্যাদা রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আবারও ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ভবনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। ঐ বছরই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি, ২১শে অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ যা সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়।
ছিল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি। ভাষা সৈনিকদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। বাঙালীর মুক্তিসংগ্রামে রচিত হয় নতুন অধ্যায়। সেই থেকে দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। এরপর ১৯৯৮ সাল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তখন শেখ হাসিনা। কানাডা প্রবাসী দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ‘মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দ্য সোসাইটি’র পক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন সাত জাতি ও সাত ভাষার ১০ জন সদস্য। তবে মহাসচিবের দপ্তর জানায় এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে হবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা-ইউনেস্কোর সাথে। ১৯৯৯ সালের ৩রা মার্চ ইউনেস্কো জানায়, প্রস্তাবটি
পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের সভায় তুলতে হবে। রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন দ্রুত প্রস্তাবটি পাঠিয়ে দেন প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়েই ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তখনকার শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পক্ষে জনমতও গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে
যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর বিকাশমান এবং বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর মর্যাদা রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আবারও ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ভবনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। ঐ বছরই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি, ২১শে অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ যা সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়।



