ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
আন্তর্জাতিক নজরে বাংলাদেশ: একতরফা নির্বাচন, সংখ্যালঘু নিপীড়ন ও বৈধতার পতন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর কেবল অভ্যন্তরীণ সংকট নয়—এটি এখন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের কেন্দ্রে।
যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যানের সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই বাস্তবতাকেই উন্মোচন করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন: সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, বিরোধী শক্তিকে নিষিদ্ধ রাখা, এবং অবাধ নির্বাচনের অনুপস্থিতি—এই তিনটি মিলিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গভীর ঝুঁকিতে।
এটি কোনো “মতামত” নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক সতর্কতা।
গণতন্ত্র কাগজে নয়, বাস্তবে প্রমাণিত হয়
ইউনুস সরকারের অধীনে যে নির্বাচন প্রক্রিয়া গড়ে উঠছে, তা ক্রমশ একতরফা, নিয়ন্ত্রিত এবং পূর্বনির্ধারিত রূপ নিচ্ছে। আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিকে নিষিদ্ধ রেখে নির্বাচন আয়োজন করা মানেই একটি প্রতিযোগিতাহীন নাটক মঞ্চস্থ করা।
আন্তর্জাতিক আইন এ বিষয়ে খুবই স্পষ্ট।
ICCPR (International Covenant on Civil and Political Rights), Article 25
বলছে: “Every citizen shall have the right and the opportunity… to vote and to be elected at genuine periodic elections.” এখানে মূল শব্দটি হলো: genuine elections—অর্থাৎ সত্যিকারের নির্বাচন। যেখানে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি নিষিদ্ধ, সেখানে “genuine” শব্দটি প্রযোজ্যই হয় না। সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: এটি আর অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় বব ব্ল্যাকম্যান যে বিষয়টি সবচেয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, তা হলো সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা—বিশেষ করে হিন্দুদের হত্যা এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ। জাতিসংঘের Universal Declaration of Human Rights (UDHR), Article 18 বলছে: “Everyone has the right to freedom of thought, conscience and religion.” এটি কোনো সৌজন্যমূলক নীতি নয়—এটি একটি বাধ্যতামূলক নৈতিক ও আইনি মানদণ্ড। আরও স্পষ্টভাবে, UN Declaration on the Rights of Minorities (1992) বলছে: “States
shall protect the existence and the national or ethnic, cultural, religious and linguistic identity of minorities.” যখন রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন সেটি আন্তর্জাতিক অপরাধের দিকে ধাবিত হয়। একতরফা নির্বাচন: বিশ্ব কি আগে দেখেনি? বিশ্ব এই নাটক বহুবার দেখেছে। বেলারুশ: বিরোধী দল নিষিদ্ধ → নির্বাচন → আন্তর্জাতিক প্রত্যাখ্যান ভেনেজুয়েলা: নিয়ন্ত্রিত ভোট → গণতন্ত্রের মুখোশ → নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমার: সেনা-নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন → আন্তর্জাতিক একঘরে অবস্থা বাংলাদেশ কি সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে? ইতিহাস বলে—এমন পথের শেষ কোথায়। ইউনুস সরকারের সামনে বৈধতার মৃত্যু “ইউনুসের একতরফা নির্বাচন কখনোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে না”—এটি আবেগ নয়, এটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। কারণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে তিনটি ভিত্তিতে: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি সংখ্যালঘু সুরক্ষা স্বচ্ছ নির্বাচন এই তিনটিতেই সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। UN Charter, Article 1(2)
অনুযায়ী: “To develop friendly relations among nations based on respect for the principle of equal rights and self-determination of peoples.” একটি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ তখনই বাস্তব হয়, যখন তারা অবাধভাবে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে। দমন-পীড়ন ও উগ্রবাদের জন্ম একই মাটি থেকে যেখানে গণতন্ত্র দমন করা হয়, সেখানে উগ্রবাদ জন্ম নেয়। ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া—সব জায়গাতেই এই সমীকরণ দেখা গেছে: রাজনৈতিক নিপীড়ন + সামাজিক অবিচার = উগ্রপন্থার বিস্তার বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, এবং ভুয়া নির্বাচন—এই তিনটি মিলিয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা হয়। বিশ্ব নীরব থাকবে না যারা ভাবছে, “এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়”—তারা ভুল করছে। Responsibility to Protect (R2P) নীতিমালা অনুযায়ী: যখন কোনো রাষ্ট্র তার জনগণকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের
নৈতিক দায়িত্ব তৈরি হয়। আজ হোক, কাল হোক—চাপ আসবেই। ইতিহাস ক্ষমা করে না বাংলাদেশ আজ একটি মোড়ে দাঁড়িয়ে। একটি পথ: ভুয়া নির্বাচন, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা। অন্যটি: অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, আন্তর্জাতিক আস্থা। প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্র কোনটি বেছে নেবে? কারণ ইতিহাস আপস করে না। গণতন্ত্রকে হত্যা করলে, সে ফিরে এসে বিচার করে।
বলছে: “Every citizen shall have the right and the opportunity… to vote and to be elected at genuine periodic elections.” এখানে মূল শব্দটি হলো: genuine elections—অর্থাৎ সত্যিকারের নির্বাচন। যেখানে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি নিষিদ্ধ, সেখানে “genuine” শব্দটি প্রযোজ্যই হয় না। সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: এটি আর অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় বব ব্ল্যাকম্যান যে বিষয়টি সবচেয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, তা হলো সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা—বিশেষ করে হিন্দুদের হত্যা এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ। জাতিসংঘের Universal Declaration of Human Rights (UDHR), Article 18 বলছে: “Everyone has the right to freedom of thought, conscience and religion.” এটি কোনো সৌজন্যমূলক নীতি নয়—এটি একটি বাধ্যতামূলক নৈতিক ও আইনি মানদণ্ড। আরও স্পষ্টভাবে, UN Declaration on the Rights of Minorities (1992) বলছে: “States
shall protect the existence and the national or ethnic, cultural, religious and linguistic identity of minorities.” যখন রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন সেটি আন্তর্জাতিক অপরাধের দিকে ধাবিত হয়। একতরফা নির্বাচন: বিশ্ব কি আগে দেখেনি? বিশ্ব এই নাটক বহুবার দেখেছে। বেলারুশ: বিরোধী দল নিষিদ্ধ → নির্বাচন → আন্তর্জাতিক প্রত্যাখ্যান ভেনেজুয়েলা: নিয়ন্ত্রিত ভোট → গণতন্ত্রের মুখোশ → নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমার: সেনা-নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন → আন্তর্জাতিক একঘরে অবস্থা বাংলাদেশ কি সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে? ইতিহাস বলে—এমন পথের শেষ কোথায়। ইউনুস সরকারের সামনে বৈধতার মৃত্যু “ইউনুসের একতরফা নির্বাচন কখনোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে না”—এটি আবেগ নয়, এটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। কারণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে তিনটি ভিত্তিতে: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি সংখ্যালঘু সুরক্ষা স্বচ্ছ নির্বাচন এই তিনটিতেই সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। UN Charter, Article 1(2)
অনুযায়ী: “To develop friendly relations among nations based on respect for the principle of equal rights and self-determination of peoples.” একটি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ তখনই বাস্তব হয়, যখন তারা অবাধভাবে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে। দমন-পীড়ন ও উগ্রবাদের জন্ম একই মাটি থেকে যেখানে গণতন্ত্র দমন করা হয়, সেখানে উগ্রবাদ জন্ম নেয়। ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া—সব জায়গাতেই এই সমীকরণ দেখা গেছে: রাজনৈতিক নিপীড়ন + সামাজিক অবিচার = উগ্রপন্থার বিস্তার বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, এবং ভুয়া নির্বাচন—এই তিনটি মিলিয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা হয়। বিশ্ব নীরব থাকবে না যারা ভাবছে, “এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়”—তারা ভুল করছে। Responsibility to Protect (R2P) নীতিমালা অনুযায়ী: যখন কোনো রাষ্ট্র তার জনগণকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের
নৈতিক দায়িত্ব তৈরি হয়। আজ হোক, কাল হোক—চাপ আসবেই। ইতিহাস ক্ষমা করে না বাংলাদেশ আজ একটি মোড়ে দাঁড়িয়ে। একটি পথ: ভুয়া নির্বাচন, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা। অন্যটি: অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, আন্তর্জাতিক আস্থা। প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্র কোনটি বেছে নেবে? কারণ ইতিহাস আপস করে না। গণতন্ত্রকে হত্যা করলে, সে ফিরে এসে বিচার করে।



