ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভয়াবহ বিনিয়োগ সংকট : অবৈধ ইউনুস সরকারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়নামা
ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা
ইউনুসের অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বলি যেভাবে হলো বাংলাদেশের আপামর তরুণ প্রজন্ম
শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা – জ্ঞান, শুভবুদ্ধি ও সম্প্রীতিতে আলোকিত হোক বাংলাদেশ।
ফাঁস হওয়া অডিও: ‘হাসিনার বিচার সুষ্ঠু হয়নি, তবুও পলিটিক্যালি জিনিয়াস’—মার্কিন কূটনীতিকের স্বীকারোক্তি
সংস্কারের আড়ালে ‘ডাকাতি’: নিলাম ছাড়াই গ্রামীণফোনকে ২৫০০ কোটি টাকার উপহার
সেনাবাহিনীতে ‘সফট ক্যু’র চেষ্টা নস্যাৎ: এনএসএ খলিলুরের পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন সেনাপ্রধান
আনিসুলকে বিচারক : ১৫ বছরে বিচার বিভাগের কোনো সংস্কার হয়নি
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।
এ সময় বিচারক আনিসুল হককে উদ্দেশ করে বিচার বিভাগের দৈন্যদশা তুলে ধরেন। বিচারক বলেন, ১৫ বছরেও বিচার বিভাগের তেমন কোনো সংস্কার হয়নি।
এ সময় এজলাসে থাকা আসামির ডকে দাঁড়িয়ে ছিলেন আনিসুল হক। অন্যান্য মামলার শুনানি চলায় কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকার পর বিচারক তাকে ডকে থাকা বেঞ্চে বসতে বলেন। এরপর তার গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর মামলার বিস্তারিত আদালতের সামনে
তুলে ধরেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানি করেন। একপর্যায়ে বিচারক সাবেক মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বিচার বিভাগের মামলাজটের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ঢাকায় লক্ষাধিক এনআই অ্যাক্ট মামলা পরিচালনার জন্য মাত্র সাতটি যুগ্ম দায়রা জজ আদালত রয়েছে, যা মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য অপ্রতুল। অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারককে টিনশেড বিল্ডিংয়ে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করতে হয়। এ সময় আনিসুল হক আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, আমি আইনমন্ত্রী থাকাবস্থায় প্রতিবছর লোকবল নিয়োগের জন্য রিকুইজিশন দিতাম। আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য মাত্র ১৩ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ ছিল। বিচার বিভাগের যত ইমপ্রুভমেন্ট হয়েছে তা আমার করা। ১৩ জানুয়ারি আনিসুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক
মো. জাহাঙ্গীর আলম। ওই দিন আদালত আসামি আনিসুলের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ মার্চ দিন ধার্য রয়েছে।
তুলে ধরেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানি করেন। একপর্যায়ে বিচারক সাবেক মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বিচার বিভাগের মামলাজটের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ঢাকায় লক্ষাধিক এনআই অ্যাক্ট মামলা পরিচালনার জন্য মাত্র সাতটি যুগ্ম দায়রা জজ আদালত রয়েছে, যা মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য অপ্রতুল। অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারককে টিনশেড বিল্ডিংয়ে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করতে হয়। এ সময় আনিসুল হক আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, আমি আইনমন্ত্রী থাকাবস্থায় প্রতিবছর লোকবল নিয়োগের জন্য রিকুইজিশন দিতাম। আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য মাত্র ১৩ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ ছিল। বিচার বিভাগের যত ইমপ্রুভমেন্ট হয়েছে তা আমার করা। ১৩ জানুয়ারি আনিসুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক
মো. জাহাঙ্গীর আলম। ওই দিন আদালত আসামি আনিসুলের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ মার্চ দিন ধার্য রয়েছে।



