ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কাঠামোগত অব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন
ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে এবার একাধিক কাঠামোগত ও পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার অভিযোগ সামনে এসেছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটির অধিকাংশ ওয়ার্ড ও বিভিন্ন ইউনিটে পর্যাপ্ত জানালা বা প্রাকৃতিক বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নেই। ফলে রোগীদের ওয়ার্ড, রান্নাঘর, ওষুধ সংরক্ষণাগার, বেকারি এবং অন্যান্য সেবা ইউনিটে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের গ্যাস, বাষ্প, গন্ধ ও দূষিত বাতাস স্বাভাবিকভাবে বাইরে নির্গত হওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। পুরো হাসপাতাল কার্যত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করেই পরিচালিত হচ্ছে, যা সামগ্রিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি পরিচালিত সরেজমিন
পরিদর্শনে হাসপাতালের বিভিন্ন তলা ঘুরে দেখা হয়। পরিদর্শনকালে দেখা যায়, অনেক ওয়ার্ডেই বাইরের আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। কিছু কিছু স্থানে জানালা না থাকায় স্বাভাবিক বায়ু চলাচল কার্যত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ইউনিটের বাতাস একই পরিবেশে ঘুরপাক খাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, একটি আধুনিক হাসপাতালের ক্ষেত্রে রোগী ওয়ার্ড, আইসিইউ, শিশু বিভাগ, ল্যাব, ফার্মেসি ও রান্নাঘরের জন্য আলাদা ভেন্টিলেশন ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সূত্রগুলো আরও জানায়, হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত রান্নাঘরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার প্রস্তুত করা হয়। রান্নার সময় উৎপন্ন তাপ, ধোঁয়া, বাষ্প এবং বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান বাইরে নির্গমনের জন্য যে ধরনের
কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন, তার ঘাটতি রয়েছে বলে পরিদর্শনে উঠে এসেছে। একইভাবে হাসপাতালের সঙ্গে সংযুক্ত একটি ভবনে পরিচালিত বাণিজ্যিক বেকারি থেকেও উৎপন্ন তাপ ও গ্যাস যথাযথভাবে বাইরে বের হয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে রান্নাঘর, বেকারি এবং হাসপাতালের অন্যান্য ইউনিটের পরিবেশগত প্রভাব একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিদর্শন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের অবস্থানের পাশাপাশি ওষুধ সংরক্ষণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার এবং অন্যান্য সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসব স্থান থেকে উৎপন্ন গন্ধ, রাসায়নিক উপাদান বা বায়ুবাহিত কণা স্বাভাবিকভাবে বাইরে নির্গত হওয়ার জন্য কার্যকর ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা অপরিহার্য। কিন্তু হাসপাতালের বহু অংশে জানালা ও প্রাকৃতিক
বায়ু চলাচলের সীমাবদ্ধতার কারণে সামগ্রিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতাল এমন একটি সংবেদনশীল স্থাপনা যেখানে রোগী, নবজাতক, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগী এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ অবস্থান করেন। তাই অভ্যন্তরীণ পরিবেশের মান, আলো-বাতাস চলাচল এবং নির্গমন ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ ধরনের ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে তা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে তারা মনে করছেন। এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পরিদর্শনে হাসপাতালটির কলেজ ভবনের অষ্টম তলায় একটি বড় সুইমিং পুলের অস্তিত্বও পাওয়া গেছে। হাসপাতালের মতো একটি বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন একটি স্থাপনা কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রোগীসেবা
ও স্বাস্থ্যসেবার মূল কাঠামোর বাইরে এমন একটি স্থাপনার প্রয়োজনীয়তা এবং অনুমোদন নিয়েও এখন আলোচনা চলছে। কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা বলছেন, হাসপাতালের যে কোনো সম্প্রসারণ বা নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় ভবন বিধিমালা (বিএনবিসি), স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনা নকশা নির্দেশিকা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এসব নির্দেশনা অনুযায়ী বায়ু চলাচল, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং রোগী সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে হাসপাতালের কার্যক্রম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। গত রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১–এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে হাসপাতালটিতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী দুই লাখ টাকা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এক লাখ টাকা
জরিমানা করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে। অভিযানকালে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটরে তাপমাত্রা মিটার না থাকা, লেবেলবিহীন মিষ্টি পাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়ম সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেকারি পরিদর্শনের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, অভিযানের সময় সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ডিএসসিসির অঞ্চল-১–এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া ফয়েজ জানান, অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। সে কারণে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালটির আরও বেশ কিছু বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শুরু হওয়া তদন্তে এখন চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি হাসপাতালটির সামগ্রিক
অবকাঠামো, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা, জানালার স্বল্পতা, রান্নাঘর ও বেকারির গ্যাস নির্গমন ব্যবস্থা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং হাসপাতাল ভবনের ভেতরে সুইমিং পুলের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তদন্ত শেষ হলে হাসপাতালটির প্রকৃত নকশা ও বাস্তব অবস্থা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ফাউন্ডেশনের মানবসম্পদ ও কোম্পানি বিষয়ক পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, ডিএসসিসির সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত জরিমানার বিষয়টি ছাড়া আর কোনো অসঙ্গতি তাদের নেই। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ভুল তথ্য এবং অন্য কোনো ধরনের অসঙ্গতি নেই। তিনি আরও জানান, তাদের বক্তব্য দেওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তাই এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না দেওয়াই ভালো। তিনি বলেন, আমাদের কনস্ট্রাকশন অনুযায়ী যেভাবে জানালা থাকার কথা, সেভাবেই সবকিছু রয়েছে—এ কথা বলেই বিস্তারিত ব্যাখ্যা এড়িয়ে যান। এরপর তিনি পরে কথা বলব জানিয়ে প্রতিবেদকের ফোন লাইন কেটে দেন।
পরিদর্শনে হাসপাতালের বিভিন্ন তলা ঘুরে দেখা হয়। পরিদর্শনকালে দেখা যায়, অনেক ওয়ার্ডেই বাইরের আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। কিছু কিছু স্থানে জানালা না থাকায় স্বাভাবিক বায়ু চলাচল কার্যত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ইউনিটের বাতাস একই পরিবেশে ঘুরপাক খাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, একটি আধুনিক হাসপাতালের ক্ষেত্রে রোগী ওয়ার্ড, আইসিইউ, শিশু বিভাগ, ল্যাব, ফার্মেসি ও রান্নাঘরের জন্য আলাদা ভেন্টিলেশন ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সূত্রগুলো আরও জানায়, হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত রান্নাঘরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার প্রস্তুত করা হয়। রান্নার সময় উৎপন্ন তাপ, ধোঁয়া, বাষ্প এবং বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান বাইরে নির্গমনের জন্য যে ধরনের
কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন, তার ঘাটতি রয়েছে বলে পরিদর্শনে উঠে এসেছে। একইভাবে হাসপাতালের সঙ্গে সংযুক্ত একটি ভবনে পরিচালিত বাণিজ্যিক বেকারি থেকেও উৎপন্ন তাপ ও গ্যাস যথাযথভাবে বাইরে বের হয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে রান্নাঘর, বেকারি এবং হাসপাতালের অন্যান্য ইউনিটের পরিবেশগত প্রভাব একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিদর্শন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের অবস্থানের পাশাপাশি ওষুধ সংরক্ষণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার এবং অন্যান্য সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসব স্থান থেকে উৎপন্ন গন্ধ, রাসায়নিক উপাদান বা বায়ুবাহিত কণা স্বাভাবিকভাবে বাইরে নির্গত হওয়ার জন্য কার্যকর ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা অপরিহার্য। কিন্তু হাসপাতালের বহু অংশে জানালা ও প্রাকৃতিক
বায়ু চলাচলের সীমাবদ্ধতার কারণে সামগ্রিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতাল এমন একটি সংবেদনশীল স্থাপনা যেখানে রোগী, নবজাতক, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগী এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ অবস্থান করেন। তাই অভ্যন্তরীণ পরিবেশের মান, আলো-বাতাস চলাচল এবং নির্গমন ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ ধরনের ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে তা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে তারা মনে করছেন। এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পরিদর্শনে হাসপাতালটির কলেজ ভবনের অষ্টম তলায় একটি বড় সুইমিং পুলের অস্তিত্বও পাওয়া গেছে। হাসপাতালের মতো একটি বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন একটি স্থাপনা কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রোগীসেবা
ও স্বাস্থ্যসেবার মূল কাঠামোর বাইরে এমন একটি স্থাপনার প্রয়োজনীয়তা এবং অনুমোদন নিয়েও এখন আলোচনা চলছে। কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা বলছেন, হাসপাতালের যে কোনো সম্প্রসারণ বা নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় ভবন বিধিমালা (বিএনবিসি), স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনা নকশা নির্দেশিকা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এসব নির্দেশনা অনুযায়ী বায়ু চলাচল, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং রোগী সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে হাসপাতালের কার্যক্রম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। গত রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১–এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে হাসপাতালটিতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী দুই লাখ টাকা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এক লাখ টাকা
জরিমানা করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে। অভিযানকালে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটরে তাপমাত্রা মিটার না থাকা, লেবেলবিহীন মিষ্টি পাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়ম সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেকারি পরিদর্শনের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, অভিযানের সময় সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ডিএসসিসির অঞ্চল-১–এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া ফয়েজ জানান, অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। সে কারণে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালটির আরও বেশ কিছু বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শুরু হওয়া তদন্তে এখন চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি হাসপাতালটির সামগ্রিক
অবকাঠামো, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা, জানালার স্বল্পতা, রান্নাঘর ও বেকারির গ্যাস নির্গমন ব্যবস্থা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং হাসপাতাল ভবনের ভেতরে সুইমিং পুলের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তদন্ত শেষ হলে হাসপাতালটির প্রকৃত নকশা ও বাস্তব অবস্থা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ফাউন্ডেশনের মানবসম্পদ ও কোম্পানি বিষয়ক পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, ডিএসসিসির সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত জরিমানার বিষয়টি ছাড়া আর কোনো অসঙ্গতি তাদের নেই। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ভুল তথ্য এবং অন্য কোনো ধরনের অসঙ্গতি নেই। তিনি আরও জানান, তাদের বক্তব্য দেওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তাই এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না দেওয়াই ভালো। তিনি বলেন, আমাদের কনস্ট্রাকশন অনুযায়ী যেভাবে জানালা থাকার কথা, সেভাবেই সবকিছু রয়েছে—এ কথা বলেই বিস্তারিত ব্যাখ্যা এড়িয়ে যান। এরপর তিনি পরে কথা বলব জানিয়ে প্রতিবেদকের ফোন লাইন কেটে দেন।



