
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

দারিদ্র্য নিয়ে পিপিআরসির তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা

আগামীকাল শিক্ষকদের সমাবেশ বাধাগ্রস্থ করার সরকারি নীলনকশা : সত্যিকারের ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ

সহিংসতার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

হেনস্তার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মামলা, মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লাগবে ‘অভিযোগ’

মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, সাংবাদিককে দল বেঁধে পে/টা/লো জামাত-বিএনপি জোট

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বাবার জবানবন্দি: ঘটনার একদিন পরে দাফন ও গোসলের সময় মাথার পেছন থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো

৬ মাসে নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছে ১ হাজার ৯৩৩ শিশু
‘আদালতের প্রতি আস্থা নেই, জামিন চাইব না’- বীর মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকীর সদর্প উচ্চারণ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আদালতে দাঁড়িয়ে জানালেন— ‘আদালতের প্রতি আমার আস্থা নেই, আমি জামিন চাইব না।’
রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে ও আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৯শে আগস্ট, শুক্রবার আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন আদালতে উপস্থিত থাকলেও লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। কারণ বারবার আইনজীবীরা তার পক্ষে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। আদালতে তিনি স্পষ্ট করে বলেন— “যে আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তার কাছে আমি কেন জামিন চাইব? আমি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করব না।”
শুক্রবার ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধ আইনের মামলায় লতিফ
সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান। অপর আসামিরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না,কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু,মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম। এদিন সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তাদের এজলাসে তোলা হয়। এসময় তাদের হাতে হাতকড়া, মাথায়
হেলমেট, পরনে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিলো। তাদের আসামির কাঠগড়ায় রাখা হয়। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বলেন,’ভয়াবহ অবস্থা। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলি।’ তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের জ্যাকেট খুলে দেন। কাঠগড়ায় সবার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন লতিফ সিদ্দিকী। এসময় তাকে হাস্যেজ্জ্বল দেখা যায়। পানি পান করেন। মাঝে মধ্যে মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেনন। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকার মহানগর হাকিম সারাহ ফারজানা হক এজলাসে ওঠেন। এসময় আদালতের অনুমতি নিয়ে আইনজীবীরা আসামিদের স্বাক্ষর নিতে চান। লতিফ সিদ্দিকী বাদে অপর অধিকাংশ আসামিই ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন। লতিফ সিদ্দিকীর কাছে সাইফুল ইসলাম সাইফ স্বাক্ষর নিতে যান। তবে তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন
রাখিসহ অন্যরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকরা জানতে চান, তার কিছু বলার আছে কি না। তখন লতিফ সিদ্দিকী মাথা নাড়িয়ে জানান, তিনি কিছু বলবেন না। পরে তাকেসহ অন্যদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সাইফ জানান,’লতিফ সিদ্দিকীর জামিনের আবেদন যখন তা কাছে ওকালতনামা স্বাক্ষর করতে যাই, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে। তখন তিনি বলেন যে আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তার কাছে কেন জামিন চাইবো? আমি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করবো না, জামিন চাইবো না। যতবার স্বাক্ষর করতে যাই, ততবারই তিনি একথা বলেন, একারণে
তিনি জামিন আবেদন করেননি। আদালতের প্রতি তার আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিআরইউতে মঞ্চ ৭১ নামে একটি ব্যানারে গোলটেবিল আলোচনা চলছিল। এসময় জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-এনসিপির সন্ত্রাসীরা নিজেদের জুলাইযোদ্ধা পরিচয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ১৬ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে, মুক্তিযোদ্ধাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এদিকে গোলটেবিলের এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা করা হয়। আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী “মঞ্চ ৭১” এর ব্যানারকে পুজি করে প্রকৃতপক্ষে দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও উপস্থিত অন্যদের প্ররোচিত করে বক্তব্য প্রদান করছিলেন। তার এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের
জন্য উপস্থিত ‘লোকজন’ তাদের ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে স্লোগান দেয়। পরস্পর সহায়তাকারী হিসেবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অপরাধ করেছে। মামলাটি তদন্তাধীন। এমতাবস্থায় মামলাটি সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের জেলে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। এছাড়া মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে ব্যাপক ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের পুলিশ রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করা হবে। পরে আসামিপক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ অন্যরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা
গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ই আগস্ট “মঞ্চ ৭১” নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২৮শে আগস্ট সকাল ১০ টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরমধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-এনসিপির সন্ত্রাসীরা হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন। তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করেন। গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে অংশগ্রহণকারীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। বেদম প্রহার করা হয় তাদের। আহত হন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানসহ অনেকেই। তারপর ১৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশের উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম।পরবর্তীতে এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান। অপর আসামিরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না,কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু,মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম। এদিন সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তাদের এজলাসে তোলা হয়। এসময় তাদের হাতে হাতকড়া, মাথায়
হেলমেট, পরনে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিলো। তাদের আসামির কাঠগড়ায় রাখা হয়। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বলেন,’ভয়াবহ অবস্থা। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলি।’ তখন পুলিশ সদস্যরা তাদের জ্যাকেট খুলে দেন। কাঠগড়ায় সবার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন লতিফ সিদ্দিকী। এসময় তাকে হাস্যেজ্জ্বল দেখা যায়। পানি পান করেন। মাঝে মধ্যে মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেনন। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকার মহানগর হাকিম সারাহ ফারজানা হক এজলাসে ওঠেন। এসময় আদালতের অনুমতি নিয়ে আইনজীবীরা আসামিদের স্বাক্ষর নিতে চান। লতিফ সিদ্দিকী বাদে অপর অধিকাংশ আসামিই ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন। লতিফ সিদ্দিকীর কাছে সাইফুল ইসলাম সাইফ স্বাক্ষর নিতে যান। তবে তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন
রাখিসহ অন্যরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকরা জানতে চান, তার কিছু বলার আছে কি না। তখন লতিফ সিদ্দিকী মাথা নাড়িয়ে জানান, তিনি কিছু বলবেন না। পরে তাকেসহ অন্যদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সাইফ জানান,’লতিফ সিদ্দিকীর জামিনের আবেদন যখন তা কাছে ওকালতনামা স্বাক্ষর করতে যাই, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে। তখন তিনি বলেন যে আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তার কাছে কেন জামিন চাইবো? আমি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করবো না, জামিন চাইবো না। যতবার স্বাক্ষর করতে যাই, ততবারই তিনি একথা বলেন, একারণে
তিনি জামিন আবেদন করেননি। আদালতের প্রতি তার আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিআরইউতে মঞ্চ ৭১ নামে একটি ব্যানারে গোলটেবিল আলোচনা চলছিল। এসময় জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-এনসিপির সন্ত্রাসীরা নিজেদের জুলাইযোদ্ধা পরিচয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ১৬ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে, মুক্তিযোদ্ধাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এদিকে গোলটেবিলের এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা করা হয়। আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী “মঞ্চ ৭১” এর ব্যানারকে পুজি করে প্রকৃতপক্ষে দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও উপস্থিত অন্যদের প্ররোচিত করে বক্তব্য প্রদান করছিলেন। তার এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের
জন্য উপস্থিত ‘লোকজন’ তাদের ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে স্লোগান দেয়। পরস্পর সহায়তাকারী হিসেবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অপরাধ করেছে। মামলাটি তদন্তাধীন। এমতাবস্থায় মামলাটি সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের জেলে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। এছাড়া মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে ব্যাপক ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের পুলিশ রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করা হবে। পরে আসামিপক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ অন্যরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা
গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ই আগস্ট “মঞ্চ ৭১” নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২৮শে আগস্ট সকাল ১০ টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরমধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-এনসিপির সন্ত্রাসীরা হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন। তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করেন। গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে অংশগ্রহণকারীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। বেদম প্রহার করা হয় তাদের। আহত হন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানসহ অনেকেই। তারপর ১৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশের উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম।পরবর্তীতে এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।