
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

‘আদালতের প্রতি আস্থা নেই, জামিন চাইব না’- বীর মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকীর সদর্প উচ্চারণ

দারিদ্র্য নিয়ে পিপিআরসির তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা

সহিংসতার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

হেনস্তার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মামলা, মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লাগবে ‘অভিযোগ’

মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, সাংবাদিককে দল বেঁধে পে/টা/লো জামাত-বিএনপি জোট

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বাবার জবানবন্দি: ঘটনার একদিন পরে দাফন ও গোসলের সময় মাথার পেছন থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো

৬ মাসে নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছে ১ হাজার ৯৩৩ শিশু
আগামীকাল শিক্ষকদের সমাবেশ বাধাগ্রস্থ করার সরকারি নীলনকশা : সত্যিকারের ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামীকাল ৩০শে আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের একটি গোপনীয় চিঠির মাধ্যমে জানা গেছে, সরকার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে শিক্ষকদের এই সমাবেশে অংশগ্রহণে বাধা দেওয়ার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই চিঠিতে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের মাধ্যমে শিক্ষকদের সমাবেশে যোগদানে নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, এমনকি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের নাম, পদবী ও বিদ্যালয়ের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে সরবরাহ করার জন্য বলা হয়েছে।
এই পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। এই ঘটনা নতুন নয়। এর
আগেও শিক্ষকদের উপর হামলা, বুয়েটের ছাত্রদের আন্দোলন দমন এবং রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও অধ্যাপকদের গ্রেফতারের ঘটনা সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রমাণ বহন করে। প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য সরকারের এই জোরপূর্বক পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবনতির আরেকটি উদাহরণ। শিক্ষক সমাজ, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কারিগর, তাদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে তাদের উপর এমন দমন-পীড়ন গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভগুলোকে দুর্বল করে। শিক্ষকদের সমাবেশে অংশগ্রহণের অধিকারকে হরণ করা এবং তাদের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেশের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ফ্যাসিবাদী আচরণ কেবল শিক্ষকদের কণ্ঠরোধ করছে না, বরং দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন
করছে। সমালোচকরা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ সরকারের ভয় ও অসহিষ্ণুতার প্রকাশ। শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে ভয় পাওয়া এবং তা ভণ্ডুল করার জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করা একটি স্বৈরাচারী শাসনের লক্ষণ। এর আগে বুয়েটের ছাত্রদের আন্দোলনের সময়ও সরকার একইভাবে দমনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিল। এছাড়া, রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও অধ্যাপকদের গ্রেফতারের ঘটনা দেশের মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সরকারের আক্রমণের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের দাবি মেনে নিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার করতে হবে। এই ফ্যাসিবাদী মনোভাবের অবসান না হলে দেশের
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ আরও সংকটাপন্ন হবে। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সরকারের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারকে অবিলম্বে এই দমনমূলক নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আগেও শিক্ষকদের উপর হামলা, বুয়েটের ছাত্রদের আন্দোলন দমন এবং রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও অধ্যাপকদের গ্রেফতারের ঘটনা সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রমাণ বহন করে। প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য সরকারের এই জোরপূর্বক পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবনতির আরেকটি উদাহরণ। শিক্ষক সমাজ, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কারিগর, তাদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে তাদের উপর এমন দমন-পীড়ন গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভগুলোকে দুর্বল করে। শিক্ষকদের সমাবেশে অংশগ্রহণের অধিকারকে হরণ করা এবং তাদের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেশের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ফ্যাসিবাদী আচরণ কেবল শিক্ষকদের কণ্ঠরোধ করছে না, বরং দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন
করছে। সমালোচকরা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ সরকারের ভয় ও অসহিষ্ণুতার প্রকাশ। শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে ভয় পাওয়া এবং তা ভণ্ডুল করার জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করা একটি স্বৈরাচারী শাসনের লক্ষণ। এর আগে বুয়েটের ছাত্রদের আন্দোলনের সময়ও সরকার একইভাবে দমনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিল। এছাড়া, রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও অধ্যাপকদের গ্রেফতারের ঘটনা দেশের মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সরকারের আক্রমণের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের দাবি মেনে নিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার করতে হবে। এই ফ্যাসিবাদী মনোভাবের অবসান না হলে দেশের
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ আরও সংকটাপন্ন হবে। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সরকারের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারকে অবিলম্বে এই দমনমূলক নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।