ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
আওয়ামী লীগ নেতাদের সিম বন্ধ করে বিক্রির ‘বাণিজ্য’, ছাত্রলীগ নেতা জাকিরের চাঞ্চল্যকর দাবি
আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরগুলো সুপরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দিয়ে তা মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন।
রোববার (২০ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে জাকির হোসাইন অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ চক্র কোনো পুঁজি ছাড়াই এই ‘লাভজনক ব্যবসা’ শুরু করেছে। তারা টার্গেট করা নেতাদের সিম বন্ধ করে দিচ্ছে এবং পরবর্তীতে সেই নম্বরগুলো অন্যত্র বিক্রি করে ফায়দা লুটছে।
যা ঘটেছিল জাকির হোসাইনের সাথে
সাবেক এই ছাত্রনেতা জানান, গতকাল রাতে অনেকটা ঘোষণা দিয়েই তার ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত সিমটি
বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিমটি বন্ধ হওয়ার পরপরই আজ সকাল থেকে তার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক করার জন্য দফায় দফায় চেষ্টা চালাচ্ছে ওই চক্রটি। জাকির হোসাইন তার পোস্টে লিখেন, "গতকাল রাতে একরকম ঘোষণা দিয়েই আমার ব্যবহৃত সীমটি বন্ধ করে দিয়েছে। সকাল থেকে আমার ফেইসবুক আইডিটি হ্যাক করার চেষ্টা চলছে! এটাও বুঝি একটা বিনা পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা তাহলে!" নেতাদের প্রতি সতর্কবার্তা ভবিষ্যতে অন্য নেতাদেরও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জাকির বলেন, "ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি থাকাও কিন্তু ভালো। কার কখন কোন নাম্বার চলে যায় সেটা তো বলা যায় না।" অনুসন্ধানে যা জানা যাচ্ছে গুগল সার্চ ও বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের
তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে 'সিম সোয়াপ' (SIM Swap) বা অবৈধভাবে সিম রিপ্লেসমেন্ট করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দখল নিতে পারলে তাদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সহজ হয়। সাধারণত মোবাইল অপারেটর কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মী অথবা ডিলারদের যোগসাজশে এনআইডি জালিয়াতি করে এই কাজ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সুযোগে তাদের ব্যবহৃত দীর্ঘদিনের পরিচিত নম্বরগুলো হাতিয়ে নেওয়ার একটি সংঘবদ্ধ চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এ ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে
‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) হিসেবে ফোন নম্বরের বদলে ‘অথেনটিকেটর অ্যাপ’ (যেমন- Google Authenticator) ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া হুট করে সিম বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর কোম্পানির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিমটি বন্ধ হওয়ার পরপরই আজ সকাল থেকে তার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক করার জন্য দফায় দফায় চেষ্টা চালাচ্ছে ওই চক্রটি। জাকির হোসাইন তার পোস্টে লিখেন, "গতকাল রাতে একরকম ঘোষণা দিয়েই আমার ব্যবহৃত সীমটি বন্ধ করে দিয়েছে। সকাল থেকে আমার ফেইসবুক আইডিটি হ্যাক করার চেষ্টা চলছে! এটাও বুঝি একটা বিনা পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা তাহলে!" নেতাদের প্রতি সতর্কবার্তা ভবিষ্যতে অন্য নেতাদেরও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জাকির বলেন, "ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি থাকাও কিন্তু ভালো। কার কখন কোন নাম্বার চলে যায় সেটা তো বলা যায় না।" অনুসন্ধানে যা জানা যাচ্ছে গুগল সার্চ ও বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের
তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে 'সিম সোয়াপ' (SIM Swap) বা অবৈধভাবে সিম রিপ্লেসমেন্ট করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দখল নিতে পারলে তাদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সহজ হয়। সাধারণত মোবাইল অপারেটর কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মী অথবা ডিলারদের যোগসাজশে এনআইডি জালিয়াতি করে এই কাজ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সুযোগে তাদের ব্যবহৃত দীর্ঘদিনের পরিচিত নম্বরগুলো হাতিয়ে নেওয়ার একটি সংঘবদ্ধ চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এ ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে
‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) হিসেবে ফোন নম্বরের বদলে ‘অথেনটিকেটর অ্যাপ’ (যেমন- Google Authenticator) ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া হুট করে সিম বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর কোম্পানির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



