ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
‘আওয়ামী লীগ’ ট্যাগ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল: ২০ লাখ টাকা চাঁদা নিতে এসে ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার
রাজধানীর কল্যাণপুরে ফ্রিলান্সিং ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ‘ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড’-এ সাংবাদিক পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকির ঘটনায় এক ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ওই ব্যক্তির নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই চক্রটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের ‘আওয়ামী লীগ’-এর সাথে সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত।
গত ৮ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুরের দিকে রাজধানীর কল্যাণপুরে ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অফিসে চাঁদার টাকা নিতে আসলে কৌশলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে প্রতিষ্ঠানটি।
গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর আলম পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, তারা নিজেদের বানানো ফেইসবুক পেইজ ও অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টালের
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের টার্গেট করত। তাদের মূল কৌশল ছিল— টার্গেট করা ব্যক্তিকে বা প্রতিষ্ঠানকে ‘আওয়ামী লীগ’-এর দোসর বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দমনকারী হিসেবে চিহ্নিত করার হুমকি দেওয়া। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘আওয়ামী লীগ’ ট্যাগ ব্যবহার করে তারা ভুক্তভোগীদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করত এবং এরপর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার বা ‘সেটেলমেন্ট’-এর নাম করে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করত। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর চক্রটি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর কর্মকর্তাদের ফোন করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেয়। তারা দাবি করে, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। টাকা
না দিলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার হুমকি দেয়। প্রতিষ্ঠানটি কৌশলে চক্রের সদস্যদের আলোচনার জন্য অফিসে আমন্ত্রণ জানায়। সেই ফাঁদে পা দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা নিতে মো. জাহাঙ্গীর আলম অফিসে উপস্থিত হলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের হিসাব রক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে দারুসসালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্যান্য পলাতক সদস্যরা হলেন— মো. মেছ মাউল আলম মোহন, খাদিজা আক্তার পূর্ণী, এস এম মোরশেদ, আব্দুর রহমান সজীব, রূপক ও মীর আনিস দারুসসালাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
জানান, আটককৃত আসামির স্বীকারোক্তি ও ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পলাতক বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, “ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ‘আওয়ামী লীগ’ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির ঘটনা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসনের কাছে এই চক্রের সকল সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের টার্গেট করত। তাদের মূল কৌশল ছিল— টার্গেট করা ব্যক্তিকে বা প্রতিষ্ঠানকে ‘আওয়ামী লীগ’-এর দোসর বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দমনকারী হিসেবে চিহ্নিত করার হুমকি দেওয়া। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘আওয়ামী লীগ’ ট্যাগ ব্যবহার করে তারা ভুক্তভোগীদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করত এবং এরপর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার বা ‘সেটেলমেন্ট’-এর নাম করে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করত। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর চক্রটি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর কর্মকর্তাদের ফোন করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেয়। তারা দাবি করে, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। টাকা
না দিলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার হুমকি দেয়। প্রতিষ্ঠানটি কৌশলে চক্রের সদস্যদের আলোচনার জন্য অফিসে আমন্ত্রণ জানায়। সেই ফাঁদে পা দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা নিতে মো. জাহাঙ্গীর আলম অফিসে উপস্থিত হলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের হিসাব রক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে দারুসসালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্যান্য পলাতক সদস্যরা হলেন— মো. মেছ মাউল আলম মোহন, খাদিজা আক্তার পূর্ণী, এস এম মোরশেদ, আব্দুর রহমান সজীব, রূপক ও মীর আনিস দারুসসালাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
জানান, আটককৃত আসামির স্বীকারোক্তি ও ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পলাতক বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, “ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ‘আওয়ামী লীগ’ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির ঘটনা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসনের কাছে এই চক্রের সকল সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”



