ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন ভোটার হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করলো ইসি
প্রেমের টানে হুটহাট বাংলাদেশে উড়ে যাওয়া নাগরিকদের কঠোর বার্তা চীন সরকারের
দেড় মাসেই উন্নয়নের জোয়ারে পদ্মায় ভেসে গেল ৫২৭ কোটি টাকার প্রকল্প!
ডেঙ্গু ঠেকাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যুগান্তকারী সমাধান: বললেন লুঙ্গি লম্বা করে ও পায়জামা পরতে
সুস্থ অবস্থায় কারাগারে যাওয়ার ৯ দিন পর পরিবার পেল যুবলীগ নেতার মরদেহ, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন-নিপীড়নের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্বেগ
ভারতে অনুপ্রবেশ, গুপ্ত অবস্থানরত পাসপোর্টহীন মার্কিন নৌসেনাসহ আরও বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার
অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কী সচিবালয়ের প্রবেশপত্র, যা বললেন মারুফ কামাল খান
বাংলাদেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে অগ্নিসংযোগের পর সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড সাময়িক স্থগিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে গতকাল থেকে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল।
তিনি বলেছেন, ‘প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড হচ্ছে একজন পেশাদার সাংবাদিকের জন্য সরকারের স্বীকৃতির সনদ। এ কার্ড দেখিয়েই সচিবালয়ে ঢোকা যেতো, একথা সত্য। তবে এটা একটা রীতি বা রেওয়াজ। আসলে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড সচিবালয়ের প্রবেশপত্র নয়। এর জন্য আলাদা পাস বা অনুমোদনপত্র নেওয়া বিধিসম্মত। ব্যাপারটা সচিবালয়ের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িতরাও জানে বলে মনে হয় না। নিরাপত্তার অজুহাতে সচিবালয়ে প্রবেশাধিকারে কড়াকড়ি আরোপ করতে গিয়ে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড
বাতিলকে সংশ্লিষ্ট করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এই কার্ড বাতিল করে নতুন করে ইস্যুর সিদ্ধান্তটা আলাদা প্রসঙ্গ। দু'টিকে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট রেজিমে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে অতি উলঙ্গ দলবাজি হয়েছে। সেটা শোধরানো দরকার। তবে এ কার্ড বাতিল বা স্থগিতের এখতিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নয়, তথ্য অধিদপ্তরের।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে যে নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে সেটার ভাষাও রীতিমত আপত্তিকর। এই মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির শেষ লাইনে বলা হয়েছে, এই আদেশ জারি করা হলো। আদেশ মানে? এইসব আমলা ও ভূতপূর্ব আমলাদের মাইন্ডসেট একটুও বদলায় নি। পাব্লিক সার্ভেন্ট হয়েও ওরা
এখনো হুকুম দিয়েই যাচ্ছে। যামানা যে বদলে গেছে সেটা ওরা এখনও বুঝতেই পারে নি। মানসিকতা না বদলানো পর্যন্ত এদের দিয়ে রাষ্ট্র কাঠামো বদলানো সত্যিই অসম্ভব।’
বাতিলকে সংশ্লিষ্ট করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এই কার্ড বাতিল করে নতুন করে ইস্যুর সিদ্ধান্তটা আলাদা প্রসঙ্গ। দু'টিকে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট রেজিমে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে অতি উলঙ্গ দলবাজি হয়েছে। সেটা শোধরানো দরকার। তবে এ কার্ড বাতিল বা স্থগিতের এখতিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নয়, তথ্য অধিদপ্তরের।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে যে নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে সেটার ভাষাও রীতিমত আপত্তিকর। এই মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির শেষ লাইনে বলা হয়েছে, এই আদেশ জারি করা হলো। আদেশ মানে? এইসব আমলা ও ভূতপূর্ব আমলাদের মাইন্ডসেট একটুও বদলায় নি। পাব্লিক সার্ভেন্ট হয়েও ওরা
এখনো হুকুম দিয়েই যাচ্ছে। যামানা যে বদলে গেছে সেটা ওরা এখনও বুঝতেই পারে নি। মানসিকতা না বদলানো পর্যন্ত এদের দিয়ে রাষ্ট্র কাঠামো বদলানো সত্যিই অসম্ভব।’



