ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে রাশিয়া–ইউক্রেনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি
চলমান সংঘাতের মধ্যেই অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা দিয়েছেন, শনিবার বিকাল থেকে ইস্টার রবিবার পর্যন্ত সব দিক থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও তা উপেক্ষিত হয়েছিল। তবে নতুন এই ঘোষণার পর তিনি জানান, ইউক্রেনও একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
জেলেনস্কি বলেন, জনগণ যেন ভয়ভীতি ছাড়া ইস্টার উদযাপন করতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই যুদ্ধবিরতি ভবিষ্যতে শান্তির পথে অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করবে এবং ইস্টারের পরও সংঘাত আর না বাড়ে।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের
উসকানি বা হামলা মোকাবিলা করা যায়। তবে অতীত অভিজ্ঞতার কারণে এই যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘ যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থানরত সৈন্যদের জন্য এই বিরতি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত হামলা ও সাইরেনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, তারাও কিছুটা স্বাভাবিক সময় পেতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের আন্তরিক উদ্যোগ অপরিহার্য।
উসকানি বা হামলা মোকাবিলা করা যায়। তবে অতীত অভিজ্ঞতার কারণে এই যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘ যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থানরত সৈন্যদের জন্য এই বিরতি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত হামলা ও সাইরেনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, তারাও কিছুটা স্বাভাবিক সময় পেতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের আন্তরিক উদ্যোগ অপরিহার্য।



