ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
অবশেষে মিটল ‘আয়নাঘর’ রহস্য! ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বেসমেন্টের জল বার করে দমকল দেখল কিছুই নেই
ঢাকায় ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে ‘আয়নাঘর’ রহস্য অবশেষে মিটল! ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনের পাশে নির্মীয়মাণ একটি ভবনে জলমগ্ন বেসমেন্টের হদিস পাওয়া যায়। তা নিয়ে কৌতূহলী জনতার অনেকেই সন্দেহ করতে থাকেন, সেখানে নাকি ‘আয়নাঘর’ রয়েছে। তা চাউর হতে বেশি দেরি হয়নি। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও রবিবার সকালে ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। নির্মীয়মাণ ভবনের বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন তাঁরা। কিন্তু বিশেষ কিছুই পাওয়া যায়নি ওই বেসমেন্ট থেকে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ সেখানে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। পাম্পের সাহায্যে নির্মীয়মাণ ভবনটির ভূগর্ভস্থ তলে জমা জল বার করেন তাঁরা। বাংলাদেশি
সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দমকলের তিনটি ইউনিট জল বের করা শুরু করেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরে দমকল অফিসের আধিকারিক আফনান ইসলাম লিমন জানান, তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই জল বার করার জন্য। এর বেশি তাঁরা কিছু জানেন না। বিকেলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’ জানায়, জল বের করার পর সেখানে বিশেষ কিছুই পাননি দমকলকর্মীরা। দমকল অফিসের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে ‘বিবিসি বাংলা’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জল বের করার পর ‘আয়নাঘর’ বা তেমন কিছুর সন্ধান মেলেনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে তাঁরা ওই বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন। তিনি বলেন, “আমরা পাম্পের মাধ্যমে জল পাশের জলাশয়ে ফেলে পুরোপুরি বার করি। তবে সেখানে
আমরা কিছু পাইনি। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে এসেছি।”
সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দমকলের তিনটি ইউনিট জল বের করা শুরু করেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরে দমকল অফিসের আধিকারিক আফনান ইসলাম লিমন জানান, তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই জল বার করার জন্য। এর বেশি তাঁরা কিছু জানেন না। বিকেলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’ জানায়, জল বের করার পর সেখানে বিশেষ কিছুই পাননি দমকলকর্মীরা। দমকল অফিসের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে ‘বিবিসি বাংলা’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জল বের করার পর ‘আয়নাঘর’ বা তেমন কিছুর সন্ধান মেলেনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে তাঁরা ওই বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন। তিনি বলেন, “আমরা পাম্পের মাধ্যমে জল পাশের জলাশয়ে ফেলে পুরোপুরি বার করি। তবে সেখানে
আমরা কিছু পাইনি। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে এসেছি।”



