অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে আসা ফেরিওয়ালা ও তার রঙিন চশমার খদ্দেরেরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৪:২০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান

হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি

মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা

চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ

অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে আসা ফেরিওয়ালা ও তার রঙিন চশমার খদ্দেরেরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৪:২০ 12 ভিউ
কেন জুলাই বিপ্লবীদের জন্য আরেকটা জুলাই বিপ্লব ঘটানো প্র্যাক্টিকালি সম্ভব নয়? আপনি মানেন কিংবা না মানেন জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চালিকা শক্তি ছিলো আপনার আমার মত দিকভ্রান্ত নিরপেক্ষ জনগন। এদের মাঝে নিউট্রাল মানুষ যেমন ছিলো, তেমন সফট আওয়ামীলীগারও ছিলো। পুরো আন্দোলনটা রাজনৈতিক ব্যানারে হলে এটা যে কতটা শোচনীয় ভাবে মুখ থুবড়ে পড়ত তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এই কথা বলার কারন হলো, বিগত দিনে আপনারা বিএনপির ঈদের পরে আন্দোলন সেই ২০১০ সাল থেকে দেখে এসেছেন। কিন্তু কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে তা ২০২৪ এর নির্বাচনের আগেই বুঝে গিয়েছেন। আর এবার আসি জামাত শিবিরের ব্যাপারে। আপনার আমার মত সাধারণ মানুষ যদি ঘুনাক্ষরেও টের পেতো

এর পিছনে জামাত শিবিরের হাত আছে, তাহলে আন্দোলন ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ থাকতো। এজন্যই ওরা দলের নোংরা ব্যানারটা কাজে না লাগিয়ে গুপ্ত পরিচয়টা কাজে লাগিয়েছে। ওদের নিজেদের দলের নোংরা ব্যানারের উপর ওদের নিজেদেরই কোনও আস্থা ছিলোনা। সমন্বয়কদের গ্রহনযোগ্যতার ব্যাপারে যদি কথা বলি, আজ থেকে দেড় বছর আগে ওদের যে গ্রহনযোগ্যতাটা ছিলো বিগত দেড় বছরে সেটা একদমই তলানিতে। কারন হিসাবে ধরলে কথার সাথে কাজের মিলের অভাব, সীমাহীন দুর্নীতি, পক্ষপাত দুষ্টতা, আইনের তোয়াক্কা না করা, অহংকারী মনোভাব এসব সর্বাগ্রে আসবে। হাতে গোনা দুই একজন বাদ দিলে সবার যেকোনও স্টেটমেন্টই এখন কমেডি ম্যাটেরিয়াল হয়ে গিয়েছে। নাহলে ভাবুন যে ছেলেটার ‘দিল্লী না ঢাকা’ স্লোগানে মানুষ উত্তেজিত

হতো সে কিভাবে ‘বার্মা না ঢাকার’ বেলায় চুপ থাকে? কিভাবে বিগত যে কোনও বছরের তুলনায় ইন্টেরিমের আমলে ভারতের থেকে সর্বাধিক আমদানি হয়? কিংবা ভারতের সাথে কয়টা গোলামি চুক্তি প্রকাশ্যে এনেছে ইন্টেরিম? বরং উল্টোদিকে সমন্বয়কদের ফাদার অর্গানাইজেশন গোপনে ভারতের সাথে সভা সমাবেশ করে বেড়িয়েছে। জুলাই বিপ্লবীদের উত্থান এখানেই শিথিল! দুর্নীতির কথা যদি ধরি, আসিফের এপিএসের কাহিনী তো সবাই জানেন। যে নাহিদের একটা ব্যাংক একাউন্ট পর্যন্ত ছিলোনা সে পরামর্শক হিসাবে ১৬ লাখ টাকা কামায়! যার নিজের দলেরই এমন খাবি খাওয়া অবস্থা তার থেকে বাৎসরিক ১৬ লাখ টাকার বিনিময়ে কোন প্রতিষ্ঠান পরামর্শ নেয়? যে সার্জিসের আন্দোলনের সময় ফোনে ব্যালেন্স থাকতো না সে কিভাবে

আন্দোলনের পরে জমিদারের নাতি হয়ে যায়? যে হান্নান মাসউদের বাড়িটা তার গ্রামের সব থেকে কাঁচা বাড়ি ছিলো সেটা কিভাবে রাতারাতি গ্রামের সব থেকে বড় বাড়ি হয়? যে ছেলেটা নিজের নামটা পর্যন্ত ইংরেজিতে বলতে পারেনা সে কিভাবে টিউশনি করিয়ে মাসে লাখ টাকা কামায়? যাস্ট একবার ভাবুন সিলেটের এক তৃতীয় শ্রেনীর সমন্বয়ক মাহাদি হাসান, যে প্রমিত বাংলায় দুই লাইন কথা বলতে পারেনা, দুই বেলা টিকটকে ‘রুপনগরের রাজকন্যা’ গানে কোমড় দুলিয়ে মানুষকে বিনোদন দেয়, সে কিনা ইন্ডিয়া ভ্রমনে ৪০ লাখ টাকা সমমানের ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে বেড়ায়? এই যদি হয় এক পাতি সমন্বয়কের অবস্থা তাহলে এর হেডমাস্টাররা কত করে কামিয়েছে? মানুষ কি এগুলা বোঝেনা? সমন্বয়ক সহ

জুলাই বিপ্লবীদের সব থেকে শক্ত প্লাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক, এখানেও তাদের গ্রহনযোগ্যতা দিনে দিনে লাভ রিএক্টরের দিক থেকে হাহা রিএক্টের দিকে ঝুঁকছে। দ্বিচারিতার জন্য প্রায়দিনই অনলাইনে ব্যাশিংয়ের স্বীকার হচ্ছে। তো অনলাইনেই যদি এই অবস্থা দাঁড়ায় বাস্তবে জনসমর্থনের অবস্থা তো আরও শোচনীয়! তো এই হাহা রিএক্ট দিয়ে আরেকটা জুলাই নামানোর রিস্ক তারা কতটা নেবে এটা গভীর চিন্তার বিষয়! এরপর আসি মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় চ্যাপ্টার হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। ৫ আগস্টের পরে সর্বপ্রথম আঘাতটা আমরা দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মারকের উপর। এবং এই ধারাটা সেই প্রথম দিন থেকে পুরো ইন্টেরিমের আমলে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বজায় থেকেছে। সেদিন বিকালে যখন দেখলাম শেখ

মুজিব, ধানমন্ডি ৩২ সহ অন্যান্য স্বাধীনতার প্রতীক গুলোর উপর যেভাবে হা*মলা ও ধ্বং*সযজ্ঞ হচ্ছে ততক্ষনে আর বুঝতে বাকি ছিলোনা পরবর্তী সময় গুলোতে আর কি কি হতে যাচ্ছে। হয়েছেও তাই, একে একে মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় উঠেছে জুতার মালা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, স্ট্যাচু, নথি কিছুই বাদ যায়নি বিপ্লবীদের হাত থেকে। এখন আপনি বলতে পারেন ইতিহাস নিয়ে পড়ে থেকে কি লাভ। বর্তমান সময়ে এর আউটকাম কি? কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করেছেন যতই বিপ্লব আসুক না কেন, দিন শেষে বাংলাদেশের এক্সিস্টিং সকল দলই মুক্তিযুদ্ধের ক্রেডিটকে ক্যাশ করতে চায়? তখন রাজাকারের দল জামাতের আমিরও হয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, নিজে হয়ে যায় খোদ ছাত্রলীগ! বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারন

করার জন্য প্রত্যেকটা দলই ব্যপক ভাবে মরিয়া। এজন্য বিএনপি এখন লীগের থেকেও বেশি মুক্তিযুদ্ধকে ধারন করার ট্রাই করছে। পুরোনো সব হারাম হালালের প্রথা ভেঙে জামাত শিবির ফুল চড়িয়ে বেড়াচ্ছে স্মৃতিসৌধ-শহীদ মিনারে। মনে তো হচ্ছেনা বাংলার বুক থেকে মুক্তিযুদ্ধ কখনও মুছে যাবে! নিজেদের সুদ্ধিকরনের জন্য হলেও কেউ না কেউ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসাবে দেখানোর আপ্রান চেষ্টা করবেই। কিন্তু এদিক থেকে সব থেকে ব্যর্থ হয়েছে জুলাই বিপ্লবীরা, ওরা দায়িত্ব নিয়ে চব্বিশকে বারবার দাড় করিয়েছে একাত্তরের বিপরীতে। বারংবার হামলা চালিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গুলোর উপরে। যেটা চরম ভাবে ব্যকফায়ার করেছে। ওদের গায়ে যেভাবে পাকিস্তান পন্থার ট্যাগ লেগেছে ওরা চাইলেও এখন নিজেদের কোনও ভাবে বাংলাদেশপন্থি হিসাবে প্রমান করতে পারছে না। এটা আরও প্রবল ভাবে জেকে বসে যখন এনসিপি জামাতের সাথে জোট বাঁধে। যেই রাজাকার ট্যাগকে কাজে লাগিয়ে এতো বড় আন্দোলনের সূচনা সেই রাজাকার ট্যাগটা নিজেদের জন্য আরও পাকাপোক্ত করে নিয়েছে সমন্বয়ক গংরা। এখন অবস্থা এমন যে ওরাই একমাত্র এদেশে রাজাকারির ধারক ও বাহক। মানুষ এদের এখন অন্তত বাংলাদেশপন্থি হিসাবে আর বিলিভ করে না। শেখ মুজিব বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। শেখ হাসিনার পিতা কিংবা আওয়ামীলীগ হওয়ার কারনে তাকে যতই দলীয় করন করা হোক না কেন দিন শেষে তিনি সার্বজনীন ও পাকপন্থিদের গাত্রদাহের কারন। এজন্য দেখবেন দেশে যতবার পাকপন্থিদের উত্থান হয়েছে শেখ মুজিবের উপর আঘাত এসেছে। ততবার পাকিস্তান থেকে বাহবা এসেছে। কেন এসেছে? কারন পাকিস্তান ভাঙার জন্য তাকেই প্রধান দোষী ভাবে ওরা। আর যুগে যুগে অনেক নেতাই এসেছে কিন্তু দিন শেষে সবার সাথেই মুজিবের তুলনা হয়েছে, কনস্ট্যান্ট থেকে গেছে শেখ মুজিব। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবের উপর আক্রোশ দেখিয়ে আর যাই হোক কেউ এটলিস্ট নিজেকে কোনও ভাবেই বাংলাদেশ পন্থি হিসাবে প্রমান করতে পারবেনা। তো এখন তো জুলাইয়ের মত মুজিবের “দাবায় রাখতে পারবানা” স্লোগান দিয়ে মাঠে তো নামতে পারবানা, তাহলে আরকটা জুলাইয়ের সূচনা হবে কিভাবে? অন্যদিকে লীগের উপর হওয়া নির্যাতন ধরপাকড় হামলা মামলা যতটা না বিপ্লবীদের শক্তিশালী করেছে তার থেকে বহুগুন প্রাসঙ্গিক করেছে লীগকে। মানুষ সবসময় ভিক্টিমের পক্ষে দাড়ায়। ইন ফিউচার লীগ ট্যাগ দিয়ে রাস্তাঘাটে কেউকে হেনস্তা করে জুলাই বিপ্লবীরা আদতে কতটা সুবিধা করতে পারবে নাকি উলটো গন-দৌড়ানি খাবে সেটা নাহয় সময়ই বলে দিবে। এছাড়া ইলেকশনে জামাতের ভরাডুবির পরে জুলাই বিপ্লবীদের গ্রহনযোগ্যতা আরও কমে গিয়েছে৷ জামাত তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ আসন পেলেও এনসিপির সেখানে ভোট ছিলো মাত্র ৩.০৫ পার্সেন্ট এবং জুলাই বিপ্লবীদের প্রতিনিধিরা যেসব আসনে জিতেছে সেখানেও বিরোধীদলের তেমন কোনও হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলো না। নিজেদের এই ভরাডুবির ইলেকশনই প্রমান করে মাঠ পর্যায়ে তাদের একচুয়াল সমর্থন। তো নিজেদের প্রতিনিধিদের ব্যাপারে এমন একটা পরিক্ষিত রেজাল্ট পাওয়ার পরেও কে সাহস করবে আরেকটা বিপ্লব করার? বিনএনপির সমর্থন হারানোটাও এখানে একটা বিরাট ফ্যাক্টর। জুলাই আন্দোলনটা ছিলো সর্বশক্তি ভার্সেস লীগ৷ সেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে কর্মী হিসাব করলে বিএনপির সব থেকে বেশি। মাঠ পর্যায়ে জুলাই যোদ্ধারা যে বিএনপির কাছ থেকে একটা বড় ব্যাকআপ পেয়েছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিন্তু বায়বীয় ক্ষমতার দম্ভে যখন এরা বিএনপিকে ব্যাশিং শুরু করলো, ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের পিছন মারলো, বিএনপির হাই প্রোফাইল নেতাদের যাচ্ছেতাই হিসাবে ট্রিট করলো স্বাভাবিক ভাবেই বিএনপির সকল রকম ছায়াসমর্থনটাও হারালো। আর এটা আরও পাকাপাকি ভাবে প্রমান হলো বিএনপির হ্যাঁ ভোটকে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে। জুলাই বিপ্লবীরা ভালো করেই বুঝে গেছে বিএনপিকে তারা আর কোনও ভাবেই ব্যবহার করতে পারবে না। জুলাই যোদ্ধাদের সব থেকে বড় ক্ষতিটা করে গিয়েছে খোদ ড ইউনুস নিজেই। জুলাই বিপ্লবীদের জুলাই পরবর্তী পিপড়াসম ক্ষমতাকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে হাতি সম দেখানোর জন্য যা যা করা দরকার তিনি করেছে। তিনি জুলাই পরবর্তী প্রতিটা আন্দোলনে জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশ প্রোটেকশন দিয়ে আন্দোলনের একটা মেকি সফলতা দেখিয়েছে। হাদীকে দেবতা বানানোর প্রসেসটাও পুরোটা ইউনুসের ক্রেডিট। ইউনুস না থাকলে হাদিকে নিয়ে আন্দোলন আন্দোলন খেলাটাও এতো জমতো না। প্রপার ব্যাকআপের অভাবে হাদিও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখন যাকনা আরেকদিন হাদির নামে শাহবাগ দখল করতে। কি অবস্থা দাঁড়ায় দেখে নিয়েন! এছাড়া জুলাই বিপ্লবীরা ইউনুসের ছত্রছায়ায় সচিবালয় সহ সকল সরকারী অফিসে অবাধ বিচরন করেছে, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজেদের প্রয়োজনে এবিউজ করেছে গালাগালি করছে। জুলাই যোদ্ধাদের মাঝে ক্ষমতার এই রেশটা এখনও রয়ে গেছে, কিন্তু তাদের গড ফাদার এখন আর তাদের মাঝে নেই। চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মববাজি, পত্রিকা অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া থেকে এমন কোনও অপকর্ম নেই যে ড ইউনুসের ছত্র ছায়াতে জুলাই বিপ্লবীরা করেনি। এরা এখনও যেটুকু হম্বিতম্বি করে বেড়াচ্ছে আশা করি আগামি দুই এক মাসের মাঝে হানিমুন প্রিয়ডটা পুরোপুরি ভাবে কেটে যাবে। তখন বিপ্লবের দিবাস্বপ্নের ঘোর যেটুকও আছে তখন সেটুকোও অবশিষ্ট থাকবে বলে মনে হয়না। এর পরে বিল্পবের নামে সাধারন মানুষের জান মালের ক্ষতি করতে গেলে জনগন খাম্বার সাথে বেঁধে রাখলেও খুব একটা অবাক হবো না। এর সাথে এডিশনালি স্বাধীনতার পরে ইউনুসের সব থেকে ব্যার্থ সরকারের তকমাটা সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে জুলাই বিপ্লবীদের রিয়েল সিনারিও। বিপ্লব তখনই সুখের যখন দেশ ভালো চলে। মানুষ এখন নিজেরাই কনফিউজড জুলাই বিপ্লবীদের ব্যর্থতার দায় ইউনুসকে দিবে নাকি ইউনুস সরকারের ব্যর্থতার দায় জুলাই বিপ্লবীদের উপর দিবে। তবে যাই হোক বিগত ১৮ টা মাসের ব্যর্থতার দায় ঘুরেফিরে জুলাই বিপ্লবী ও ইউনুসের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বাংলাদেশের এমন কোনও সেক্টর অবশিষ্ট নেই যেখানে জুলাই বিপ্লবীরা ব্যর্থতার ছাপ রাখেনি। ইউনুসের অন্ধের দেশে বিক্রি করা চশমা গুলো অন্তত এই একটা কাজে লেগেছে। এরা যে একেকটা কত বড় মাপের মাইক কাঁপানো অপ*দার্থ ইউনুসের চশমাটা না হলে এই সত্যটা আমরা এতো ভালো ভাবে দেখতে পেতাম না। একটা সফল গনঅভ্যুত্থানের এমন অপমৃত্যু দেখানোর জন্য হলেও জুলাই বিপ্লবীরা প্রশংসার দাবিদার। তো জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সফল নায়কদের বিপ্লবের বাটপারির ফাঁদে মানুষ কি আরও একবার পড়বে? নাকি দিন শেষে ইনকিলাব মূর্দাবাদেই পরিনত হবে?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয় হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার! চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে আসা ফেরিওয়ালা ও তার রঙিন চশমার খদ্দেরেরা জুলাই শহীদ গেজেটঃ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় নোংরা রাজনীতি ও প্রতারণা! ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক আটক সাংবাদিকদের বিষয়ে ৬৩ বিশিষ্ট জনের উদ্বেগ প্রকাশ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে ভাঙনের সুর; ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা টাকার বস্তার বিনিময়ে খুনিদের রাজসাক্ষী বানাচ্ছে ‘তাজুল সিন্ডিকেট’! নিজ সহকর্মীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস নিজের মামীকে নিয়ে সংসার, বাংলামোটরে ধর্ষণ ও হাতিরঝিলে রড চুরি: ‘মাওরা সায়মন’-এর অন্ধকার জগত! ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আবু সাইয়ীদ সাগরসহ দেড় শতাধিক আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রস্তুতি সভা রূপ নিল মিলনমেলায়