অধিনায়কত্ব হারাতে পারেন শান মাসুদ, বিকল্প তালিকায় কারা? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ September, ২০২৪

অধিনায়কত্ব হারাতে পারেন শান মাসুদ, বিকল্প তালিকায় কারা?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ September, ২০২৪ |
শান মাসুদের টেস্ট অধিনায়কত্বের সময়টা খুব একটা সুখকর যাচ্ছে না। তার প্রথম দায়িত্ব ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দেওয়া। যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সেই সিরিজে পাকিস্তান ৩-০ ব্যবধানে হেরে যায়, যা ছিল শানের জন্য এক বিশাল ধাক্কা। এরপর পাকিস্তান দল নিজ মাঠে রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলে। তবে এখানেও হতাশাজনকভাবে পাকিস্তান ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে। প্রথম টেস্টে পাকিস্তান মাত্র ৩০ রানের লক্ষ্য দিয়ে হেরে যায় এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৮৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে ৬ উইকেটে পরাজিত হয়। এমন ভরাডুবি এবং পরপর সিরিজ হারের কারণে শান মাসুদের

অধিনায়কত্ব নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ, কিংবদন্তি এবং ভক্তরা তাকে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর দাবি তুলছেন। এমন প্রেক্ষাপটে শান মাসুদের বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে চার জনের নাম। তারা হলেন- সৌদ শাকিল সৌদ শাকিল বর্তমানে পাকিস্তান টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক। অধিনায়কত্বের জন্য অন্যতম প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ২৮ বছর বয়সি শাকিলকে ভবিষ্যতের অধিনায়ক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সহ-অধিনায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তার টেস্ট ক্যারিয়ার বেশ সফল। যেখানে তিনি ৫৬.৩০ গড়ে ১,১২৬ রান সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে তিনটি শতকও রয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতাও রয়েছে শাকিলের। যেখানে তিনি সিন্ধু দলকে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপের শিরোপা জেতাতে সাহায্য করেছেন। তবে আন্তর্জাতিক

স্তরে তার অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা এখনো সীমিত। তাই তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। মোহাম্মদ রিজওয়ান মোহাম্মদ রিজওয়ান তার বিশাল ঘরোয়া এবং পিএসএল অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী। তিনি পেশোয়ার এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার মতো দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে পাকিস্তান ‘এ’ দলের অধিনায়কও ছিলেন। ২০১৯ সালে বাবর আজমের পরিবর্তে তাকে টেস্ট অধিনায়কত্ব না দেওয়া হলেও, রিজওয়ান তার নেতৃত্বের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। বিশেষ করে সম্প্রতি ১৭১ রানের একটি বড় ইনিংস খেলেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। যদিও তার অধিনায়কত্বের সময়ে কিছু পরাজয়ও ছিল। তবে ডানহাতি এই উইকেটকিপার ব্যাটারের সাম্প্রতিক ফর্ম এবং ঘরোয়া ও পিএসএলে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে অধিনায়কত্বের জন্য উপযুক্ত

প্রার্থী করে তুলেছে। বাবর আজম বাবর আজম পাকিস্তানের অন্যতম সফল অধিনায়ক। তার নেতৃত্বে ২০ টেস্টের মধ্যে ১০টিতে জয় পেয়েছে। ২০২৩-২৫ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় ছিল তার অধিনায়কত্বের আরেকটি সফল অধ্যায়। তবে ২০২৩ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অনুরোধে তিনি অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। বাবরের ব্যাটিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে পুনরায় তাকে অধিনায়ক করার বিষয়ে কিছু উদ্বেগ রয়েছে। তবে তার সাফল্যের রেকর্ড এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে ফের অধিনায়কত্বের জন্য একটি সম্ভাব্য বিকল্প প্রার্থী করে তুলেছে। যদিও এটি পিসিবির ওপর নির্ভর করবে। তারা তাকে পুনরায় অধিনায়ক করতে চায় কিনা। শাহীন শাহ আফ্রিদি পাকিস্তানের গতিতারকা শাহীন শাহ আফ্রিদি টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে আরেকটি সম্ভাব্য

বিকল্প। যদিও তিনি তরুণ, তার নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক মনোভাব এবং বোলিং ইউনিটকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার ক্ষমতা তাকে টেস্ট নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত করে তুলেছে। বোলার হিসেবে তার অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা কম হলেও, তার ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ রাখার ক্ষমতা তাকে দায়িত্ব নেওয়ার উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। শান মাসুদের অধিনায়কত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। আর এর মধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেটের ভক্তরা অপেক্ষা করছেন নতুন নেতৃত্বের জন্য। যা দলকে আবারও সাফল্যের পথে নিয়ে যেতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) খুব শিগগিরই শান মাসুদের পরিবর্তে একজন স্থায়ী টেস্ট অধিনায়ক নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কে হবেন পাকিস্তানের পরবর্তী টেস্ট দলের নেতা, যিনি দলকে আরও সাফল্যের

পথে নিয়ে যাবেন। সূত্র: ক্রিকেট পাকিস্তান

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: তিতুমীর শ্রমিক আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থানে সরকারঃ পুলিশ ও দলীয়কর্মী ছাড়াও ২৫ প্লাটুন যৌথ বাহিনী মোতায়েন এবার কুয়েতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড এইচআরডব্লিউ: শেখ হাসিনাকে সমর্থন করায় শিক্ষকদের টার্গেট করা হচ্ছে, বাকস্বাধীনতা নেই দেশে জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত জেলহত্যা দিবস, সিলেটে নিষেধাজ্ঞা, মব-গ্রেফতার হুমকির মাথায় নিয়েই আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের স্মরণ জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে? সাফ সভাপতি আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ, তাই সাফ আয়োজনে প্রচারণা নেই বাফুফের বাপে মারছে সৈনিক, মায়ে মারছে কৃষক, পোলায় মারছে শ্রমিক’—এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। গতকাল মঙ্গলবারও এসব এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। আজ বুধবার সকালেও গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জে নতুন করে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্পাঞ্চলগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গাজীপুরে হামলায় গুরুতর আহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন। সোমবার গাজীপুরের জয়দেবপুরের বাহাদুরপুর এলাকায় নোমান টেরি টাওয়েল মিলসের সামনে সংঘর্ষের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করার সময় হামলার শিকার হন তিনি। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি গাজীপুরের লায়লা স্টাইল লিমিটেডের শ্রমিক ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর পর গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকার কয়েকটি কারখানায় গতকাল ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজারদরে প্রচলিত ন্যূনতম মজুরিতে সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বাড়িভাড়া, খাবার, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সংকটে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। এ অবস্থায় মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে হয়রানি, শ্রমিকদের ওপর হামলা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় চাকরিচ্যুতির অভিযোগেরও প্রতিকার চাইছেন শ্রমিকরা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার সাইনবোর্ড, বাংলাবাজার ও মির্জাপুর এলাকায় দুই থেকে চার হাজার শ্রমিক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। জয়দেবপুর, সালনা, রাজেন্দ্রপুর ও শফিপুর এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বাংলাবাজার ও কাশিমপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। গাজীপুরের বোর্ডবাজারের বড়বাড়ী এলাকাতেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। তাঁদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর পর বাংলাবাজার এলাকার কয়েকটি কারখানায় বুধবারও ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে কতটি কারখানা বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সাভারের হেমায়েতপুরেও আজ সকালে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। শ্রমিকদের অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার হেমায়েতপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। দুপুর থেকে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলা অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পরে শ্রমিকরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়ও আজ বুধবার নতুন করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কের পাশে কুতুবাইল কাঠেরপুল এলাকায় জড়ো হন কয়েকটি কারখানার শ্রমিক। তাঁরা মূল সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাঁদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসে স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাজধানীর মিরপুরেও গতকাল মঙ্গলবার শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে কালশী সড়কে এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের কারণে মেট্রোরেল চলাচলেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। নিরাপত্তার কারণে মিরপুর-১০ স্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা ট্রেন থামানো বন্ধ রাখা হয়। আজ বুধবার মিরপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের দাবি, বুধবার শ্রমিকদের সড়কে নামার সুযোগ হয়নি এবং অনেক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলছে। এদিকে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দৈনিক বাংলার প্রকাশিত বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার ৩০৬টি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৩ শ্রমিকের কাজ ব্যাহত হয়। এর আগে ১ নভেম্বর ৫২৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছিল এবং কর্মস্থল ছেড়েছিলেন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৯০ জন শ্রমিক। অর্থাৎ আন্দোলনের প্রভাবে একাধিক শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ বুধবার সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে মোট ২৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, সাভারের হেমায়েতপুর, আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় পাঁচ প্লাটুন, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১৩ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছয় প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। এর পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও শিল্পাঞ্চলে টহল দিচ্ছেন। এদিকে শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ছয় সদস্যের এ বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বুধবার। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দ আজাদ সোবহানি। মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন এ বি এম সামসুদ্দিন ও আসিব আইয়ুব। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাবুল আক্তার ও আনোয়ার হোসেন। শ্রমিকদের প্রত্যাশা, নতুন মজুরি বোর্ড দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে। তবে বোর্ড গঠনের পরও আন্দোলন থামেনি; বরং রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন, সরবরাহ ও রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একদিকে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের ক্ষোভ, অন্যদিকে কারখানার উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার চাপ—সব মিলিয়ে তৈরি পোশাক খাতের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিএনপির সন্ত্রাসীদের নিপীড়নের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করা হয়, জানান সহকর্মীরা ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহান চৌধুরীঃ ২৭ মাস সমঝোতা করেও শেষ রক্ষা হলোনা শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টার বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাফের ‘প্লে অন পিরিয়ড’ প্রকল্পের পার্টনার সেনোরা চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করবেন ট্রাম্প মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত টমাস জোন্সের নামে নিউইয়র্কের সৈকত ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগে বিনিয়োগ বাড়বে, বললেন ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অসন্তোষ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সোয়াল