ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
হেঁটে যাচ্ছিলেন যুবক, গুলি চালিয়ে হত্যা করল তিন দুর্বৃত্ত
পাওনা টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে মেরে মাটিচাপা
ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা–বাবার টানাটানিতে হিমঘরে লাশ
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুতে আওয়ামীলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা এলাকায় আতঙ্ক
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও প্রাণনাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
হাটহাজারীতে সেনা প্রশিক্ষণে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনাঃ ট্যাঙ্কের গোলাবর্ষণে ২ সৈনিকের মৃত্যু, আহত ১
৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি কক্সবাজার মহাসড়কে বাস থামিয়ে লুটে নেওয়া ৫৭ লাখ টাকা
কক্সবাজারের টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কে চলন্ত যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে দুই বিকাশ এজেন্টের ওপর হামলা চালিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার চার দিন পার হলেও এখনো লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
একই সঙ্গে ঘটনার পেছনে সুপরিকল্পিত কোনো চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গত ২রা আগস্ট দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া এলাকার ১৪ নম্বর সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাসটি দমদমিয়া এলাকায় পৌঁছালে সড়কের ওপর গাছের গুঁড়ি ও পেরেকযুক্ত কাঠ ফেলে এর গতি থামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর পাহাড় থেকে নেমে আসা ৮ থেকে ১০ জন
মুখোশধারী ও অস্ত্রধারী ব্যক্তি বাসটি ঘিরে ফেলে। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। এরপর ডাকাত দলের কয়েকজন বাসে উঠে নির্দিষ্টভাবে বিকাশের দুই প্রতিনিধিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরমান নামে এক প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত এবং একরাম হোছেনকে মারধর করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে মোট ৫৭ লাখ টাকা ভর্তি দুটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে ডাকাতরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। তবে একই বাসে থাকা করিম নামে অপর এক প্রতিনিধির কাছে থাকা প্রায় ২৫ লাখ টাকা লুটের হাত থেকে রক্ষা পায় বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তে বেশ কয়েকটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, বাসটির পেছনে একটি অটোরিকশায় থাকা বোরকা
পরা এক নারী ডাকাত দলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পর ওই অটোরিকশাটি দ্রুত কক্সবাজারের দিকে চলে যায়। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ডাকাতরা অন্য যাত্রীদের কোনো ক্ষতি না করে সরাসরি অর্থ বহনকারী প্রতিনিধিদের লক্ষ্যবস্তু করায় ঘটনাটিকে পরিকল্পিত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বাসের চালক, হেলপার কিংবা কোনো যাত্রীর সঙ্গে ডাকাত দলের যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকাতদের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং তারা কক্সবাজার অঞ্চলের স্থানীয় উপভাষায় কথা বলছিল। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, বাসটি অনুসরণ করা ওই
নারী, বাসের চালক-হেলপার এবং কোনো যাত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আহত বিকাশ প্রতিনিধি একরাম হোছেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আহতদের প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। দিনদুপুরে ব্যস্ত আঞ্চলিক মহাসড়কে সংঘটিত এ দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং লুট হওয়া অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মুখোশধারী ও অস্ত্রধারী ব্যক্তি বাসটি ঘিরে ফেলে। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। এরপর ডাকাত দলের কয়েকজন বাসে উঠে নির্দিষ্টভাবে বিকাশের দুই প্রতিনিধিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরমান নামে এক প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত এবং একরাম হোছেনকে মারধর করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে মোট ৫৭ লাখ টাকা ভর্তি দুটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে ডাকাতরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। তবে একই বাসে থাকা করিম নামে অপর এক প্রতিনিধির কাছে থাকা প্রায় ২৫ লাখ টাকা লুটের হাত থেকে রক্ষা পায় বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তে বেশ কয়েকটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, বাসটির পেছনে একটি অটোরিকশায় থাকা বোরকা
পরা এক নারী ডাকাত দলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পর ওই অটোরিকশাটি দ্রুত কক্সবাজারের দিকে চলে যায়। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ডাকাতরা অন্য যাত্রীদের কোনো ক্ষতি না করে সরাসরি অর্থ বহনকারী প্রতিনিধিদের লক্ষ্যবস্তু করায় ঘটনাটিকে পরিকল্পিত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বাসের চালক, হেলপার কিংবা কোনো যাত্রীর সঙ্গে ডাকাত দলের যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকাতদের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং তারা কক্সবাজার অঞ্চলের স্থানীয় উপভাষায় কথা বলছিল। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, বাসটি অনুসরণ করা ওই
নারী, বাসের চালক-হেলপার এবং কোনো যাত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আহত বিকাশ প্রতিনিধি একরাম হোছেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আহতদের প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। দিনদুপুরে ব্যস্ত আঞ্চলিক মহাসড়কে সংঘটিত এ দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং লুট হওয়া অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



