৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৪
     ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৪ | ১০:৪৭ 205 ভিউ
রকেট হামলার মাধ্যমে তিনটি ইসরাইলি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। ট্যাংকগুলো লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রাম মারুন আল-রাসের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় রকেট হামলার শিকার হয়। বুধবার এক বিবৃতিতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা ইসরাইলি মেরকাভা ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যেগুলো মারুন আল-রাস নামক গ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। হিজবুল্লাহর সর্বশেষ এ হামলাটি লেবাননের সীমান্ত এলাকায় চলমান সংঘাতের মধ্যেই ঘটেছে। যেখানে হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হিজবুল্লাহ এর আগে এক বিবৃতিতে জানায় যে, তাদের যোদ্ধারা অধিকৃত ফিলিস্তিনের উত্তরে ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি ও অবৈধ বসতিগুলো লক্ষ্য করে ৫০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। বুধবার আল-মায়াদিন টেলিভিশন জানায়, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, বুধবার

লেবানন থেকে ইসরাইলি অবস্থানে ৫০টি রকেট ছোঁড়া হয়েছে। যেগুলো লেবাননে ইসরাইলি আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে ছোঁড়া হয়েছে। ইসরাইলি চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, আল-মুতলা বসতিতে চালানো এ হামলায় অন্তত ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে, বুধবার সকালে একাধিক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করে যে, তাদের যোদ্ধারা শোমেরা ক্যাম্প, শতুলা এবং মিসগাভ আম বসতির সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে গাজার খান ইউনিস শহরে ইসরাইলি বাহিনী প্রবেশ করে আক্রমণ চালায়। মানা, আল-মানারা, এবং আল-সালাম এলাকাগুলো থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করার পর ওইসব এলাকা থেকে ৪০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত ৩৬১ দিনে গাজায় ইসরাইলি সামরিক আক্রমণে ৪১,৬৩৮ জন ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। ইসরাইলি

বাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই থেকে গাজার ৭০ শতাংশ আবাসিক ভবন এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলের বাসিন্দারা নজিরবিহীন মানবিক সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং সম্পূর্ণ অবরোধের শিকার হয়েছে। ইসরাইল সরকার স্বীকার করেছে যে, প্রায় এক বছর ধরে চলা আগ্রাসন সত্ত্বেও তারা হামাসকে ধ্বংস এবং গাজায় আটক ইসরাইলিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই ও ইরনা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত? ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণকারীরা আশা করেননি যে সমুদ্র সৈকত এতটা সুন্দর হবে গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়, The Persecution Report accountability in Bangladesh under the interim administration led by Nobel laureate Muhammad Yunus. কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন! জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন? Bail, Then Re-Arrested: Prison Gates Turned Into Tools of Political Vengeance গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Biased Election, Broken Democracy এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ