৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৪

৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৪ |
রকেট হামলার মাধ্যমে তিনটি ইসরাইলি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। ট্যাংকগুলো লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রাম মারুন আল-রাসের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় রকেট হামলার শিকার হয়। বুধবার এক বিবৃতিতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা ইসরাইলি মেরকাভা ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যেগুলো মারুন আল-রাস নামক গ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। হিজবুল্লাহর সর্বশেষ এ হামলাটি লেবাননের সীমান্ত এলাকায় চলমান সংঘাতের মধ্যেই ঘটেছে। যেখানে হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হিজবুল্লাহ এর আগে এক বিবৃতিতে জানায় যে, তাদের যোদ্ধারা অধিকৃত ফিলিস্তিনের উত্তরে ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি ও অবৈধ বসতিগুলো লক্ষ্য করে ৫০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। বুধবার আল-মায়াদিন টেলিভিশন জানায়, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, বুধবার

লেবানন থেকে ইসরাইলি অবস্থানে ৫০টি রকেট ছোঁড়া হয়েছে। যেগুলো লেবাননে ইসরাইলি আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে ছোঁড়া হয়েছে। ইসরাইলি চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, আল-মুতলা বসতিতে চালানো এ হামলায় অন্তত ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে, বুধবার সকালে একাধিক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করে যে, তাদের যোদ্ধারা শোমেরা ক্যাম্প, শতুলা এবং মিসগাভ আম বসতির সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে গাজার খান ইউনিস শহরে ইসরাইলি বাহিনী প্রবেশ করে আক্রমণ চালায়। মানা, আল-মানারা, এবং আল-সালাম এলাকাগুলো থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করার পর ওইসব এলাকা থেকে ৪০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত ৩৬১ দিনে গাজায় ইসরাইলি সামরিক আক্রমণে ৪১,৬৩৮ জন ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। ইসরাইলি

বাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই থেকে গাজার ৭০ শতাংশ আবাসিক ভবন এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলের বাসিন্দারা নজিরবিহীন মানবিক সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং সম্পূর্ণ অবরোধের শিকার হয়েছে। ইসরাইল সরকার স্বীকার করেছে যে, প্রায় এক বছর ধরে চলা আগ্রাসন সত্ত্বেও তারা হামাসকে ধ্বংস এবং গাজায় আটক ইসরাইলিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই ও ইরনা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের ফাতাহ কমব্যাট ও আরও অনেকে: জঙ্গি অবমুক্তকরণ, ধর্মীয় লেবাসের প্রতি সহানুভূতি ও ইন্টেরিম সরকারের দায়মুক্তির বিষফল “আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি রুমিন: জুলাই-আগষ্টে আমরা প্রতারিত হয়েছি, আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ–আন্দোলন হবে না বিশ্বকাপ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলারের রহস্যজনক মৃত্যু প্রভাবশালীদের মাছের ঘের রক্ষায় স্লুইসগেট বন্ধ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে দীর্ঘায়িত বন্যা দেশে বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, তবু বিশ্বজুড়ে ২৫টি দেশে ১৩৪টি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ ৬ মাসে সড়কে ঝরল ৩৬০ শিক্ষার্থীর প্রাণ: তবুও কেন ‘নিরাপদ সড়ক’ আন্দোলন হয় না? প্রতিদিনের ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই ডেকে আনছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অধ্যাপক ড. মজিবুল হক দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা নেই ২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে? শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন যেই মানবপাচার সিন্ডিকেট হোতার গ্রেফতার চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার, মালয়েশিয়া সফরে তার সাথেই সাক্ষাত করলেন তারেক রহমান যশোরে বিএনপি-জামায়াতের মব সন্ত্রাসে আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যু গত ৩ বছরের হিসাবে ২০২৬ এর প্রথম প্রান্তিকে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে যথাক্রমে ৫৮.৪৭% ও ৭০.৩৪% নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে? ডিসেম্বরে দেশে ফিরে নেতাকর্মীসহ ‘আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা’ হাসিনার