ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রণধীর জয়সওয়াল: বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় উদ্বেগ, কড়া নজর রাখছে ভারত
ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকার নেওয়ায় স্কাই স্পোর্টসকে ম্যাচ বর্জনের হুমকি পাকিস্তানের
নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯, এখনো পর্যটকসহ নিখোঁজ অন্তত ৮২৬
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র চুক্তির সিদ্ধান্ত, কড়া হুঁশিয়ারি কিমের
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ ৪০৩
নেপালে আকস্মিক বন্যা, যা বললেন বিশ্বনেতারা
ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ড্রোন পাঠাল চীন
সৌদিতে অনেক খালি জায়গা, সেখানে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন করুন: নেতানিয়াহু
সৌদি আরবের উচিত তাদের নিজ ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন করা, কারণ দেশটিতে প্রচুর খালি জায়গা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) চ্যানেল ১৪ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।খবর জেরুজালেম পোস্টের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পূর্বশর্ত হিসেবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথা জানিয়েছে সৌদি আরব। এই শর্ত নিয়ে কোনও দরকষাকষি সম্ভব নয়, বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে রিয়াদ।
এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, আমি এমন কোনও চুক্তিতে যাব না, যা রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলকে বিপদে ফেলবে। বিশেষত ৭ অক্টোবর পরবর্তী পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনায় সায় দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি বলেন, ‘আপনারা কি
জানেন, সেটা কি? একটা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছিল। সেটার নাম গাজা। গাজার নেতৃত্বে ছিল হামাস, তারাই এই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করতো। আর দেখুন আমরা সেখান থেকে কি পেয়েছি—হলোকাস্টের পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা। ’ গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গাজা নিয়ে ন্যক্কারজনক মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র গাজা ‘দখল’ করবে এবং এটি পুনর্গঠন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই উপত্যকা পুনর্নির্মাণ করে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো হবে, যা বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান ও আবাসন সৃষ্টি করবে। সংবাদ সম্মেলনের অল্প সময় পর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের আগে ইসরাইলের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়।
জানেন, সেটা কি? একটা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছিল। সেটার নাম গাজা। গাজার নেতৃত্বে ছিল হামাস, তারাই এই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করতো। আর দেখুন আমরা সেখান থেকে কি পেয়েছি—হলোকাস্টের পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা। ’ গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গাজা নিয়ে ন্যক্কারজনক মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র গাজা ‘দখল’ করবে এবং এটি পুনর্গঠন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই উপত্যকা পুনর্নির্মাণ করে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো হবে, যা বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান ও আবাসন সৃষ্টি করবে। সংবাদ সম্মেলনের অল্প সময় পর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের আগে ইসরাইলের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়।



