ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সেচ্ছাসেবক দলের নেতা বগাকে ধরতে অভিযানে বাধা ডা. শাহাদাতের
‘ব্যবসা করতে হলে টাকা দে’: কুমিল্লায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর পা ভাঙল যুবদল নেতা
বিএনপি ও গণঅধিকারের দখলে বিএলএফ প্রধান শেখ মনির দৈনিক বাংলার বাণী ভবন
সুনামগঞ্জে চাঁদাবাজির সময় জামায়াতের রোকন ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধিকে গণধোলাই
কুমিল্লায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ: যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা
বাসা থেকে মব করে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শারমিনকে আটক, প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ
আওয়ামী লীগের ঠেকানোর মিছিল করতে গিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দায় চাপল বিএনপির গুপ্তদের ঘাড়ে
রাজনীতি করব কিনা তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে
বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সেক্রেটারি এস এম ফরহাদ। একই সঙ্গে ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি শিবির করবে কি-না তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে বলে তিনি জানান। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাবির টিএসসিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ফরহাদ বলেন, আমরা সভাপতি ও সেক্রেটারি আত্মপ্রকাশ করেছি এবং খুব শিগগিরই আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করবো। আমাদের কিছু সময় প্রয়োজন।
শিবিরের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলে যেমন ক্যান্ডিডেটরা পদের জন্য দাঁড়িয়ে যান সেখানে আমাদের শিবিরে তার কর্মী পর্যায় থেকে জনশক্তিরা সেটা নির্ধারণ করে দেয়। তারাই বলে দেয়
আমরা তাকে সভাপতি বা সেক্রেটারি হিসেবে চাই। এখানে অন্য কোনো অথরিটি নাই। ছাত্রশিবির রগকাটে কি-না, জানতে চাইলে বলেন, আপনি রগকাটা নিয়ে গুগলে সার্চ দেবেন, দেখবেন শিবিরের বিরুদ্ধে এমন কোনো ডকুমেন্টস পান কি-না। যা পাবেন সব ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পাবেন। ফ্যাসিবাদ দীর্ঘদিন ধরে একটা বিষয় প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে। কথা বললে, শিবির ট্যাগ দিয়ে মেরে ফেলবে। সুতরাং কেউ সমর্থন না করলেও বিরোধীতা করতে পারে নাই। সামগ্রিক ইফোর্ট দিয়ে তারা এটা প্রতিষ্ঠিত করেছে। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি-না। সবকিছু প্রশাসন ঠিক করবে। তারপর ছাত্ররাজনীতির পরিবর্তিত রূপ চালু হবে। বহির্বিশ্বের কাছে কেন আপনাদের নিষিদ্ধ সংগঠন
বলে প্রচার করে আসছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পরে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তারা ফ্যাসিবাদ কায়েমের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়কে বাধা মনে করেছে। তার মধ্যে প্রথম হলো সেনাবাহিনী। তাই তারা বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এরপর তারা শিবিরকে তাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা মনে করে আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে। শিবিরের এমন কোনো লেয়ার নেই যেখানে হামলা হয়নি। শিবির সভাপতিকে কারণ ছাড়া টানা ৫৬ দিন রিমান্ডে নিয়েছে। এমনকি নামাজের সময়ও ছাত্রলীগ হামলা করেছে। শিক্ষার্থীরা শিবিরকে কীভাবে গ্রহণ করেছে, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বলে রাখা ভালো, ফ্যাসিবাদ দুটি বিষয় কায়েম করেছে, প্রথমত, শিবিরের সব অফিস বন্ধ করে তাদের কার্যক্রম
বন্ধ করেছে। দ্বিতীয়ত, শিবিরের প্রতি ভীতি তৈরি করেছে। আমাদের আত্মপ্রকাশের পর এই ভিত্তি ভেঙে গেছে। প্রায় সব শিক্ষার্থী আমাদের পজেটিভলি গ্রহণ করেছে। যারা আমাদের দীর্ঘ ৫ বছর ধরে দেখেছে, আমাদের আচরণ, ব্যক্তিত্ব দেখেছে তারা অনলাইনে ফিডব্যাক দিচ্ছে। বড় একটা জেনারেশন শিবিরকে চেনে না, এ ব্যাপারে আপনাদের উদ্যোগ কী হতে পারে? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের আত্মপ্রকাশই বড় একটা উদ্যোগ। আপনারা যদি সার্ভে করেন, দেখতে পারবেন প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী আমাদের ব্যাপারে পজেটিভ ধারণা পোষণ করে। আমাদের বিরুদ্ধে যে বয়ান ছিল সেটাকে তারা মিথ্যা বলেই ধরে নিয়েছে। ফরহাদ বলেন, কোন দল কী বলল সেটার ওপর আমাদের রাজনীতি করা বা না করা
নির্ভর করে না। কোনো দল চাইলে আমরা রাজনীতি করব আর কেউ না চাইলে রাজনীতি করব না সেটার সুযোগ নেই। দেশে আমরা রাজনীতি করব কি-না সেটা নির্ধারণ করবে প্রশাসন। আর আমরা ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি করব কি-না তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ভেতরে থেকে শিবির শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বলব, শুধু ভাসা ভাসা তথ্য দিয়ে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এমন কথা বলবেন না। এমন যদি কখনো হয়ে থাকে আপনারা প্রমাণ পান সেটা আমাদের দেবেন। যেখানে বিগত বছরগুলোতে শিবির সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে, শিবির সবচেয়ে মজলুম সংগঠন, সেখানে প্রমাণ ছাড়া এমন প্রশ্ন করা ভ্যালিড নয়। ‘শিবির যখন মার
খেত তখন কোনো দল কথা না বললেও এখন শিবিরের আত্মপ্রকাশে তারা বিরুদ্ধে কথা বলছে’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরহাদ বলেন, আমাদের ওপর নির্যাতনের সময় আমাদের পক্ষে কেউ একেবারেই কথা বলেনি এমন নয়। কিছু সুবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন যারা শিবিরের উপর টর্চারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এখন অনেকেই আমাদের বিরুদ্ধে বলছেন, তাদের বলব, কোন ভাসা ভাসা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে না বরং শিক্ষার্থীরা কী চায়, আসলেই শিবির কেমন সেটা জেনে বুঝে কথা বলবেন। এই আন্দোলনে যেমন সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে অংশ নিয়েছিলেন, সামনেও এ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা করি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত
আন্দোলন ছিল না। এখানে সকল দল মত নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। একটা কমন টার্গেটে সবাই মাঠে ছিল। প্রথমে সেটা কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল, পরে শিক্ষার্থীরা শহীদদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। এরপর সেই দাবি মেনে না নেওয়ায় সরকার পতনের আন্দোলন হয়েছে। এখানে কোনো দলের আলাদা ক্রেডিট নেওয়ার সুযোগ নেই।
আমরা তাকে সভাপতি বা সেক্রেটারি হিসেবে চাই। এখানে অন্য কোনো অথরিটি নাই। ছাত্রশিবির রগকাটে কি-না, জানতে চাইলে বলেন, আপনি রগকাটা নিয়ে গুগলে সার্চ দেবেন, দেখবেন শিবিরের বিরুদ্ধে এমন কোনো ডকুমেন্টস পান কি-না। যা পাবেন সব ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পাবেন। ফ্যাসিবাদ দীর্ঘদিন ধরে একটা বিষয় প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে। কথা বললে, শিবির ট্যাগ দিয়ে মেরে ফেলবে। সুতরাং কেউ সমর্থন না করলেও বিরোধীতা করতে পারে নাই। সামগ্রিক ইফোর্ট দিয়ে তারা এটা প্রতিষ্ঠিত করেছে। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি-না। সবকিছু প্রশাসন ঠিক করবে। তারপর ছাত্ররাজনীতির পরিবর্তিত রূপ চালু হবে। বহির্বিশ্বের কাছে কেন আপনাদের নিষিদ্ধ সংগঠন
বলে প্রচার করে আসছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পরে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তারা ফ্যাসিবাদ কায়েমের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়কে বাধা মনে করেছে। তার মধ্যে প্রথম হলো সেনাবাহিনী। তাই তারা বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এরপর তারা শিবিরকে তাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা মনে করে আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে। শিবিরের এমন কোনো লেয়ার নেই যেখানে হামলা হয়নি। শিবির সভাপতিকে কারণ ছাড়া টানা ৫৬ দিন রিমান্ডে নিয়েছে। এমনকি নামাজের সময়ও ছাত্রলীগ হামলা করেছে। শিক্ষার্থীরা শিবিরকে কীভাবে গ্রহণ করেছে, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বলে রাখা ভালো, ফ্যাসিবাদ দুটি বিষয় কায়েম করেছে, প্রথমত, শিবিরের সব অফিস বন্ধ করে তাদের কার্যক্রম
বন্ধ করেছে। দ্বিতীয়ত, শিবিরের প্রতি ভীতি তৈরি করেছে। আমাদের আত্মপ্রকাশের পর এই ভিত্তি ভেঙে গেছে। প্রায় সব শিক্ষার্থী আমাদের পজেটিভলি গ্রহণ করেছে। যারা আমাদের দীর্ঘ ৫ বছর ধরে দেখেছে, আমাদের আচরণ, ব্যক্তিত্ব দেখেছে তারা অনলাইনে ফিডব্যাক দিচ্ছে। বড় একটা জেনারেশন শিবিরকে চেনে না, এ ব্যাপারে আপনাদের উদ্যোগ কী হতে পারে? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের আত্মপ্রকাশই বড় একটা উদ্যোগ। আপনারা যদি সার্ভে করেন, দেখতে পারবেন প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী আমাদের ব্যাপারে পজেটিভ ধারণা পোষণ করে। আমাদের বিরুদ্ধে যে বয়ান ছিল সেটাকে তারা মিথ্যা বলেই ধরে নিয়েছে। ফরহাদ বলেন, কোন দল কী বলল সেটার ওপর আমাদের রাজনীতি করা বা না করা
নির্ভর করে না। কোনো দল চাইলে আমরা রাজনীতি করব আর কেউ না চাইলে রাজনীতি করব না সেটার সুযোগ নেই। দেশে আমরা রাজনীতি করব কি-না সেটা নির্ধারণ করবে প্রশাসন। আর আমরা ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি করব কি-না তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ভেতরে থেকে শিবির শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বলব, শুধু ভাসা ভাসা তথ্য দিয়ে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এমন কথা বলবেন না। এমন যদি কখনো হয়ে থাকে আপনারা প্রমাণ পান সেটা আমাদের দেবেন। যেখানে বিগত বছরগুলোতে শিবির সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে, শিবির সবচেয়ে মজলুম সংগঠন, সেখানে প্রমাণ ছাড়া এমন প্রশ্ন করা ভ্যালিড নয়। ‘শিবির যখন মার
খেত তখন কোনো দল কথা না বললেও এখন শিবিরের আত্মপ্রকাশে তারা বিরুদ্ধে কথা বলছে’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরহাদ বলেন, আমাদের ওপর নির্যাতনের সময় আমাদের পক্ষে কেউ একেবারেই কথা বলেনি এমন নয়। কিছু সুবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন যারা শিবিরের উপর টর্চারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এখন অনেকেই আমাদের বিরুদ্ধে বলছেন, তাদের বলব, কোন ভাসা ভাসা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে না বরং শিক্ষার্থীরা কী চায়, আসলেই শিবির কেমন সেটা জেনে বুঝে কথা বলবেন। এই আন্দোলনে যেমন সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে অংশ নিয়েছিলেন, সামনেও এ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা করি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত
আন্দোলন ছিল না। এখানে সকল দল মত নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। একটা কমন টার্গেটে সবাই মাঠে ছিল। প্রথমে সেটা কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল, পরে শিক্ষার্থীরা শহীদদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। এরপর সেই দাবি মেনে না নেওয়ায় সরকার পতনের আন্দোলন হয়েছে। এখানে কোনো দলের আলাদা ক্রেডিট নেওয়ার সুযোগ নেই।





