রাজনীতি করব কিনা তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ September, ২০২৪

আরও খবর

বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের ভূমিকা তদন্তের দাবি, ওয়াশিংটনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর Newsmax-এ বিশেষ কলাম

জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত জেলহত্যা দিবস, সিলেটে নিষেধাজ্ঞা, মব-গ্রেফতার হুমকির মাথায় নিয়েই আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের স্মরণ

জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে?

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অসন্তোষ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সোয়াল

জগন্নাথ হলে মব করে ছাত্রলীগ নেতা অর্ক সাহাকে থানায় দিল ছাত্রদল

রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান

রাজনীতি করব কিনা তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ September, ২০২৪ |
বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সেক্রেটারি এস এম ফরহাদ। একই সঙ্গে ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি শিবির করবে কি-না তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে বলে তিনি জানান। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাবির টিএসসিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ফরহাদ বলেন, আমরা সভাপতি ও সেক্রেটারি আত্মপ্রকাশ করেছি এবং খুব শিগগিরই আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করবো। আমাদের কিছু সময় প্রয়োজন। শিবিরের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলে যেমন ক্যান্ডিডেটরা পদের জন্য দাঁড়িয়ে যান সেখানে আমাদের শিবিরে তার কর্মী পর্যায় থেকে জনশক্তিরা সেটা নির্ধারণ করে দেয়। তারাই বলে দেয়

আমরা তাকে সভাপতি বা সেক্রেটারি হিসেবে চাই। এখানে অন্য কোনো অথরিটি নাই। ছাত্রশিবির রগকাটে কি-না, জানতে চাইলে বলেন, আপনি রগকাটা নিয়ে গুগলে সার্চ দেবেন, দেখবেন শিবিরের বিরুদ্ধে এমন কোনো ডকুমেন্টস পান কি-না। যা পাবেন সব ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পাবেন। ফ্যাসিবাদ দীর্ঘদিন ধরে একটা বিষয় প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে। কথা বললে, শিবির ট্যাগ দিয়ে মেরে ফেলবে। সুতরাং কেউ সমর্থন না করলেও বিরোধীতা করতে পারে নাই। সামগ্রিক ইফোর্ট দিয়ে তারা এটা প্রতিষ্ঠিত করেছে। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি-না। সবকিছু প্রশাসন ঠিক করবে। তারপর ছাত্ররাজনীতির পরিবর্তিত রূপ চালু হবে। বহির্বিশ্বের কাছে কেন আপনাদের নিষিদ্ধ সংগঠন

বলে প্রচার করে আসছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পরে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তারা ফ্যাসিবাদ কায়েমের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়কে বাধা মনে করেছে। তার মধ্যে প্রথম হলো সেনাবাহিনী। তাই তারা বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এরপর তারা শিবিরকে তাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা মনে করে আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে। শিবিরের এমন কোনো লেয়ার নেই যেখানে হামলা হয়নি। শিবির সভাপতিকে কারণ ছাড়া টানা ৫৬ দিন রিমান্ডে নিয়েছে। এমনকি নামাজের সময়ও ছাত্রলীগ হামলা করেছে। শিক্ষার্থীরা শিবিরকে কীভাবে গ্রহণ করেছে, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বলে রাখা ভালো, ফ্যাসিবাদ দুটি বিষয় কায়েম করেছে, প্রথমত, শিবিরের সব অফিস বন্ধ করে তাদের কার্যক্রম

বন্ধ করেছে। দ্বিতীয়ত, শিবিরের প্রতি ভীতি তৈরি করেছে। আমাদের আত্মপ্রকাশের পর এই ভিত্তি ভেঙে গেছে। প্রায় সব শিক্ষার্থী আমাদের পজেটিভলি গ্রহণ করেছে। যারা আমাদের দীর্ঘ ৫ বছর ধরে দেখেছে, আমাদের আচরণ, ব্যক্তিত্ব দেখেছে তারা অনলাইনে ফিডব্যাক দিচ্ছে। বড় একটা জেনারেশন শিবিরকে চেনে না, এ ব্যাপারে আপনাদের উদ্যোগ কী হতে পারে? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের আত্মপ্রকাশই বড় একটা উদ্যোগ। আপনারা যদি সার্ভে করেন, দেখতে পারবেন প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী আমাদের ব্যাপারে পজেটিভ ধারণা পোষণ করে। আমাদের বিরুদ্ধে যে বয়ান ছিল সেটাকে তারা মিথ্যা বলেই ধরে নিয়েছে। ফরহাদ বলেন, কোন দল কী বলল সেটার ওপর আমাদের রাজনীতি করা বা না করা

নির্ভর করে না। কোনো দল চাইলে আমরা রাজনীতি করব আর কেউ না চাইলে রাজনীতি করব না সেটার সুযোগ নেই। দেশে আমরা রাজনীতি করব কি-না সেটা নির্ধারণ করবে প্রশাসন। আর আমরা ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি করব কি-না তা শিক্ষার্থীরা নির্ধারণ করবে। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ভেতরে থেকে শিবির শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বলব, শুধু ভাসা ভাসা তথ্য দিয়ে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এমন কথা বলবেন না। এমন যদি কখনো হয়ে থাকে আপনারা প্রমাণ পান সেটা আমাদের দেবেন। যেখানে বিগত বছরগুলোতে শিবির সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে, শিবির সবচেয়ে মজলুম সংগঠন, সেখানে প্রমাণ ছাড়া এমন প্রশ্ন করা ভ্যালিড নয়। ‘শিবির যখন মার

খেত তখন কোনো দল কথা না বললেও এখন শিবিরের আত্মপ্রকাশে তারা বিরুদ্ধে কথা বলছে’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরহাদ বলেন, আমাদের ওপর নির্যাতনের সময় আমাদের পক্ষে কেউ একেবারেই কথা বলেনি এমন নয়। কিছু সুবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন যারা শিবিরের উপর টর্চারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এখন অনেকেই আমাদের বিরুদ্ধে বলছেন, তাদের বলব, কোন ভাসা ভাসা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে না বরং শিক্ষার্থীরা কী চায়, আসলেই শিবির কেমন সেটা জেনে বুঝে কথা বলবেন। এই আন্দোলনে যেমন সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে অংশ নিয়েছিলেন, সামনেও এ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা করি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত

আন্দোলন ছিল না। এখানে সকল দল মত নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। একটা কমন টার্গেটে সবাই মাঠে ছিল। প্রথমে সেটা কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল, পরে শিক্ষার্থীরা শহীদদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। এরপর সেই দাবি মেনে না নেওয়ায় সরকার পতনের আন্দোলন হয়েছে। এখানে কোনো দলের আলাদা ক্রেডিট নেওয়ার সুযোগ নেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের