রপ্তানি খাতে ইডিএফ সংকট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

রপ্তানি খাতে ইডিএফ সংকট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ বিতরণ কমিয়ে দেওয়ায় বড় অঙ্কের এলসি খুলতে বিপাকে পড়েছেন রপ্তানিকারকরা। একদিকে ডলার সংকটের কারণে উদ্যোক্তারা নতুন এলসি খুলতে ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ডলারের জোগান পাচ্ছেন না, অন্যদিকে ইডিএফ থেকেও ব্যাংকগুলোর নতুন ঋণের জোগান চাহিদা অনুযায়ী দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রপ্তানি খাতে বড় অঙ্কের এলসি খুলতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ডলারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে কাঁচামাল আমদানিতে বিলম্ব ঘটছে। সংশ্লিষ্ট এলসির বিপরীতে রপ্তানিতেও দেরি হচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে রপ্তানি খাতে। জানা গেছে, করোনার সময় রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করতে তহবিলের আকার বাড়িয়ে ৭০০ কোটি ডলার করা হয়। একইসঙ্গে সুদের হার কমিয়ে

২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। এতে রপ্তানিকারকরা এ শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করতে সহজে এবং কম সুদে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণের জোগান পেতেন। ফলে দ্রুত এলসি খুলে কম সময়ের মধ্যে পণ্য আমদানি করে রপ্তানি করতে পারতেন। কিন্তু গত বছরের গোড়ার দিকে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তির সময় তারা রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা অর্থ বাদ দিয়ে নিট রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করার শর্ত আরোপ করে। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইডিএফ তহবিলের আকার ছোট করার সিদ্ধান্ত নেয়। একদিকে সুদের হার বৃদ্ধি, অন্যদিকে তহবিল থেকে ঋণের জোগান কমিয়ে দেওয়ায় রপ্তানিকারকদের খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি ডলার প্রাপ্তিতেও সমস্যা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতির স্বার্থেই

রপ্তানি খাত নিরুৎসাহিত হয় এমন সিদ্ধান্ত কাঙ্ক্ষিত নয়। আগে ব্যাংক নিজস্ব উৎস থেকে ডলারের জোগান দিয়ে দ্রুত এলসি খুলত; পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল থেকে সমপরিমাণ ডলার ঋণ হিসাবে নিয়ে নিত। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে এ নিয়ম থেকে সরে আসে ব্যাংকগুলো। নির্ভরশীলতা বাড়ে ইডিএফ তহবিলের ওপর। কিন্তু তহবিল ছোট করে ফেলায় রপ্তানিকারকদের জন্য সংকট আরও বেড়েছে। এক্ষেত্রে ঋণের সুদ বৃদ্ধি কিংবা তহবিল হ্রাস নয়, বরং রপ্তানির নামে অর্থ পাচারের মতো যেসব অপচেষ্টা ডলার সংকটের জন্য দায়ী, তা নিরসনে কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার বাড়ানোর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ বিতরণ হ্রাসের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে, এটাই

প্রত্যাশা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফাইনাল শোচনীয় হারের পর নিজ দেশি পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টাইনরা লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসায় হাফেজি পড়ুয়া শিশু ছাত্রকে ধর্ষণ, মাওলানা গ্রেপ্তার বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো কেন বাংলাদেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব? আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে: খরচ পদ্মা সেতু ছুঁইছুঁই, একলাফে বাড়ানো হচ্ছে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা জুলাই২৪ এর ভুয়া মামলায় ফেসে যাচ্ছেন মামলার বাদীরা, প্রশ্নের মুখে জুলাই শহিদ সংখ্যা মব এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট একই মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ আর্জেন্টিনাকে হেসেখেলে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট পেলেন এমবাপে ম্যাচ হেরে স্পেনের খেলোয়াড়ের গলা চেপে মাটিতে ফেলে পেটালেন আর্জেন্টিনার পারেদেস যে কারণে স্পেনের বিশ্বকাপ শিরোপা নেইমারকে উৎসর্গ করলেন নিকো ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাসেই স্পেনের বিশ্বজয়, থমকে গেলো মেসি’র টানা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ফাইনালে ১২০ মিনিট খেলে একটি শটও অন টার্গেটে নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন শতকোটি ভক্তকে টেস্ট-ওয়ানডেতে হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের ৫ জেলায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা সরকারি কর্মচারীদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানো থামালো কোন শক্তি? নতুন পাসপোর্টে যা যা পরিবর্তন আনা হচ্ছে বিনা বাধায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পারবেন কর কর্মকর্তারা হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ ফাইনাল, এক টিকিটের দাম কত জানেন?