ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শরীয়তপুরে মিরপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির বাড়িতে হামলা, বৃদ্ধ বাবাসহ আহত একাধিক
সংস্কার নিয়ে আমি হতাশ: মাসদার হোসেন
উন্নয়ন নেই, ঋণের রেকর্ড: ১৭ মাসেই সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকার দায়
‘বিনা অপরাধে ১৬ মাস কারাগারে বন্দি আমার স্বামী’: মুক্তির দাবিতে ব্যারিস্টার সুমনের স্ত্রীর আবেগঘন বার্তা
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
বাংলাদেশের ১৩ তম সংসদীয় নির্বাচন সম্পর্কে ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়লগের (ISD) বিবৃতি
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের নির্বাচন নাটকঃ ভোটকেন্দ্রে ব্যালট ভর্তি বাক্স অরক্ষিত; উধাও প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট
‘মালয়েশিয়ায় বন্ধ শ্রমবাজার চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার’
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, গত মে মাসে বেঁধে দেওয়া সময়ে মালয়েশিয়া যেতে না পারা প্রায় ১৮ হাজার কর্মীকে পাঠানোর বিষয়ে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পাওয়া গেছে। কি প্রক্রিয়ায় তাদের পাঠানো হবে সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমরা এসব বিষয়ে কাজ করছি।
শনিবার (৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শ্রম মন্ত্রণালয় আয়োজিত সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মধ্যে মেমারেন্ডাম অব কোলাবোরেশন স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আসিফ নজরুল বলেন, দেশটিতে বন্ধ শ্রমবাজার চালু, কর্মী প্রেরণে সবার সমান সুযোগ সৃষ্টি করা এবং কর্মীদের
বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফরে আমাদের যে ১৮ হাজার কর্মী যেতে পারেনি তাদের বিষয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। প্রতিশ্রুতি মানেই নিশ্চিত নয়। এক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলো নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আমরা মালয়েশিয়ায় বন্ধ বাজার খোলার বিষয়ে কাজ করছি। রিক্রুটিং প্রসেস ওপেন করা এবং কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের উপদেষ্টা বিশ্বব্যাপী একজন গ্রহণযোগ্য মানুষ। আমরা আশাবাদী তিনি দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবেন। আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বিমানবন্দরে আলাদা টার্মিনাল করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রত্যেক শ্রমিক বিমানবন্দরে
প্রবেশ থেকে বিমানে উঠা পর্যন্ত একজন অ্যাটেন্ডেন্ট দেওয়া হবে। প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ সুনিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত হবে। উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী কর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রবাসীরা যখন বিদেশে থাকেন তখন তারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একেকটি পতাকা হয়ে কাজ করেন। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তাদের যথাযথ মূল্যায়ন, প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের কল্যাণমূলক সুরক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এ কাজটি নিরলসভাবে করে যাচ্ছে
বলে তিনি উল্লেখ করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে প্রিকসোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আজমান আজিজ মোহাম্মদ। পরে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফরে আমাদের যে ১৮ হাজার কর্মী যেতে পারেনি তাদের বিষয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। প্রতিশ্রুতি মানেই নিশ্চিত নয়। এক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলো নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আমরা মালয়েশিয়ায় বন্ধ বাজার খোলার বিষয়ে কাজ করছি। রিক্রুটিং প্রসেস ওপেন করা এবং কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের উপদেষ্টা বিশ্বব্যাপী একজন গ্রহণযোগ্য মানুষ। আমরা আশাবাদী তিনি দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবেন। আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বিমানবন্দরে আলাদা টার্মিনাল করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রত্যেক শ্রমিক বিমানবন্দরে
প্রবেশ থেকে বিমানে উঠা পর্যন্ত একজন অ্যাটেন্ডেন্ট দেওয়া হবে। প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ সুনিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত হবে। উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী কর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রবাসীরা যখন বিদেশে থাকেন তখন তারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একেকটি পতাকা হয়ে কাজ করেন। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তাদের যথাযথ মূল্যায়ন, প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের কল্যাণমূলক সুরক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এ কাজটি নিরলসভাবে করে যাচ্ছে
বলে তিনি উল্লেখ করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে প্রিকসোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আজমান আজিজ মোহাম্মদ। পরে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।



