ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪
নোয়াখালীতে আওয়ামীলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
ইউজিসি-তে ছাত্র বহিষ্কারের প্রতিবাদে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ব্যানার
পুলিশকে যুবলীগ নেতার হুমকি — ‘সামনে আসবি না, মাইরা ফালামু’
পাঁচতারকা বারে মদ্যপান শেষে এনসিপির পদপ্রত্যাশী নারী নেত্রীকে কেন্দ্রীয় নেতার যৌন হয়রানি
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
‘আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না’—বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
মাদক বিক্রির টাকা গোণা সেই যুবদল নেতা গভীর রাতে আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রেজা (৪২)-এর বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে গুরুদাসপুর উপজেলার হামলাইকোল এলাকা থেকে রেজাউল করিম রেজাকে আটক করা হয়। একই সময় আদম ব্যবসায়ী বুলবুলের স্ত্রী রুমা আক্তার লাবনী (৩৩)-কেও গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই রুমা আক্তার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আজ ১৪ই মে, বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ১৫১ ধারায়
মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। রেজাউল করিম রেজা গুরুদাসপুর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে যুবদলের একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একই দিনে জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “রেজাউল করিম রেজার নৈতিক স্খলন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী কাজ করার অপরাধে সদস্য পদসহ দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার এই কর্মকাণ্ড দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সংগঠনের নীতির পরিপন্থী হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে
দেখা যায়, রুমা আক্তার লাবনী সিগারেটে গাঁজা ভরছেন এবং তার পাশেই বসে থাকা রেজাউল করিম রেজা মাদক বিক্রির টাকা গুনছেন। স্থানীয়রা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং তারা দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত। স্থানীয়রা আরও জানান, ঘটনার রাতে তারা দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আটক হওয়ার আগে তারা মাদক সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হন। এরপর নানা নাটকীয়তার পর তাদের বিরুদ্ধে ১৫১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, “আসামিদের কাছে মাদক না পাওয়ায় ১৫১ ধারায় পুলিশ মামলা রুজু করা হয়।” তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নাটোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। রেজাউল করিম রেজা গুরুদাসপুর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে যুবদলের একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একই দিনে জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “রেজাউল করিম রেজার নৈতিক স্খলন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী কাজ করার অপরাধে সদস্য পদসহ দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার এই কর্মকাণ্ড দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সংগঠনের নীতির পরিপন্থী হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে
দেখা যায়, রুমা আক্তার লাবনী সিগারেটে গাঁজা ভরছেন এবং তার পাশেই বসে থাকা রেজাউল করিম রেজা মাদক বিক্রির টাকা গুনছেন। স্থানীয়রা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং তারা দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত। স্থানীয়রা আরও জানান, ঘটনার রাতে তারা দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আটক হওয়ার আগে তারা মাদক সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হন। এরপর নানা নাটকীয়তার পর তাদের বিরুদ্ধে ১৫১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, “আসামিদের কাছে মাদক না পাওয়ায় ১৫১ ধারায় পুলিশ মামলা রুজু করা হয়।” তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নাটোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



