ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংস্কার নয়, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ফন্দি ইউনুস গংয়ের : রেহমান সোবহানের বক্তব্য স্বীকারোক্তি নাকি সমালোচনা?
গনপরিষদ নাকি মাইনাস – 2 ?
শেখ হাসিনার সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিনের অ্যাসিস্ট্যান্টের কোনো গোপন বিষয়ে একমত হওয়ার দাবিটি ভুয়া।
গণভোটের ব্যালটে নেই কোন সিরিয়াল নম্বর, গণভোটের নামে মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান পরিবর্তনের গভীর ষড়যন্ত্রের এক নীল নকশা
ক্ষমতার আড়ালে পৈশাচিকতা: এপস্টাইন ফাইলস ও সভ্যতার খসে পড়া মুখোশ
৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি
বর্তমান সরকার ‘জঙ্গি তোষণকারী’, আসন্ন নির্বাচন ‘সাজানো নাটক’: সজীব ওয়াজেদ জয়
ভোলায় এবার এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয়, শেখ মুজিবের ম্যুরাল
ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের দুই তলা বিশিষ্ট কার্যালয়, শেখ মুজিবুর রহমানের ৩টি ম্যুরাল এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে এ ভাংচুর কার্যক্রম শুরু হয়ে চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এক্সেভেটর (ভেকু) দিয়ে পৌর ভানের সামনের থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা ম্যুরালের অবশিষ্টাংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। এর পরে পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদ চত্বর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ম্যুরাল গুড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর রাত পৌনে ১১ টায় শহরের বাংলাস্কুল মোড়ের জেলা আওয়ামী লীগের দোতলা অফিস এক্সেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলতেই বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা এমন উদ্যোগ
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।



