ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
৪০ বছর পর সংসদের শীর্ষ পদে নারীশূন্যতা: এরশাদের পথে হাঁটলেন তারেক
পিআইবি সেমিনার দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ফারুক ওয়াসিফের মিথ্যাচারঃ উঠে এলো আরও দুর্নীতিকান্ড!
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া পাকি মন্ত্রীদের ২ মাস বেতন বন্ধ, অফিস চলবে ৪ দিন
রাশিয়ান তেল কিনতে অর্থমন্ত্রীর মার্কিন অনুমতি প্রার্থনাঃ রাশিয়ান তেল শোধনে অসম্ভবতা সত্ত্বেও কেন এই পদক্ষেপ?
মোজাম্মেল ‘প্রোস্টেট ক্যান্সার’, শ্যামল ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’, চলাফেরায় ‘অক্ষম’ বয়োবৃদ্ধ শাহরিয়ার: সাংবাদিকরা তাও মুক্তি পাবেন না?
ভোলায় এবার এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয়, শেখ মুজিবের ম্যুরাল
ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের দুই তলা বিশিষ্ট কার্যালয়, শেখ মুজিবুর রহমানের ৩টি ম্যুরাল এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে এ ভাংচুর কার্যক্রম শুরু হয়ে চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এক্সেভেটর (ভেকু) দিয়ে পৌর ভানের সামনের থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা ম্যুরালের অবশিষ্টাংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। এর পরে পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদ চত্বর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ম্যুরাল গুড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর রাত পৌনে ১১ টায় শহরের বাংলাস্কুল মোড়ের জেলা আওয়ামী লীগের দোতলা অফিস এক্সেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলতেই বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা এমন উদ্যোগ
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।



