ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ডিজাইনে জাল ভোটের নির্বাচনঃ দৈবচয়নে টিআইবির ৭০ টি আসন পর্যবেক্ষণ, ধৃত জাল ভোটের পরিসংখ্যান ২১.৪%
ইউনূসের আয়োজিত প্রহসনের নির্বাচন, যেখানে অবাধে চলেছে জাল ভোটের মহোৎসব
পবিত্র রমজান মাসে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি অসহায়, দুস্থ, প্রান্তিক, নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ইফতার, সেহরি, খাদ্য উপকরণ সহায়তাসহ অন্যান্য মানবিক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান
দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের
‘মবের জনক’ উপাধি নিয়ে বিদায় ড. ইউনূসের: পেছনে রেখে গেলেন লাশের মিছিল ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
ভোলায় এবার এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয়, শেখ মুজিবের ম্যুরাল
ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের দুই তলা বিশিষ্ট কার্যালয়, শেখ মুজিবুর রহমানের ৩টি ম্যুরাল এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে এ ভাংচুর কার্যক্রম শুরু হয়ে চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এক্সেভেটর (ভেকু) দিয়ে পৌর ভানের সামনের থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা ম্যুরালের অবশিষ্টাংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। এর পরে পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদ চত্বর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ম্যুরাল গুড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর রাত পৌনে ১১ টায় শহরের বাংলাস্কুল মোড়ের জেলা আওয়ামী লীগের দোতলা অফিস এক্সেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলতেই বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা এমন উদ্যোগ
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।



