ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রঙ্কসে ডে কেয়ারে ফেন্টানলের মজুদ, ১ শিশুর মৃত্যু
ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প
কুয়েতে ইরানের মিসাইল হামলা, নিহত ১ বাংলাদেশি অভিবাসী
ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে চাকরির খাত, বেকারত্ব বেড়ে ৪দশমিক ৪ শতাংশ
মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি শিশু নীপিড়ক: এফবিআই
বরখাস্ত হলেন ক্রিস্টি নোয়েম, নেপথ্যে যে কারণ
বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়াতেও উগ্রবাদী ইসলামপন্থী হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা
বিমানে ‘ঘুমিয়ে’ ছিলেন বাইডেন : সেনাদের লাশ পেতে অপেক্ষায় স্বজনরা
২০২১ সালের ২৬ আগস্ট আফগানিস্তানের কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট। ওই ঘটনায নিহত হন ১৩ জন আমেরিকান সৈনিক। নিহত সেনাদের দেহ ডেলাওয়্যারে ডোভার বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছিল।
সেখানে নিহতদের সম্মান জানিয়ে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই গোটা প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার স্ত্রী জিল বাইডেনের। স্বজনহারাদের অভিযোগ, বিমান ঘাঁটিতে সেনাদের মৃতদেহ পেতে অতিরিক্ত প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। কারণ, প্রেসিডেন্ট নিজের বিমানে ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর ডেইলি মেইল।
কাবুলের বিস্ফোরণে ভাইকে হারিয়েছিলেন রয়েস ম্যাককোলাম।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মেইলকে তিনি বলেন, “নিহত সেনাদের দেহ তুলে দিতে আমাদের অতিরিক্ত তিন ঘণ্টা
অপেক্ষা করিয়েছিলেন (বাইডেন)। কারণ তিনি ঘুম থেকে উঠতে পারছিলেন না।” রয়েস জানান, নিহতদের পরিবারেরা অপেক্ষা করছিলেন ঘাঁটিতে। এক সেনা কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছিলেন, বাইডেন ঘুমিয়ে রয়েছেন। কাবুলে নিহত টেলর হুভারের বাবা ডারিন হুভারেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দপ্তরে বসেছিলাম। মনে হচ্ছিল অনন্তকাল ধরে প্রতীক্ষা করছি একটা জরাগ্রস্ত বোকা বুড়োর জন্য।” ওই কর্মসূচিতেই সেনাদের দেহ যখন পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তখন বাইডেনের বিরুদ্ধে বারবার ঘড়ি দেখার অভিযোগ উঠেছিল।
অপেক্ষা করিয়েছিলেন (বাইডেন)। কারণ তিনি ঘুম থেকে উঠতে পারছিলেন না।” রয়েস জানান, নিহতদের পরিবারেরা অপেক্ষা করছিলেন ঘাঁটিতে। এক সেনা কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছিলেন, বাইডেন ঘুমিয়ে রয়েছেন। কাবুলে নিহত টেলর হুভারের বাবা ডারিন হুভারেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দপ্তরে বসেছিলাম। মনে হচ্ছিল অনন্তকাল ধরে প্রতীক্ষা করছি একটা জরাগ্রস্ত বোকা বুড়োর জন্য।” ওই কর্মসূচিতেই সেনাদের দেহ যখন পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তখন বাইডেনের বিরুদ্ধে বারবার ঘড়ি দেখার অভিযোগ উঠেছিল।



