ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেসে অন্যের ভাত খেয়ে নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা
নাম বদলে ‘উজ্জ্বল’ থেকে ‘আয়াস’: জুলাই চেতনার বড়ি বেচে চাঁদাবাজি-মবের হোতা
সকালে চা খেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে যুবককে এলোপাতাড়ি গুলি, কুপিয়ে হত্যা
গৃহকর্মী তানিয়ার শরীরজুড়ে খুন্তির ছ্যাঁকা, মাথায় গুরুতর আঘাত, পচন ধরেছে দুই পায়ে
পুলিশকে পাথর মেরে আসামি ছিনতাই
রাত-বিরাতে ছাত্রকে ‘কাছে পেতে’ জীনের ভয় দেখাতেন মুহতামিম, অতঃপর…
বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পলাতক বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সিপাহী মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার রাত ৮টায় র্যাব-১১’র মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান। মঙ্গলবার যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বসুন্দিয়া এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-৬’র সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গ্রেফতার আসামি মো. সাইফুল ইসলাম বিডিআর বিদ্রোহ মামলার মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সে চলতি বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে আত্মোগোপন করে আসছিল।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালত সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতার আসামি
মো. সাইফুল ইসলাম পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল লালবাগ থানা এলাকা থেকে র্যাব-২ কর্তৃক গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পর ২০০৯ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ছিলেন। এরপর ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা সিভিল কোর্টে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘদিন সেখানে সেলে থাকার পর গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সৃষ্ট নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে থাকে।
মো. সাইফুল ইসলাম পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল লালবাগ থানা এলাকা থেকে র্যাব-২ কর্তৃক গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পর ২০০৯ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ছিলেন। এরপর ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা সিভিল কোর্টে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘদিন সেখানে সেলে থাকার পর গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সৃষ্ট নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে থাকে।



