বিএনপি-জামায়াতের ক্লেদাক্ত প্রতিযোগিতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৪:০৭ অপরাহ্ণ

বিএনপি-জামায়াতের ক্লেদাক্ত প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৪:০৭ 181 ভিউ
একটা দেশের সবকিছু ধ্বংস করে, লুটে নিয়ে, পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েও শেষরক্ষা হয়নি ফ্যাসিবাদের। মারণাস্ত্রের মুখে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো নিরস্ত্র মানুষের মহাগণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারিয়ে পালাতে বাধ্য হলেও ওরা কি হাল ছেড়েছে? মোটেও না। হাসিনার পতিত ফ্যাসিবাদ তাদের হারানো স্বর্গ ফিরে পেতে একের পর এক বুনে চলেছে ষড়যন্ত্রের জাল। তাদের আশা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের৷ যেখানেই মাদক মিলছে সেখানেই তারা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে উসকানি দিচ্ছে। সবখানে ঘাপটি মেরে বসে আছে পতিত ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা। একটি মাস না যেতেই ওরা চক্রান্তের ঘেরাটোপে বসে 'এই স্বাধীনতাই কি চেয়েছিলাম আমরা' বলে অহর্নিশ ফেরি করে চলেছে হতাশা। পুনরত্থানকামী ফ্যাসিবাদী শক্তির হাতে আছে দেশলুটের অজস্র অর্থ-সম্পদ। আছে অবৈধ অস্ত্র। আছে

আধিপত্যবাদের মদত। কাজেই সহসা থামবে না ওদের কার্যক্রম। ওরা চাইবে এদেশ যেন একদিনও স্বস্তিতে থাকতে না পারে। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি দরকার নিপীড়িত জাতির সীসাঢালা ঐক্য। দরকার ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানকামী প্রতিবিপ্লব ও চক্রান্ত রুখে দেওয়া। দরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কার, জাতীয় পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রায়ণের সম্মিলিত প্রয়াস। দরকার দ্রুত স্বস্তি, শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে মানুষের মধ্যে পুনরায় আস্থার সঞ্চার করা। কিন্তু এখন কী করছে আমাদের দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো? এখনো আমরা তাদেরকে দেশের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তির ও দলের সংকীর্ণ স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে দেখছি। দখলদারি, দলীয়করণ ও বস্তুগত সম্পদ আহরণের উদগ্র লালসায় তারা এই ক্রান্তিকালেই ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শৃঙ্খলা, সংযম, দায়িত্বশীলতা ও শুদ্ধির কোনো লক্ষ্মণ তাদের মধ্যে দেখা

যাচ্ছে না। বিএনপি ও জামায়াত দুটি পৃথক দল। রাজনৈতিক কৌশলের স্বার্থে দীর্ঘদিন তারা জোটবদ্ধ ছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে আলাদা ভাবে রাজনৈতিক ও দলীয় কর্মসূচি চালাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু তাতেই তাদের শত্রু হয়ে যাবার কথা নয়। তারা পরস্পরের প্রতিপক্ষও নয়। এমনকি ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতার প্রত্যাশী হলেও জামায়াত এই মুহূর্তে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। তাদের উভয় দলের রাজনীতির এখনকার প্রধান প্রতিপক্ষ থাকার কথা পুনরুত্থানকামী পতিত ফ্যাসিবাদের। কিন্তু সে-কথা ভুলে এবং আওয়ামী বাকশালকে ছেড়ে বিএনপি ও জামায়াত নেমে পড়েছে পরস্পরের বিরুদ্ধে ক্লেদাক্ত প্রতিযোগিতায়। এত চরম ক্ষয়ক্ষতির পরেও তাদের শিক্ষা হয়নি। সময়ের দাবি মেটাতে রাজনীতি ও দলের যে সংস্কার ও প্রস্তুতি

দরকার সে-কথাও তারা ভুলে বসে আছে। এটা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, হঠকারিতা ও বালখিল্যতা ছাড়া কিছু নয়। দুই দলের এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি ও শক্তিক্ষয়ে আওয়ামী বাকশালীরা ছাড়া আর কেউই লাভবান হচ্ছে না। আমাদের রাজনীতি আর কবে সাবালক ও দায়িত্বশীল হবে জানি না। লেখক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানে ফেসবুক থেকে নেওয়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাউটার সংযোগ দুর্বল হয় যে কারণে চট্টগ্রামে সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, চাঁদা দাবির অভিযোগ ইরানের শাসন কি পতনের দ্বারপ্রান্তে তামিমের নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ দল ঘোষণা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি ছড়ানোর জেরে কিশোর সায়র হত্যা, গ্রেপ্তার ৬ প্রথমবার রূপালি পর্দায় এ আর রহমান, দেখা যাবে ভিন্ন চরিত্রে শান্ত, নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে চাই: নাজিফা তুষি প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সমাধিসৌধে কিম জং-উনের মেয়ে তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস বিএনপির উদ্দেশে যা বললেন রুমিন ফারহানা নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় নিয়ে বিতর্ক, যে ব্যাখ্যা দিল এনসিপি একুশে পদকপ্রাপ্ত ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই আল্লাহকে সাক্ষী রেখে যে ঘোষণা দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বাবার চেয়ে ১৮ গুণ বেশি টাকা এনসিপির প্রার্থী হান্নান মাসউদের তিন ক্যাটাগরির পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প দেশকে অন্ধকার থেকে বাঁচান’: ২০২৬-এর নতুন বছরে ঐক্যের ডাক শেখ হাসিনার