ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাগেরহাটে জমি-জমার বিরোধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন
এবার কুমিল্লায় মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে কুপিয়ে-আছড়ে হত্যা
কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে মামলা: ঘরছাড়া ৫ গ্রামের কৃষক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে তিন স্কুলশিক্ষার্থী নিখোঁজ
মানিকগঞ্জে প্রবাসী ঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলে থাকার অভিযোগ: গ্রেপ্তার বেড়ে ১৭৯
তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রাস্তায় অচেতন পড়ে থাকা তরুণীর হাসপাতালে মৃত্যু
প্রভাষক পরিচয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র দেখেন অফিস সহকারী
সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার গ্রিনহিল স্টেট কলেজের জয়ন্ত দত্ত নামে এক অফিস সহকারী প্রভাষক পরিচয় দিয়ে চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় সিলেট শিক্ষা বোর্ড থেকে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বিধি অনুযায়ী কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক ও ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। এই যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এ বছর জয়ন্ত দত্ত বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ পরীক্ষার্থীর খাতা মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত জয়ন্ত দাবি করেন, ২০১৯ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর পাশের পর তিনি শিক্ষক সংকট থাকায়
ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তবে নিয়োগপত্রটি প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে ছিল। নিয়োগপত্রের বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ বলেন, শিক্ষক হিসাবে জয়ন্ত দত্তের নিয়োগপত্র পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে। বোর্ডের অনলাইন আবেদনে আমি অনুমোদন দিইনি। এটি দিয়েছেন পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী। তবে পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়োগপত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই সংরক্ষিত আছে এবং আবেদনে অনুমোদনও তিনি দিয়েছেন। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হতে শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করতে হয়। এ অভিযোগ সত্য হলে তা গুরুতর অনিয়ম। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত সীতেশ রঞ্জনকে শোকজ করা
হয়েছে।
ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তবে নিয়োগপত্রটি প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে ছিল। নিয়োগপত্রের বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ বলেন, শিক্ষক হিসাবে জয়ন্ত দত্তের নিয়োগপত্র পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে। বোর্ডের অনলাইন আবেদনে আমি অনুমোদন দিইনি। এটি দিয়েছেন পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী। তবে পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়োগপত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই সংরক্ষিত আছে এবং আবেদনে অনুমোদনও তিনি দিয়েছেন। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হতে শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করতে হয়। এ অভিযোগ সত্য হলে তা গুরুতর অনিয়ম। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত সীতেশ রঞ্জনকে শোকজ করা
হয়েছে।



